ছুটির দিনে সচরাচর
শুটিং করতে দেখা যায় না শাকিব খানকে। তবে সে নীরবতা ভেঙে আজ (২১ নভেম্বর) সকালে
রাজধানীর মতিঝিলে তিনি অংশ নিয়েছিলেন ‘সোলজার’র শুটিংয়ে।
এদিন
দিলকুশা বাণিজ্যিক এলাকার রাস্তাজুড়ে ছিল মানুষের ঢল। গাড়ির শব্দ নেই, কিন্তু
চারদিকে মানুষের গুঞ্জন, ক্যামেরার ক্লিক আর চায়ের দোকানের হাঁকডাকে এলাকাজুড়ে
তৈরি হয় এক অন্যরকম দৃশ্য।
সকাল
থেকেই সেখানে চলছিল সিনেমাটির একটি আন্দোলনের দৃশ্যের শুটিং। রঙিন প্ল্যাকার্ড,
হাতে আঁকা ব্যানার, স্লোগানের শব্দ-সব মিলিয়ে দিলকুশা যেন মুহূর্তেই বদলে যায়
‘রাজপথের আন্দোলন’-এ। পুলিশের উপস্থিতি, ব্যারিকেড, স্লোগানের তীব্রতা,
সংবাদকর্মীদের লাইভ কাভারেজ-শুটিং আর বাস্তবের পার্থক্য বোঝা কঠিন হয়ে ওঠে
পথচারীদের জন্য।
এ সময় শাকিব খান এখানে
শুটিং করছেন শুনে মুহূর্তেই ভিড় আরো বেড়ে যায়।
তাকে
এক নজর দেখতে আশপাশের এলাকা থেকে ছুটে আসেন শত শত মানুষ। ব্যারিকেডের বাইরে
দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা—শুধু তারকার দেখা পাওয়ার আশায়।
সব
কিছু ঠিকঠাক চলছিল। একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃশ্যের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন শাকিব।
ঠিক
তখনই আচমকা শুরু হয় ভূমিকম্প। প্রথমে সামান্য কম্পন, এরপর ভবনগুলো দুলে উঠতেই
শুটিং স্পটে ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক।
মানুষ
দৌড়ে নেমে আসে রাস্তায়, কেউ চিৎকার করছে, কেউ ফোনে জানাচ্ছে বাড়িতে থাকা
প্রিয়জনকে। ওই মুহূর্তে ইউনিটের সদস্যরা চারদিক ঘিরে রাখেন শাকিব খানকে, যেন কোনো
অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা না ঘটে।
কিন্তু
সেই মুহূর্তে সবচেয়ে শান্ত ছিলেন শাকিব খানই।
তিনি
আশপাশের সবাইকে বললেন, ‘আমরা তো রাস্তায় আছি। ভয় পাবেন না। কেউ আতঙ্কিত হবেন না।
সব ঠিক আছে।’
তার
এই আত্মবিশ্বাসী কণ্ঠস্বর মানুষের মনে ফেরায় স্বস্তি। কম্পন থেমে গেলে সবাই ধীরে
ধীরে স্বাভাবিক হয়ে ওঠে। কিছুক্ষণ বিশ্রাম ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের পর আবার শুরু হয়
শুটিং। একজন দর্শকের মুখে শোনা গেল—‘ভূমিকম্পেও শান্ত! রিয়েল হিরো শাকিব ভাই।’
.png)
সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫
প্রকাশের তারিখ : ২১ নভেম্বর ২০২৫
ছুটির দিনে সচরাচর
শুটিং করতে দেখা যায় না শাকিব খানকে। তবে সে নীরবতা ভেঙে আজ (২১ নভেম্বর) সকালে
রাজধানীর মতিঝিলে তিনি অংশ নিয়েছিলেন ‘সোলজার’র শুটিংয়ে।
এদিন
দিলকুশা বাণিজ্যিক এলাকার রাস্তাজুড়ে ছিল মানুষের ঢল। গাড়ির শব্দ নেই, কিন্তু
চারদিকে মানুষের গুঞ্জন, ক্যামেরার ক্লিক আর চায়ের দোকানের হাঁকডাকে এলাকাজুড়ে
তৈরি হয় এক অন্যরকম দৃশ্য।
সকাল
থেকেই সেখানে চলছিল সিনেমাটির একটি আন্দোলনের দৃশ্যের শুটিং। রঙিন প্ল্যাকার্ড,
হাতে আঁকা ব্যানার, স্লোগানের শব্দ-সব মিলিয়ে দিলকুশা যেন মুহূর্তেই বদলে যায়
‘রাজপথের আন্দোলন’-এ। পুলিশের উপস্থিতি, ব্যারিকেড, স্লোগানের তীব্রতা,
সংবাদকর্মীদের লাইভ কাভারেজ-শুটিং আর বাস্তবের পার্থক্য বোঝা কঠিন হয়ে ওঠে
পথচারীদের জন্য।
এ সময় শাকিব খান এখানে
শুটিং করছেন শুনে মুহূর্তেই ভিড় আরো বেড়ে যায়।
তাকে
এক নজর দেখতে আশপাশের এলাকা থেকে ছুটে আসেন শত শত মানুষ। ব্যারিকেডের বাইরে
দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা—শুধু তারকার দেখা পাওয়ার আশায়।
সব
কিছু ঠিকঠাক চলছিল। একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃশ্যের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন শাকিব।
ঠিক
তখনই আচমকা শুরু হয় ভূমিকম্প। প্রথমে সামান্য কম্পন, এরপর ভবনগুলো দুলে উঠতেই
শুটিং স্পটে ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক।
মানুষ
দৌড়ে নেমে আসে রাস্তায়, কেউ চিৎকার করছে, কেউ ফোনে জানাচ্ছে বাড়িতে থাকা
প্রিয়জনকে। ওই মুহূর্তে ইউনিটের সদস্যরা চারদিক ঘিরে রাখেন শাকিব খানকে, যেন কোনো
অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা না ঘটে।
কিন্তু
সেই মুহূর্তে সবচেয়ে শান্ত ছিলেন শাকিব খানই।
তিনি
আশপাশের সবাইকে বললেন, ‘আমরা তো রাস্তায় আছি। ভয় পাবেন না। কেউ আতঙ্কিত হবেন না।
সব ঠিক আছে।’
তার
এই আত্মবিশ্বাসী কণ্ঠস্বর মানুষের মনে ফেরায় স্বস্তি। কম্পন থেমে গেলে সবাই ধীরে
ধীরে স্বাভাবিক হয়ে ওঠে। কিছুক্ষণ বিশ্রাম ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের পর আবার শুরু হয়
শুটিং। একজন দর্শকের মুখে শোনা গেল—‘ভূমিকম্পেও শান্ত! রিয়েল হিরো শাকিব ভাই।’
.png)
আপনার মতামত লিখুন