‘আওয়ামী
দুঃশাসনের আমলে দেশে মেধাবী বেকারদের সংখ্যা বেড়েছিল। তারা এক অফিস থেকে অন্য
অফিসে ঘুরেও চাকরি পায়নি। যারা আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ করত তারা মেধাবী না হলেও
সুপারিশে তাদের চাকরি হতো, আর মেধাবীরা পিছিয়ে পড়ত। যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও ঘুষ,
তদবির বাণিজ্যের কারণে তাদের চাকরি হয়নি বলে জানিয়েছেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় শিল্প
বিষয়ক সম্পাদক ও কুমিল্লা- ৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জে) আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী
মো. আবুল কালাম।
আজ শুক্রবার (২৮
নভেম্বর) বিকেলে কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার নীলকান্ত সরকারি ডিগ্রী কলেজ মাঠে
মৈশাতুয়া ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজিত উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন
তিনি।
আবুল কালাম
বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় এলে ঘুষ ও তদবির ছাড়া চাকরির ব্যবস্থা করা হবে। এ দেশে কোন
শিক্ষিত ছেলে-মেয়ে চাকরির জন্য এক পয়সাও ঘুষ দিতে হবে না। এটা আপনাদের কাছে
আমাদের প্রতিজ্ঞা।
তিনি বলেন, ‘আগামী নির্বাচনে আমি বিজয়ী হলে লাকসাম-মনোহরগঞ্জকে উন্নয়নের মাইলফলক
হিসেবে গড়ে তুলব। এই প্রান্তিক জনপদের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়ন বঞ্চিত ছিল। আওয়ামী
দুঃশাসনে এই জনপদে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজদের কারণে অতিষ্ঠ ছিল। আমি কথা দিচ্ছি, লাকসাম-মনোহরগঞ্জকে
সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, দখলদার ও দুর্নীতিমুক্ত করব। এটা
আমার প্রথম ও প্রধান দায়িত্ব হবে।’
তিনি
আরও বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় এলে নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা হবে। মা-বোন যারা
আছেন তারা যেন নিরাপদে চলাচল করতে পারেন, স্কুল, কলেজ, মাদরাসা, বাবার বাড়ি,
শ্বশুরবাড়ি, হাট-বাজার সকল জায়গায় নিরাপদে যাওয়া-আসা করতে পারেন সেই পরিবেশ
নিশ্চিত করা হবে।’
আবুল
কালাম বলেন, ‘আমি নির্বাচিত হলে এই দুই উপজেলাকে মাদকমুক্ত করা হবে। এই সমাজে যারা
মাদক সেবন করেন, তাদের দেখলেই চেনা যায়। মাদকসেবীদের
বাবা-মা যারা আছেন আপনারা আপনার সন্তানকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে আমাদের
সহযোগিতা নেবেন, আমরা তাদেরকে মানুষের মতো মানুষ করব, ইনশাল্লাহ।’
মনোহরগঞ্জ
উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহ্বাজ ইলিয়াস পাটোয়ারীর সভাপতিত্বে এ সময় আরো উপস্থিত
ছিলেন— উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা সচিব এ কে এম জাহাঙ্গীর ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ
সম্পাদক অধ্যাপক মো. সরোয়ার জাহান দোলনসহ প্রমুখ।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫
প্রকাশের তারিখ : ২৮ নভেম্বর ২০২৫
‘আওয়ামী
দুঃশাসনের আমলে দেশে মেধাবী বেকারদের সংখ্যা বেড়েছিল। তারা এক অফিস থেকে অন্য
অফিসে ঘুরেও চাকরি পায়নি। যারা আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ করত তারা মেধাবী না হলেও
সুপারিশে তাদের চাকরি হতো, আর মেধাবীরা পিছিয়ে পড়ত। যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও ঘুষ,
তদবির বাণিজ্যের কারণে তাদের চাকরি হয়নি বলে জানিয়েছেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় শিল্প
বিষয়ক সম্পাদক ও কুমিল্লা- ৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জে) আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী
মো. আবুল কালাম।
আজ শুক্রবার (২৮
নভেম্বর) বিকেলে কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার নীলকান্ত সরকারি ডিগ্রী কলেজ মাঠে
মৈশাতুয়া ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজিত উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন
তিনি।
আবুল কালাম
বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় এলে ঘুষ ও তদবির ছাড়া চাকরির ব্যবস্থা করা হবে। এ দেশে কোন
শিক্ষিত ছেলে-মেয়ে চাকরির জন্য এক পয়সাও ঘুষ দিতে হবে না। এটা আপনাদের কাছে
আমাদের প্রতিজ্ঞা।
তিনি বলেন, ‘আগামী নির্বাচনে আমি বিজয়ী হলে লাকসাম-মনোহরগঞ্জকে উন্নয়নের মাইলফলক
হিসেবে গড়ে তুলব। এই প্রান্তিক জনপদের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়ন বঞ্চিত ছিল। আওয়ামী
দুঃশাসনে এই জনপদে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজদের কারণে অতিষ্ঠ ছিল। আমি কথা দিচ্ছি, লাকসাম-মনোহরগঞ্জকে
সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, দখলদার ও দুর্নীতিমুক্ত করব। এটা
আমার প্রথম ও প্রধান দায়িত্ব হবে।’
তিনি
আরও বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় এলে নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা হবে। মা-বোন যারা
আছেন তারা যেন নিরাপদে চলাচল করতে পারেন, স্কুল, কলেজ, মাদরাসা, বাবার বাড়ি,
শ্বশুরবাড়ি, হাট-বাজার সকল জায়গায় নিরাপদে যাওয়া-আসা করতে পারেন সেই পরিবেশ
নিশ্চিত করা হবে।’
আবুল
কালাম বলেন, ‘আমি নির্বাচিত হলে এই দুই উপজেলাকে মাদকমুক্ত করা হবে। এই সমাজে যারা
মাদক সেবন করেন, তাদের দেখলেই চেনা যায়। মাদকসেবীদের
বাবা-মা যারা আছেন আপনারা আপনার সন্তানকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে আমাদের
সহযোগিতা নেবেন, আমরা তাদেরকে মানুষের মতো মানুষ করব, ইনশাল্লাহ।’
মনোহরগঞ্জ
উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহ্বাজ ইলিয়াস পাটোয়ারীর সভাপতিত্বে এ সময় আরো উপস্থিত
ছিলেন— উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা সচিব এ কে এম জাহাঙ্গীর ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ
সম্পাদক অধ্যাপক মো. সরোয়ার জাহান দোলনসহ প্রমুখ।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন