ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

স্যান্টনার ঝড়ে সিরিজ কিউইদের, ম্লান হোপের সেঞ্চুরি



স্যান্টনার ঝড়ে সিরিজ কিউইদের, ম্লান হোপের সেঞ্চুরি
ছবি সংগৃহীত

জেডন সিলসের কাঁধে ছিল ওয়ানডে সিরিজ বাঁচানোর দায়িত্ব। কিন্তু সেটা পারেননি ওয়েস্ট ইন্ডিজের পেসার। শেষ ওভারে ৮ রানের সমীকরণে বোলিংয়ে এসে প্রথম তিন বলেই দলের পরাজয়ে নাম তোলান তিনি।

পরাজয়ে নাম তোলা বলার কারণ দ্বিতীয় বলটি নো করেন সিলস।

মাথা বরাবর বলকে বাউন্ডারি হাঁকান টম লাথাম। তাতে দ্বিতীয় বৈধ বল হওয়ার আগেই ৬ রান পায় কিউইরা।

প্রথম বল সিঙ্গেল নেন শেষ দিকে ঝোড়ো ইনিংস খেলে দলের জয়ের নায়ক মিচেল স্যান্টনার। ফ্রি হিট বলে অবশ্য এক রানের বেশি নিতে পারেননি লাথাম। তৃতীয় বলে জয়সূচক রান করেন অধিনায়ক স্যান্টনার। তাতে বৃষ্টির কারণে ৩৪ ওভারের ম্যাচে ৫ উইকেটের জয পায় নিউজিল্যান্ড। এক ম্যাচ হাতে রেখে সিরিজ জয় নিশ্চিত করার আগে বেশ কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছিল নিউজিল্যান্ড। শেষ ১৮ বলে ৪০ রান প্রয়োজন ছিল। ম্যাথিউ ফোর্ডের করা ৩২তম ওভারের প্রথম তিন বলে ৪, ৬ ও ৪ হাঁকিয়ে ম্যাচটা নিজেদের দিকে নিয়ে আসেন স্যান্টনার। ওই ওভারে সবমিলিয়ে ১৮ রান আসে।

ফিরতি ওভারেও ঝড় তুলেন স্যান্টনার। ১২ বলে ২২ রানের সমীকরণে প্রথম দুই বলে ৪, ৬ হাঁকান বাঁহাতি ব্যাটার। সতীর্থ লাথামের সঙ্গে শামার স্প্রিঙ্গারের ওভার থেকে মোটে ১৪ রান নেন।

পরে শেষ সমীকরণ ৩ বল হাতে রেখে ঘোচান তারা। অধিনায়কের ৩৪ রানের বিপরীতে ৩৯ রানে অপরাজিত থাকেন লাথাম। তবে ২৪৮ রান তাড়ার শুরুটা দারুণ এনে দিয়েছিলেন দুই ওপেনার ডেভন কনওয়ে ও রাচিন রবীন্দ্র। ১০৬ রানের জুটি গড়েন তারা। দুজনে ফিফটি করার পর ম্যাচ থেকে ছিটকে যাওয়ার পথে ছিল তারা। রাচীনের ৫৬ রানের বিপরীতে ১০ রানের আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছেড়েছেন কনওয়ে। ৯০ রানে আউট হওয়ায় ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ সেঞ্চুরি পাওয়া হয়নি তার।

২২৬.৬৬ স্ট্রাইক রেটে স্যান্টনার বিধ্বংসী ইনিংসটি না খেললে সিরিজ জয়ের হাসি থাকত না নিউজিল্যান্ডের ওষ্ঠে। বাঁহাতি ব্যাটারের ঝোড়ো ইনিংসে ম্লান হয়ে যায় শাই হোপের সেঞ্চুরি। তার ৬৯ বলে ১০৯ রানের ইনিংসেই তো ৯ উইকেটে ২৪৭ রানের সংগ্রহ পেয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ক্যারিয়ারের ১৯তম সেঞ্চুরির ইনিংসটি সাজিয়েছেন ৪ ছক্কা ও ১৩ চারে। জয়ী দলে থাকতে না পারলেও ম্যাচসেরার স্বীকৃতি জুটেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের অধিনায়কের কপালে। কিউইদের হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নিয়েছেন নাথান স্মিথ।

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫


স্যান্টনার ঝড়ে সিরিজ কিউইদের, ম্লান হোপের সেঞ্চুরি

প্রকাশের তারিখ : ১৯ নভেম্বর ২০২৫

featured Image

জেডন সিলসের কাঁধে ছিল ওয়ানডে সিরিজ বাঁচানোর দায়িত্ব। কিন্তু সেটা পারেননি ওয়েস্ট ইন্ডিজের পেসার। শেষ ওভারে ৮ রানের সমীকরণে বোলিংয়ে এসে প্রথম তিন বলেই দলের পরাজয়ে নাম তোলান তিনি।

পরাজয়ে নাম তোলা বলার কারণ দ্বিতীয় বলটি নো করেন সিলস।

মাথা বরাবর বলকে বাউন্ডারি হাঁকান টম লাথাম। তাতে দ্বিতীয় বৈধ বল হওয়ার আগেই ৬ রান পায় কিউইরা।

প্রথম বল সিঙ্গেল নেন শেষ দিকে ঝোড়ো ইনিংস খেলে দলের জয়ের নায়ক মিচেল স্যান্টনার। ফ্রি হিট বলে অবশ্য এক রানের বেশি নিতে পারেননি লাথাম। তৃতীয় বলে জয়সূচক রান করেন অধিনায়ক স্যান্টনার। তাতে বৃষ্টির কারণে ৩৪ ওভারের ম্যাচে ৫ উইকেটের জয পায় নিউজিল্যান্ড। এক ম্যাচ হাতে রেখে সিরিজ জয় নিশ্চিত করার আগে বেশ কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছিল নিউজিল্যান্ড। শেষ ১৮ বলে ৪০ রান প্রয়োজন ছিল। ম্যাথিউ ফোর্ডের করা ৩২তম ওভারের প্রথম তিন বলে ৪, ৬ ও ৪ হাঁকিয়ে ম্যাচটা নিজেদের দিকে নিয়ে আসেন স্যান্টনার। ওই ওভারে সবমিলিয়ে ১৮ রান আসে।

ফিরতি ওভারেও ঝড় তুলেন স্যান্টনার। ১২ বলে ২২ রানের সমীকরণে প্রথম দুই বলে ৪, ৬ হাঁকান বাঁহাতি ব্যাটার। সতীর্থ লাথামের সঙ্গে শামার স্প্রিঙ্গারের ওভার থেকে মোটে ১৪ রান নেন।

পরে শেষ সমীকরণ ৩ বল হাতে রেখে ঘোচান তারা। অধিনায়কের ৩৪ রানের বিপরীতে ৩৯ রানে অপরাজিত থাকেন লাথাম। তবে ২৪৮ রান তাড়ার শুরুটা দারুণ এনে দিয়েছিলেন দুই ওপেনার ডেভন কনওয়ে ও রাচিন রবীন্দ্র। ১০৬ রানের জুটি গড়েন তারা। দুজনে ফিফটি করার পর ম্যাচ থেকে ছিটকে যাওয়ার পথে ছিল তারা। রাচীনের ৫৬ রানের বিপরীতে ১০ রানের আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছেড়েছেন কনওয়ে। ৯০ রানে আউট হওয়ায় ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ সেঞ্চুরি পাওয়া হয়নি তার।

২২৬.৬৬ স্ট্রাইক রেটে স্যান্টনার বিধ্বংসী ইনিংসটি না খেললে সিরিজ জয়ের হাসি থাকত না নিউজিল্যান্ডের ওষ্ঠে। বাঁহাতি ব্যাটারের ঝোড়ো ইনিংসে ম্লান হয়ে যায় শাই হোপের সেঞ্চুরি। তার ৬৯ বলে ১০৯ রানের ইনিংসেই তো ৯ উইকেটে ২৪৭ রানের সংগ্রহ পেয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ক্যারিয়ারের ১৯তম সেঞ্চুরির ইনিংসটি সাজিয়েছেন ৪ ছক্কা ও ১৩ চারে। জয়ী দলে থাকতে না পারলেও ম্যাচসেরার স্বীকৃতি জুটেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের অধিনায়কের কপালে। কিউইদের হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নিয়েছেন নাথান স্মিথ।


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৫ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত