শীতকাল শুরু হলেই বেশিরভাগ মানুষ গলা এবং বুকে অস্বস্তি অনুভব
করেন। শুষ্ক ও দূষিত বাতাসের কারণে শ্বাস নিতে কষ্ট হতে পারে, অনেকেই অতিরিক্ত
কাশি, গলা বা মাথাব্যথা এবং বুক ভারী বোধ করেন। এ ক্ষেত্রে, রান্নাঘরে থাকা কিছু
মসলা প্রাকৃতিকভাবে এই সমস্যাগুলোর সমাধান করতে পারে। শীতকালে গলা ও বুকের
অস্বস্তি কমাতে সহায়ক এমন কিছু মসলা এবং ভেষজ সম্পর্কে জানুন-
আদা
আদা
শ্বাসকষ্ট এবং গলা ব্যথা কমাতে কার্যকর। ২০১৮ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, এটি শ্বাসনালীর
প্রদাহ কমাতে, শ্লেষ্মা পরিষ্কার করতে এবং কাশি নিরাময়ে সহায়তা করে। আদা চা পান বা
মধু দিয়ে কাঁচা আদা খেলে এ ধরনের সমস্যা অনেকটা কমে যায়।
হলুদ
গলা ও
বুকের অস্বস্তি কমাতে হলুদ একটি জনপ্রিয় উপাদান। ২০২৩ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে,
এর প্রদাহ-বিরোধী এবং অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণ দূষিত বাতাসের কারণে হওয়া জ্বালা
প্রশমিত করে। উষ্ণ হলুদ পানি বা হলুদ দুধ গলায় আবরিত হয়ে শুষ্কতা কমাতে সাহায্য
করে এবং তাৎক্ষণিক উষ্ণতা দেয়। হলুদ কফ কমাতে এবং বায়ুবাহিত জ্বালাপোড়ার বিরুদ্ধে
কাজ করে।
তুলসি পাতা
তুলসি
শ্বাসকষ্টের জন্য একটি ঐতিহ্যবাহী উপকারি প্রতিকার, বিশেষত শীতে। ২০২৩ সালের
গবেষণায় এর অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল, প্রদাহ-বিরোধী এবং ডিটক্সিফাইং গুণ গলা চুলকানি
ও বুকের অস্বস্তি কমাতে সাহায্য করে। তুলসি চা বা তুলসি পাতার রস মিশ্রিত পানি
শুষ্ক কফ এবং কাশি কমাতে সহায়তা করে, পাশাপাশি শ্বাস-প্রশ্বাসকে মসৃণ করে।
গোল মরিচ
গোল মরিচ
শ্লেষ্মা পরিষ্কারের জন্য উপকারী এবং শ্বাসনালীতে ভালো বায়ুপ্রবাহ নিশ্চিত করে।
স্যুপ বা উষ্ণ পানিতে মধু এবং গোল মরিচ মিশিয়ে খেলে গলায় আরাম পাওয়া যায়। এটি
রক্তসঞ্চালন উদ্দীপিত করে, ফলে দীর্ঘসময় বাইরে থাকার পর বুকের ভারীতা কমাতে
সাহায্য করে।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
বিষয় : শীত গলাব্যথা শুষ্ক কাশি রক্ষা
.png)
সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫
প্রকাশের তারিখ : ২২ নভেম্বর ২০২৫
শীতকাল শুরু হলেই বেশিরভাগ মানুষ গলা এবং বুকে অস্বস্তি অনুভব
করেন। শুষ্ক ও দূষিত বাতাসের কারণে শ্বাস নিতে কষ্ট হতে পারে, অনেকেই অতিরিক্ত
কাশি, গলা বা মাথাব্যথা এবং বুক ভারী বোধ করেন। এ ক্ষেত্রে, রান্নাঘরে থাকা কিছু
মসলা প্রাকৃতিকভাবে এই সমস্যাগুলোর সমাধান করতে পারে। শীতকালে গলা ও বুকের
অস্বস্তি কমাতে সহায়ক এমন কিছু মসলা এবং ভেষজ সম্পর্কে জানুন-
আদা
আদা
শ্বাসকষ্ট এবং গলা ব্যথা কমাতে কার্যকর। ২০১৮ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, এটি শ্বাসনালীর
প্রদাহ কমাতে, শ্লেষ্মা পরিষ্কার করতে এবং কাশি নিরাময়ে সহায়তা করে। আদা চা পান বা
মধু দিয়ে কাঁচা আদা খেলে এ ধরনের সমস্যা অনেকটা কমে যায়।
হলুদ
গলা ও
বুকের অস্বস্তি কমাতে হলুদ একটি জনপ্রিয় উপাদান। ২০২৩ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে,
এর প্রদাহ-বিরোধী এবং অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণ দূষিত বাতাসের কারণে হওয়া জ্বালা
প্রশমিত করে। উষ্ণ হলুদ পানি বা হলুদ দুধ গলায় আবরিত হয়ে শুষ্কতা কমাতে সাহায্য
করে এবং তাৎক্ষণিক উষ্ণতা দেয়। হলুদ কফ কমাতে এবং বায়ুবাহিত জ্বালাপোড়ার বিরুদ্ধে
কাজ করে।
তুলসি পাতা
তুলসি
শ্বাসকষ্টের জন্য একটি ঐতিহ্যবাহী উপকারি প্রতিকার, বিশেষত শীতে। ২০২৩ সালের
গবেষণায় এর অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল, প্রদাহ-বিরোধী এবং ডিটক্সিফাইং গুণ গলা চুলকানি
ও বুকের অস্বস্তি কমাতে সাহায্য করে। তুলসি চা বা তুলসি পাতার রস মিশ্রিত পানি
শুষ্ক কফ এবং কাশি কমাতে সহায়তা করে, পাশাপাশি শ্বাস-প্রশ্বাসকে মসৃণ করে।
গোল মরিচ
গোল মরিচ
শ্লেষ্মা পরিষ্কারের জন্য উপকারী এবং শ্বাসনালীতে ভালো বায়ুপ্রবাহ নিশ্চিত করে।
স্যুপ বা উষ্ণ পানিতে মধু এবং গোল মরিচ মিশিয়ে খেলে গলায় আরাম পাওয়া যায়। এটি
রক্তসঞ্চালন উদ্দীপিত করে, ফলে দীর্ঘসময় বাইরে থাকার পর বুকের ভারীতা কমাতে
সাহায্য করে।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন