প্রিন্ট এর তারিখ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জানুয়ারি ২০২৬
শীতকালে যে কারণে চুল রুক্ষ হয় ও সমাধানা
ধ্রুবকন্ঠ ডেক্স ||
শীতকাল আসলেই তাপমাত্রা কমে যাওয়ার পাশাপাশি বাতাসে আর্দ্রতাও হ্রাস পায়। এর প্রভাব চুলে সরাসরি পড়ে। ফলে চুল হয়ে ওঠে শুষ্ক, রুক্ষ ও সহজেই ভেঙে যাওয়ার মতো। তবে শীতকালে চুলের সমস্যা হওয়ার পেছনে শুধু আবহাওয়া নয়, আমাদের কিছু ভুল অভ্যাসও এর বড় কারণ। ঋতু বদলালেও অনেকেই চুলের যত্নে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনেন না। আর সেখান থেকেই শুরু হয় নানা সমস্যা। শীতে চুলের যত্নে যেসব সাধারণ ভুল আমরা প্রায়ই করি, সেগুলো এড়িয়ে চললেই চুল থাকবে উজ্জ্বল ও স্বাস্থ্যবান।কন্ডিশনার ব্যবহার না করা
অনেকে চুল ভারী হয়ে যাবে ভেবে কন্ডিশনার এড়িয়ে চলেন।কিন্তু শীতে চুলের আর্দ্রতা ধরে রাখতে কন্ডিশনার অত্যন্ত জরুরি। এটি ব্যবহার না করলে চুল ফ্রিজি ও ভাঙা হতে পারে।অতিরিক্ত চুল ধোয়া
শীতকালে মাথার ত্বক এমনিতেই শুষ্ক থাকে।বারবার শ্যাম্পু করলে চুলের প্রাকৃতিক তেল নষ্ট হয়ে যায়। এতে চুল আরো রুক্ষ হয় এবং আগা ফাটা বাড়ে। এ সময় সপ্তাহে দুইবার চুল ধোয়াই যথেষ্ট।ভেজা চুলে বাইরে বের হওয়া
ঠাণ্ডা বাতাসে ভেজা চুল দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে চুলের বাইরের স্তর শক্ত হয়ে যায় এবং সহজেই ভেঙে পড়ে। তাই বাইরে যাওয়ার আগে চুল ভালোভাবে শুকিয়ে নেওয়া জরুরি।স্ক্যাল্পের যত্নে অবহেলা
শীতে অনেকের মাথার ত্বকে খুশকি বা চুলকানি দেখা দেয়। কিন্তু এসব সমস্যাকে অবহেলা করলে চুলের গোড়া দুর্বল হয়ে পড়ে। স্ক্যাল্প সুস্থ না থাকলে চুলের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়।উলের কাপড়ের সঙ্গে টাইট হেয়ারস্টাইল
শীতকালে স্কার্ফ,
ক্যাপ বা সোয়েটারের সঙ্গে টাইট খোঁপা বা পনিটেল করলে চুলে ঘর্ষণ বাড়ে। এতে বিশেষ করে কপাল ও ঘাড়ের পাশের চুল ভেঙে যেতে পারে।অতিরিক্ত হিট স্টাইলিং
শীতের শুষ্ক আবহাওয়ায় চুল আগে থেকেই দুর্বল থাকে। এর ওপর স্ট্রেটনার, কার্লার বা ব্লো ড্রায়ারের অতিরিক্ত তাপ চুলকে আরো নিস্তেজ করে তোলে।তেল বা ডিপ কন্ডিশনিং বাদ দেওয়া
অনেকে শীতে চুলে তেল দেওয়া বন্ধ করে দেন। অথচ এই সময়েই চুলের পুষ্টি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। নিয়মিত তেল বা হেয়ার মাস্ক ব্যবহার করলে চুল নরম ও শক্ত থাকে।ঋতু অনুযায়ী প্রডাক্ট না বদলানো
গরমকালের হালকা শ্যাম্পু বা স্টাইলিং প্রোডাক্ট শীতে তেমন কার্যকর নয়। শীতে ময়েশ্চারাইজিং শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহার করলে চুল ভালো থাকে।সূত্র
: এই সময়
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত