প্রিন্ট এর তারিখ : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
৩০ দিনে নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব না দিলেই ৭ বছরের কারাদণ্ডা
ধ্রুবকন্ঠ ডেক্স ||
আসন্ন
ত্রয়োদশ জাতীয়
সংসদ নির্বাচনের
ফলাফল গেজেট
আকারে প্রকাশের
৩০ দিনের
মধ্যে সকল
প্রতিদ্বন্দ্বী
প্রার্থীকে
নির্বাচনি ব্যয়ের
হিসাব রিটার্নিং
কর্মকর্তার
কাছে দিতে
হবে। হিসাব
দাখিলে কোনো
নিয়ম ভাঙলে হতে
পারে সাত
বছরের জেল।আজ সোমবার
(৯ ফেব্রুয়ারি)
এ সংক্রান্ত
পরিপত্র জারি
করেছে নির্বাচন
কমিশন।এতে
বলা হয়েছে,
গণপ্রতিনিধিত্ব
আদেশ, ১৯৭২
এর অনুচ্ছেদ
৪৪গ এর
দফা (১)
অনুসারে নির্বাচিত
প্রার্থীর নাম
সরকারি গেজেটে
প্রকাশিত হওয়ার
পর হতে
৩০ (ত্রিশ)
দিনের মধ্যে
প্রার্থীর নির্বাচনি
এজেন্টকে (যিনি
নির্বাচনি এজেন্ট
নিয়োগ করেননি,
তিনি নিজেই
তার নির্বাচনি
এজেন্ট হিসেবে
গণ্য হবেন)
ফরম-২২
এ এফিডেভিটসহ
সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং
অফিসারের নিকট
নির্বাচনি ব্যয়ের
খরচের বিবরণ জমা
করতে হবে।রিটার্নের সংগে নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা, ২০০৮ এর ৩১ বিধি অনুযায়ী প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীগণকে ফরম-২২ক (যে ক্ষেত্রে প্রার্থী স্বয়ং তার নির্বাচনি এজেন্ট সে ক্ষেত্রে প্রার্থীর হলফনামা), ফরম-২২খ (নির্বাচনি এজেন্ট নিয়োগ করা হলে প্রার্থীর হলফনামা), ফরম-২২গ (নির্বাচনি এজেন্টের হলফনামা) এর নমুনায় হলফনামা দাখিল করতে হয়। প্রার্থী/নির্বাচনি এজেন্টকে রিটার্নিং অফিসারের নিকট দাখিলকৃত রিটার্ন ও এফিডেভিটের অনুলিপি রেজিস্টার্ড ডাকযোগে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়েও পাঠাতে হবে।এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, সকল প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে অর্থাৎ নির্বাচনে বিজয়ী/পরাজিত সকল প্রার্থীকে নির্বাচনি ব্যয়ের রিটার্ন দাখিল করতে হবে। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ১৯(১) অনুসারে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত প্রার্থীদের ক্ষেত্রেও নির্বাচনি ব্যয়ের রিটার্ন অবশ্যই দাখিল করতে হবে। এমনকি কোসো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর নির্বাচনে কোনো ব্যয় না হলেও তা নির্ধারিত ফরমে উল্লেখপূর্বক রিটার্ন দাখিল করতে হবে।পরিপত্রে
আরও বলা হয়েছে, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৪৪গ অনুযায়ী কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নির্বাচনি ব্যয়ের রিটার্ন (ফরম-২২) যথাযথভাবে দাখিল না করলে অথবা এ সংক্রান্ত কোনো নির্দেশনা
না মানলে করলে অনুচ্ছেদ
৭৪ অনুযায়ী তিনি শাস্তিযোগ্য অপরাধে অপরাধী হবেন। অনুচ্ছেদ ৭৪ অনুসারে উক্ত অপরাধের জন্য অনধিক ৭ বৎসর এবং অন্যূন ২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থ দণ্ডে ও দণ্ডিত হবে।যদি
কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী উক্ত বিধান লঙ্ঘন করেন তাহলে তার বিরুদ্ধে রিটার্নিং অফিসার আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। যেক্ষেত্রে নির্বাচনের বিরুদ্ধে নির্বাচনি মামলা দায়ের করা হয়নি, সেক্ষেত্রে অপরাধ সংঘটিত হওয়ার দিন হতে ৬ মাসের মধ্যে দোষী ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে হবে এবং যেক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগে মামলা বিচারাধীন থাকে ও হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত মামলা সম্পর্কে কোন আদেশ দান করেন সেক্ষেত্রে আদেশ দানের তিন মাসের মধ্যে রিটার্নিং অফিসারকে উপযুক্ত আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে। মামলা দায়েরের জন্য নির্বাচন কমিশনের পূর্বানুমতির প্রয়োজন নেই।
পরিপত্রে
আরও বলা হয়েছে, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর ৪৪ঘ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে নির্বাচনি ব্যয় নির্বাহের জন্য সম্ভাব্য তহবিলের উৎসের বিবরণী, নির্বাচনি ব্যয়ের রিটার্ন ও এ সংক্রান্ত অন্যান্য বিবরণী এবং দলিল দস্তাবেজ রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক তার অফিসে বা সুবিধাজনক অন্য কোনো স্থানে এক বৎসর পর্যন্ত সংরক্ষণ করবেন।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত