গুমের বিচারের দৃষ্টি অন্যদিকে সরানোর চেষ্টা : চিফ প্রসিকিউটর
অতিরঞ্চিত করে গুমের বিচারের দৃষ্টি অন্যদিকে সরানোর চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। আজ বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরে ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে তিনি এ মন্তব্য করেন।র্যাবের টাস্কফোর্স ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেলে গুম-নির্যাতনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গত ২৩ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের পর সময় চাওয়া নিয়ে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম ও আসামি পক্ষের আইনজীবী তাবারক হোসেন ভুইয়ার মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়। এক পর্যায়ে চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাদের প্রতি উষ্মা প্রকাশ করেন ট্রাইবুনাল।এ নিয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে চিফ প্রসিকিউটর সাংবাদিকদের বলেন,
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনারস অ্যান্ড বার কাউন্সিল অর্ডার-১৯৭২-এর আর্টিকেল ২৬-এ
পরিষ্কারভাবে বলা আছে, চিফ প্রসিকিউটর অ্যাটর্নি জেনারেলের পদ ধারণ করেন। তাকে সেই
পদমর্যাদা দেওয়া হয়েছে। অ্যাটর্নি জেনারেল যখন কোনো আদালতে শুনানির জন্য দাঁড়াবেন,
তখন কোনো আইনজীবী আর দাঁড়াতে পারবেন না। অর্থাৎ আমি যখন কোর্টে যুক্তিতর্কের জন্য দাঁড়াবো
সেখানে অন্য পক্ষের যতো আইনজীবী থাকুক- সিনিয়র বা জুনিয়র হোক; আমি দাঁড়ানো থাকা অবস্থায়
কোনো আইনজীবী কথা বলতে পারবেন না। এটাই হচ্ছে আইন। আমি বসে গেলে তখন তারা তাদের আর্গুমেন্ট বা যুক্তিতর্ক করতে পারবেন।
কিন্তু তারা সেই ডিসেন্সিটা (শিষ্টাচার) রক্ষা করেননি। উল্টো গণমাধ্যমের সামনে অভিযোগ
করেছেন তিনি সিনিয়র আইনজীবী। তাকে মর্যাদা দেওয়া হয়নি। এটা হচ্ছে এক ধরনের হাইপ তৈরি করে এ বিচারের দৃষ্টি অন্যদিকে সরানোর চেষ্টা চালানো।
এমএইছ / ধ্রুব্কণ্ঠ