ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

দেশের তৈরি পোশাক ও বস্ত্র রপ্তানি খাত অনিশ্চয়তার কবলে:ব্যবসায়ী নেতারা


প্রকাশ : ১৭ নভেম্বর ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

দেশের তৈরি  পোশাক ও  বস্ত্র রপ্তানি খাত অনিশ্চয়তার কবলে:ব্যবসায়ী নেতারা

প্রেস রিলিজ: 


দেশের ব্যবসায়িক স্থিতিশীলতার জন্য একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য ব্যবসায়ীরা জোরালো দাবি জানান ।


দেশের তৈরি  পোশাক ও  বস্ত্র রপ্তানি খাত অনিশ্চয়তার কবলে। ব্যবসায়ীরা বলেছেন, রাজনৈতিক অস্থিরতা, ক্রেতাদের আস্থার সংকট এবং বিভ্রান্তিকর সরকারি বার্তা—সব মিলিয়ে বড় ক্রেতারা কার্যাদেশ দেওয়া থেকে সরে যাচ্ছে। রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে ক্রেতারা কার্যাদেশ দেবে না।


আজ রাজধানীর উত্তরা ক্লাবে  মতবিনিময় সভায়  পোশাক খাতে বিদ্যমান সংকট ও বিভিন্ন দাবি তুলে ধরেছেন।


বিজিএমইএ  এর সাবেক সভাপতি  কাজী মনিরুজজামান সভাপতিতে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।


বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন,


 সরকার আমাদেরকে এলডিসি গ্রাজুয়েশন চাপিয়ে দিতে চাচ্ছে। এখন আমরা প্রস্তুত না। 

বাংলাদেশের স্নাতকোত্তর পর্বে (graduation period) টেকসই প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে সহযোগিতামূলক, পূর্বাভাসযোগ্য ও স্থিতিশীল নীতিগত পরিবেশ অপরিহার্য।


এখন সরকারেকে একটা ভালো নিবাচন দিতে হবে এবং আইন স্রংখলা পরিস্থতি  ভালো করতে হবে। 


আগামী নিবাচনে উচ্চকংখে ১০ জন শিল্প মালিককে রাখতে হবে। 


আগামী সরকারের বেবসায়ীদেরকে পলিসির জায়াগায় রাখতে হবে। 


বিটিএমএ সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল বলেন, 


আমাদের পাশের  দেশ ভারত তার শিল্প মালিকদের  অনেক সুযোগ সুবিধা দিচ্ছে যা আমার শিল্পের জন্য  ভয়াবহ অবস্থা হবে। 


আমাদের দেশের সরকার আমাদের ব্যাংকগুলোকে টিকে রাখার জন্য হাজার কোটি টাকা দিয়েছে  সেই টাকা কই গেল,ব্যাংক তো আমাদের টাকা দিচ্ছে না। 


তিনি আরও বলেন আমাদের মেগা প্রজেক্টগুলো বিদেশিদের কে চেক না করে দেয়া হচ্ছে।  অথচ আমরা বেবসায়ীরা কোন সহযোগিতা পাই না। 

বিটিএমএ সভাপতি বলেন,

আমাদের করপোরেট টেক্স বাড়িয়ে দিয়েছে। 


বিজিবিএ সভাপতি মোহাম্মদ পাভেল বলেন, 

পোশাক খাতের সংকটের শেষ নেই, নিরাপত্তা, পলিসি সংকট। এই সংকট সমাধান এর জন্য সবাই মিলে রোড মাপ করতে হবে। আমলারা রোড মাপ  করলে হবে না।  সংকট সমাধান এর জন্য আগামী নিবাচেন সরকারে পোশাক খাতের প্রতিনিধিত দরকার। 

তিনি আরও বলেন বায়াররা অডার দেওয়া নিয়ে কোন নিরাপত্তা বাংলাদেশে একমুহূর্তে পাচ্ছে না। 


বিজিএমইএ সহ সভাপতি মিজানুর রহমান চট্টগ্রাম পোটের দুর অবস্থা এবং এয়ারপোর্টের আগুন নিয়ে পোশাক খাতের সবাই   খতিগ্রস্ত। 


বিকেএমইএ পরিচালক খেলায়েত হোসেন সরকার এর কাছে নীতিগত সহায়তা দাবী করেন। 


সংবাদ সম্মেলনে  উপস্থপনা করেন শোভন ইসলাম , বাবস্থাপনা পরিচালক,  স্পারো গ্রুপ। 

শোভন ইসলাম বলেন, "গত চার মাস ধরে অর্ডার কমছে। অথচ সরকারের কোনো নীতিগত সহায়তা পাইনি।"


তিনি উল্লেখ করেন, "বর্তমান পরিস্থিতি কোভিড সময়ের চেয়েও খারাপ। অনেক কারখানা ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হয়ে ক্লাসিফায়েড হয়ে যাচ্ছে।"


২০ জন শ্রমিক দিয়ে ট্রেড ইউনিয়ন গঠনের সুযোগ সংক্রান্ত সরকারের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে তিনি বলেন, "এটি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের জন্য বড় ধরনের বিপর্যয় বয়ে আনবে।"


বহির্বিশ্ব থেকে তারা ভাববে—যে দেশে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পুড়ে যায়, সেখানে অর্ডার দেওয়া নিরাপদ নয়। আমাদের কারখানা পুড়ছে, ঘরবাড়ি পুড়ছে, এখন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরও পুড়েছে। দৃশ্যমান ক্ষতির চেয়ে অদৃশ্য ক্ষতি আরও বেশি, যা খালি চোখে দেখা যাবে না।"


তিনি আরও বলেন, "ব্যবসা বন্ধ হচ্ছে, ব্যাংক বন্ধ হচ্ছে—আপনারা নির্বাচন দিয়ে আমাদের মুক্তি দিন, আমরা শান্তিতে ব্যবসা-বাণিজ্য করতে চাই।"

শোভন ইসলাম সকলের বেবসায়ীদের সামনে রেখে দাবী করেন, 

আগামীতে বিজিএমইএ সভাপতি কে মন্ত্রী হিসেবে পদমর্যাদা দিতে হবে। 


বিজিএপিএমই সভাপতি আল শাহরিয়ার  আহমেদ 

এয়ারপোর্টে আগুনে একসপসসোরিস খাত অনেক লোকসান হয়েছে। 

আগামী নিবাচনে তৈরি পোশাক খাতের  সংসদ সদস্য হিসেবে দরকার। 


মতবিনিময় সভায় মূল বিষয়সমূহ

কারখানা বন্ধ ও শ্রমিক কর্মহীনতা: সরকার-নির্ধারিত মানদণ্ড (নন-কমপ্লায়েন্স) অনুসরণ করতে না পারায় গত এক বছরে ২৫৮টি পোশাক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে এবং এর ফলে এক লাখের বেশি শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েছেন।

শ্রমিক সংগঠন সংক্রান্ত উদ্বেগ: সংগঠন করা যাবে এমন শ্রমিকের সংখ্যা ২০ জনে নামিয়ে আনলে শিল্প অস্থিতিশীল হতে পারে বলে ব্যবসায়ীরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তারা চান, বাইরে থেকে কেউ যাতে শ্রমিক সংগঠন করার সুযোগ না পায়।

প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা: চট্টগ্রাম বন্দরের সেবার বিপরীতে মাশুল বৃদ্ধি দেশের রপ্তানিমুখী শিল্প খাতে নতুন চাপ সৃষ্টি করবে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা কমিয়ে দেবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ব্যবসায়িক আস্থার পরিবেশ: আর্থিক খাতে নাজুক পরিস্থিতি এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে আস্থার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে বিনিয়োগবান্ধব নীতি ও প্রশাসনিক সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরা হয়েছে।

নীতিগত সহায়তার আহ্বান: স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের (LDC) জন্য স্থিতিশীল নীতিগত সহায়তা চেয়েছেন পোশাক খাতের প্রতিনিধিরা।

শ্রম অধিকার লঙ্ঘন: শ্রম অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্তে নতুন পদ্ধতি চালু হওয়ায় ক্রেতাদের মাধ্যমে ক্রয়াদেশ বাতিল হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

নেতৃবৃন্দের বক্তব্য আরো একটি বিষয় স্পষ্ট ভাবে উচ্চারিত হয়েছে। বিশিষ্ট তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক কফিল উদ্দিন-কে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা -১৮ সংসদীয় আসনে বিএনপি দলীয় প্রার্থী হিসেবে দেখতে চান।

তার মতো তরুণ শিল্প উদ্যোক্তা জাতীয় সংসদ উপস্থিতি রপ্তানিমুখি তৈরি পোশাক খাতের জন্য সহায়ক হবে। 

বক্তব্য বিজিএমইএ সাবেক সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, বতমান সরকারকে আগামীতে একটা সুন্দর নিবাচন এর আয়োজন করতে হবে।  নিবাচিত সরকার হলে বায়াররা অডার বাড়াবে। 

বিজিএমইএ সাবেক সভাপতি  কাজী মনিরুজজামান, ফারুক হাসান, রফিকুল ইসলাম, বিজিএমইএ মেম্বার, কফিল উদ্দিন,  চৈতী গ্রুপ এর বাবস্থাপনা পরিচালক  আবুল কালাম,  উত্তরা ক্লাব সভাপতি ফয়সাল তাহের উপস্তিত ছিলেন।  মতবিনিময় সভায় সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামান বলেন,ব্যবসায়িক ক্ষতির প্রভাব থেকে উত্তরণে সরকারের আন্তরিকতার বিকল্প নেই। নির্বাচিত রাজনৈতিক দলের সরকার ছাড়া ব্যবসা-বান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করাঅসম্ভব।”মতবিনিময়সভায়,বিজিএমইএ,বিজিবিএ  বিকেএমইএসহ বিভিন্ন উৎপাদন ও রপ্তানিমুখী সেক্টরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন এবং সকলেই শিল্পখাতে সংকট নিরসনে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।



আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫


দেশের তৈরি পোশাক ও বস্ত্র রপ্তানি খাত অনিশ্চয়তার কবলে:ব্যবসায়ী নেতারা

প্রকাশের তারিখ : ১৭ নভেম্বর ২০২৫

featured Image

প্রেস রিলিজ: 


দেশের ব্যবসায়িক স্থিতিশীলতার জন্য একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য ব্যবসায়ীরা জোরালো দাবি জানান ।


দেশের তৈরি  পোশাক ও  বস্ত্র রপ্তানি খাত অনিশ্চয়তার কবলে। ব্যবসায়ীরা বলেছেন, রাজনৈতিক অস্থিরতা, ক্রেতাদের আস্থার সংকট এবং বিভ্রান্তিকর সরকারি বার্তা—সব মিলিয়ে বড় ক্রেতারা কার্যাদেশ দেওয়া থেকে সরে যাচ্ছে। রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে ক্রেতারা কার্যাদেশ দেবে না।


আজ রাজধানীর উত্তরা ক্লাবে  মতবিনিময় সভায়  পোশাক খাতে বিদ্যমান সংকট ও বিভিন্ন দাবি তুলে ধরেছেন।


বিজিএমইএ  এর সাবেক সভাপতি  কাজী মনিরুজজামান সভাপতিতে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।


বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন,


 সরকার আমাদেরকে এলডিসি গ্রাজুয়েশন চাপিয়ে দিতে চাচ্ছে। এখন আমরা প্রস্তুত না। 

বাংলাদেশের স্নাতকোত্তর পর্বে (graduation period) টেকসই প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে সহযোগিতামূলক, পূর্বাভাসযোগ্য ও স্থিতিশীল নীতিগত পরিবেশ অপরিহার্য।


এখন সরকারেকে একটা ভালো নিবাচন দিতে হবে এবং আইন স্রংখলা পরিস্থতি  ভালো করতে হবে। 


আগামী নিবাচনে উচ্চকংখে ১০ জন শিল্প মালিককে রাখতে হবে। 


আগামী সরকারের বেবসায়ীদেরকে পলিসির জায়াগায় রাখতে হবে। 


বিটিএমএ সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল বলেন, 


আমাদের পাশের  দেশ ভারত তার শিল্প মালিকদের  অনেক সুযোগ সুবিধা দিচ্ছে যা আমার শিল্পের জন্য  ভয়াবহ অবস্থা হবে। 


আমাদের দেশের সরকার আমাদের ব্যাংকগুলোকে টিকে রাখার জন্য হাজার কোটি টাকা দিয়েছে  সেই টাকা কই গেল,ব্যাংক তো আমাদের টাকা দিচ্ছে না। 


তিনি আরও বলেন আমাদের মেগা প্রজেক্টগুলো বিদেশিদের কে চেক না করে দেয়া হচ্ছে।  অথচ আমরা বেবসায়ীরা কোন সহযোগিতা পাই না। 

বিটিএমএ সভাপতি বলেন,

আমাদের করপোরেট টেক্স বাড়িয়ে দিয়েছে। 


বিজিবিএ সভাপতি মোহাম্মদ পাভেল বলেন, 

পোশাক খাতের সংকটের শেষ নেই, নিরাপত্তা, পলিসি সংকট। এই সংকট সমাধান এর জন্য সবাই মিলে রোড মাপ করতে হবে। আমলারা রোড মাপ  করলে হবে না।  সংকট সমাধান এর জন্য আগামী নিবাচেন সরকারে পোশাক খাতের প্রতিনিধিত দরকার। 

তিনি আরও বলেন বায়াররা অডার দেওয়া নিয়ে কোন নিরাপত্তা বাংলাদেশে একমুহূর্তে পাচ্ছে না। 


বিজিএমইএ সহ সভাপতি মিজানুর রহমান চট্টগ্রাম পোটের দুর অবস্থা এবং এয়ারপোর্টের আগুন নিয়ে পোশাক খাতের সবাই   খতিগ্রস্ত। 


বিকেএমইএ পরিচালক খেলায়েত হোসেন সরকার এর কাছে নীতিগত সহায়তা দাবী করেন। 


সংবাদ সম্মেলনে  উপস্থপনা করেন শোভন ইসলাম , বাবস্থাপনা পরিচালক,  স্পারো গ্রুপ। 

শোভন ইসলাম বলেন, "গত চার মাস ধরে অর্ডার কমছে। অথচ সরকারের কোনো নীতিগত সহায়তা পাইনি।"


তিনি উল্লেখ করেন, "বর্তমান পরিস্থিতি কোভিড সময়ের চেয়েও খারাপ। অনেক কারখানা ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হয়ে ক্লাসিফায়েড হয়ে যাচ্ছে।"


২০ জন শ্রমিক দিয়ে ট্রেড ইউনিয়ন গঠনের সুযোগ সংক্রান্ত সরকারের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে তিনি বলেন, "এটি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের জন্য বড় ধরনের বিপর্যয় বয়ে আনবে।"


বহির্বিশ্ব থেকে তারা ভাববে—যে দেশে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পুড়ে যায়, সেখানে অর্ডার দেওয়া নিরাপদ নয়। আমাদের কারখানা পুড়ছে, ঘরবাড়ি পুড়ছে, এখন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরও পুড়েছে। দৃশ্যমান ক্ষতির চেয়ে অদৃশ্য ক্ষতি আরও বেশি, যা খালি চোখে দেখা যাবে না।"


তিনি আরও বলেন, "ব্যবসা বন্ধ হচ্ছে, ব্যাংক বন্ধ হচ্ছে—আপনারা নির্বাচন দিয়ে আমাদের মুক্তি দিন, আমরা শান্তিতে ব্যবসা-বাণিজ্য করতে চাই।"

শোভন ইসলাম সকলের বেবসায়ীদের সামনে রেখে দাবী করেন, 

আগামীতে বিজিএমইএ সভাপতি কে মন্ত্রী হিসেবে পদমর্যাদা দিতে হবে। 


বিজিএপিএমই সভাপতি আল শাহরিয়ার  আহমেদ 

এয়ারপোর্টে আগুনে একসপসসোরিস খাত অনেক লোকসান হয়েছে। 

আগামী নিবাচনে তৈরি পোশাক খাতের  সংসদ সদস্য হিসেবে দরকার। 


মতবিনিময় সভায় মূল বিষয়সমূহ

কারখানা বন্ধ ও শ্রমিক কর্মহীনতা: সরকার-নির্ধারিত মানদণ্ড (নন-কমপ্লায়েন্স) অনুসরণ করতে না পারায় গত এক বছরে ২৫৮টি পোশাক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে এবং এর ফলে এক লাখের বেশি শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েছেন।

শ্রমিক সংগঠন সংক্রান্ত উদ্বেগ: সংগঠন করা যাবে এমন শ্রমিকের সংখ্যা ২০ জনে নামিয়ে আনলে শিল্প অস্থিতিশীল হতে পারে বলে ব্যবসায়ীরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তারা চান, বাইরে থেকে কেউ যাতে শ্রমিক সংগঠন করার সুযোগ না পায়।

প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা: চট্টগ্রাম বন্দরের সেবার বিপরীতে মাশুল বৃদ্ধি দেশের রপ্তানিমুখী শিল্প খাতে নতুন চাপ সৃষ্টি করবে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা কমিয়ে দেবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ব্যবসায়িক আস্থার পরিবেশ: আর্থিক খাতে নাজুক পরিস্থিতি এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে আস্থার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে বিনিয়োগবান্ধব নীতি ও প্রশাসনিক সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরা হয়েছে।

নীতিগত সহায়তার আহ্বান: স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের (LDC) জন্য স্থিতিশীল নীতিগত সহায়তা চেয়েছেন পোশাক খাতের প্রতিনিধিরা।

শ্রম অধিকার লঙ্ঘন: শ্রম অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্তে নতুন পদ্ধতি চালু হওয়ায় ক্রেতাদের মাধ্যমে ক্রয়াদেশ বাতিল হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

নেতৃবৃন্দের বক্তব্য আরো একটি বিষয় স্পষ্ট ভাবে উচ্চারিত হয়েছে। বিশিষ্ট তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক কফিল উদ্দিন-কে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা -১৮ সংসদীয় আসনে বিএনপি দলীয় প্রার্থী হিসেবে দেখতে চান।

তার মতো তরুণ শিল্প উদ্যোক্তা জাতীয় সংসদ উপস্থিতি রপ্তানিমুখি তৈরি পোশাক খাতের জন্য সহায়ক হবে। 

বক্তব্য বিজিএমইএ সাবেক সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, বতমান সরকারকে আগামীতে একটা সুন্দর নিবাচন এর আয়োজন করতে হবে।  নিবাচিত সরকার হলে বায়াররা অডার বাড়াবে। 

বিজিএমইএ সাবেক সভাপতি  কাজী মনিরুজজামান, ফারুক হাসান, রফিকুল ইসলাম, বিজিএমইএ মেম্বার, কফিল উদ্দিন,  চৈতী গ্রুপ এর বাবস্থাপনা পরিচালক  আবুল কালাম,  উত্তরা ক্লাব সভাপতি ফয়সাল তাহের উপস্তিত ছিলেন।  মতবিনিময় সভায় সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামান বলেন,ব্যবসায়িক ক্ষতির প্রভাব থেকে উত্তরণে সরকারের আন্তরিকতার বিকল্প নেই। নির্বাচিত রাজনৈতিক দলের সরকার ছাড়া ব্যবসা-বান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করাঅসম্ভব।”মতবিনিময়সভায়,বিজিএমইএ,বিজিবিএ  বিকেএমইএসহ বিভিন্ন উৎপাদন ও রপ্তানিমুখী সেক্টরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন এবং সকলেই শিল্পখাতে সংকট নিরসনে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।




ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৫ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত