প্রিন্ট এর তারিখ : ০৯ মে ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জানুয়ারি ২০২৬
বিশ্বকাপ বয়কটের ডাক দিলেন সাবেক ফিফা সভাপতিা
ধ্রুবকন্ঠ ডেক্স ||
আগামী জুনে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপ বয়কটের ডাক দিয়েছে সাবেক ফিফা সভাপতি সেপ ব্লাটার। জার্মানি ও নেদারল্যান্ডসের পর এবার ‘গ্রেটেস্ট শো অর্ন আর্থের’ ২৩তম সংস্করণ বয়কটের আলোচনা আরও জোরালো হলো। সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর প্রশাসনের সঙ্গে ইউরোপের সম্পর্ক অবনতির কারণেই এই বয়কটের আহ্বান জানানো হয়েছে বলে উল্লেখ করেন সাবেক ফিফা সভাপতি।এর আগে জার্মানির এক রাজনীতিবিদ ও ইংলিশ গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব পিয়ার্স মরগান বিশ্বকাপ বয়কটের ডাক দেন। তারপর এই তালিকায় যুক্ত হন নেদারল্যান্ডের সুপরিচিত টেলিভিশন প্রডিউসার টিউন ফন দ্য কেউকেন। বিশ্বকাপ থেকে ডাচ ফুটবল দলকে নাম প্রত্যাহারের আহ্বান করেছেন। এবার স্বাগতিক দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র উপযুক্ত কি না—তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা আন্তর্জাতিক ফুটবল অঙ্গনের সর্বশেষ ব্যক্তিত্ব হলেন ব্লাটার। অপরাধ বিশেষজ্ঞ ও দুর্নীতিবিরোধী আইনজীবী মার্ক পিয়েথ এক দশক আগে ফিফার সংস্কার কার্যক্রম তদারকিতে গঠিত স্বাধীন গভর্ন্যান্স কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন। সাক্ষাৎকারে পিয়েথ বলেন, ‘আমরা যা কিছু আলোচনা করেছি, তা বিবেচনায় নিলে সমর্থকদের জন্য একটাই পরামর্শ—যুক্তরাষ্ট্রে যাবেন না। টিভিতে দেখলেই বরং ভালোভাবে উপভোগ করা যাবে। আর যারা সেখানে যাবেন, তাদের ধরে নিতে হবে—কর্তৃপক্ষের মনঃপূত না হলে সরাসরি পরের ফ্লাইটেই দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হতে পারে। যদি ভাগ্য ভালো থাকে।’যুক্তরাষ্ট্রকে নিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবল মহলের উদ্বেগের পেছনে রয়েছে—গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ট্রাম্পের সম্প্রসারণবাদী অবস্থান, ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা, এবং অভিবাসন ও অভিবাসনবিরোধী বিক্ষোভ দমনে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে, বিশেষ করে মিনিয়াপোলিসে, কড়া আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা গ্রহণ।দুই সপ্তাহ আগে আফ্রিকার দুই শীর্ষ ফুটবল দেশের সমর্থকদের ভ্রমণ পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। ট্রাম্প প্রশাসনের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার ফলে সেনেগাল ও আইভরি কোস্টের মানুষদের কার্যত যুক্তরাষ্ট্রে ঢোকা বন্ধ হয়ে যায়—যদি না তাঁদের আগেই ভিসা থাকে। এই নিষেধাজ্ঞার মূল কারণ হিসেবে ট্রাম্প ‘স্ক্রিনিং ও যাচাই-বাছাইয়ের ঘাটতি’-র কথা উল্লেখ করেন।এছাড়া, বিশ্বকাপে যোগ্যতা অর্জন করা আরও দুই দেশ ইরান ও হাইতির সমর্থকরাও যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সুযোগ পাবেন না। ট্রাম্প প্রশাসনের ঘোষিত প্রথম দফার ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার তালিকায় এই দুই দেশও অন্তর্ভুক্ত ছিল। এমএইছ/ধ্রুবকন্ঠ
কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত