২৪ ঘণ্টায় বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে ৯৪টি ভূমিকম্প শনাক্ত করেছে ভূমিকম্প মনিটরিং ওয়েবসাইট আর্থকোয়াকট্র্যাকার ডটকম। শুক্রবারের ভয়াবহ কম্পনের রেশ কাটতে না কাটতেই শনিবার রাজধানী ঢাকা ও আশপাশে ৮ ঘণ্টার ব্যবধানে আরও তিনবার মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ায় জনমনে উদ্বেগ বেড়েছে।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন—এভাবে ঘন ঘন ভূকম্পন কোনোভাবেই স্বাভাবিক নয়, বরং এটি সম্ভাব্য ঝুঁকির ইঙ্গিত।
রবিবার (২৩ নভেম্বর) দুপুরের আপডেটে আর্থকোয়াকট্র্যাকার জানায়, গত একদিনেই বিশ্বজুড়ে ৯১টি কম্পন রেকর্ড হয়েছে। আর গত সাতদিনে এই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৫২টি।
শুক্রবার বাংলাদেশে রিখটার স্কেলে ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে, যা রাজধানীসহ সারাদেশে অনুভূত হয়। আতঙ্কে অনেক মানুষ ঘর ছেড়ে বের হয়ে আসেন। কেউ কেউ ভবন থেকে লাফিয়ে পড়ায় আহত হন। এখন পর্যন্ত শিশুসহ ১০ জনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে—নরসিংদীতে পাঁচজন, ঢাকায় চারজন এবং নারায়ণগঞ্জে একজন।
শনিবার সকাল ১০টা ৩৮ মিনিট ১২ সেকেন্ডে প্রথম মৃদু কম্পনটি অনুভূত হয়, যার মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৩। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ঢাকা থেকে ২৯ কিলোমিটার দূরের নরসিংদীর পলাশে।
এরপর সন্ধ্যায় রাজধানীর বাড্ডায় টানা দুটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়। আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবির জানান, সন্ধ্যা ৬টা ৬ মিনিট ৪ সেকেন্ডে প্রথম কম্পনটির মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৭, যার উৎপত্তিস্থল ছিল বাড্ডা। মাত্র এক সেকেন্ড পর—৬টা ৬ মিনিট ৫ সেকেন্ডে আবার কম্পন হয়, যার মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৩ এবং এর উৎপত্তিস্থল ছিল নরসিংদী।
বিভিন্ন এলাকায় ভবনে ফাটল দেখা গেছে। কিছু ভবন হেলে পড়ার ঘটনা নজরে এসেছে। পরপর কম্পন হওয়ায় মানুষের ভয়ের মাত্রা আরও বেড়েছে।
.png)
সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫
প্রকাশের তারিখ : ২৪ নভেম্বর ২০২৫
২৪ ঘণ্টায় বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে ৯৪টি ভূমিকম্প শনাক্ত করেছে ভূমিকম্প মনিটরিং ওয়েবসাইট আর্থকোয়াকট্র্যাকার ডটকম। শুক্রবারের ভয়াবহ কম্পনের রেশ কাটতে না কাটতেই শনিবার রাজধানী ঢাকা ও আশপাশে ৮ ঘণ্টার ব্যবধানে আরও তিনবার মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ায় জনমনে উদ্বেগ বেড়েছে।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন—এভাবে ঘন ঘন ভূকম্পন কোনোভাবেই স্বাভাবিক নয়, বরং এটি সম্ভাব্য ঝুঁকির ইঙ্গিত।
রবিবার (২৩ নভেম্বর) দুপুরের আপডেটে আর্থকোয়াকট্র্যাকার জানায়, গত একদিনেই বিশ্বজুড়ে ৯১টি কম্পন রেকর্ড হয়েছে। আর গত সাতদিনে এই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৫২টি।
শুক্রবার বাংলাদেশে রিখটার স্কেলে ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে, যা রাজধানীসহ সারাদেশে অনুভূত হয়। আতঙ্কে অনেক মানুষ ঘর ছেড়ে বের হয়ে আসেন। কেউ কেউ ভবন থেকে লাফিয়ে পড়ায় আহত হন। এখন পর্যন্ত শিশুসহ ১০ জনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে—নরসিংদীতে পাঁচজন, ঢাকায় চারজন এবং নারায়ণগঞ্জে একজন।
শনিবার সকাল ১০টা ৩৮ মিনিট ১২ সেকেন্ডে প্রথম মৃদু কম্পনটি অনুভূত হয়, যার মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৩। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ঢাকা থেকে ২৯ কিলোমিটার দূরের নরসিংদীর পলাশে।
এরপর সন্ধ্যায় রাজধানীর বাড্ডায় টানা দুটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়। আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবির জানান, সন্ধ্যা ৬টা ৬ মিনিট ৪ সেকেন্ডে প্রথম কম্পনটির মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৭, যার উৎপত্তিস্থল ছিল বাড্ডা। মাত্র এক সেকেন্ড পর—৬টা ৬ মিনিট ৫ সেকেন্ডে আবার কম্পন হয়, যার মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৩ এবং এর উৎপত্তিস্থল ছিল নরসিংদী।
বিভিন্ন এলাকায় ভবনে ফাটল দেখা গেছে। কিছু ভবন হেলে পড়ার ঘটনা নজরে এসেছে। পরপর কম্পন হওয়ায় মানুষের ভয়ের মাত্রা আরও বেড়েছে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন