প্রিন্ট এর তারিখ : ২৯ মার্চ ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জানুয়ারি ২০২৬
গোপনে চলত ঘোড়া জবাই, হাতেনাতে ধরল পুলিশা
ধ্রুবকন্ঠ ডেক্স ||
গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের মাসক গ্ৰামের যুবলীগ নেতার বাড়ি থেকে ১১টি জীবিত ঘোরা ও ৮টি জবাই করা ঘোড়া মাংস উদ্ধার করা হয়েছে। উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম দীর্ঘদিন ধরে এই ঘোড়ার মাংসের ব্যবসা করতেন বলে জানায় এলাকাবাসী। জাহাঙ্গীর আলম উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের মৃত. আলাউদ্দিনের ছেলে ও উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক।স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) দিবাগত রাত দশটার দিকে জাহাঙ্গীরের বাড়িতে লোকজনের আনাগোনা শুরু হয়। স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে একজোট হয়ে জাহাঙ্গীরের বাড়িতে আসতে থাকে। ঘোড়াগুলি জবাই করা ব্যক্তিরা পরিস্থিতি টেরপেয়ে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা একটি পিকআপ ঢাকা মেট্রো-ন-১১-৩৬৬৫ ভাঙচুর করে এবং আরেকটি কাবারব্যান্ড ঢাকা মেট্রো- ন-১৭-১৭৬৫ আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে পুলিশকে জানালে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।জানা যায়, জাহাঙ্গীর আওয়ামী লীগ আমলে অনেক অপকর্ম করেছে। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর সে দীর্ঘদিন এলাকায় আত্ম গোপনে ছিল। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের ছত্রছায়ায় এলাকায় ফিরে আসে। এসে সে এই ব্যবসার দীর্ঘদিন ধরে চালিয়ে যাচ্ছে। সে গরুর খামারের নামের আড়ালে ঘোড়ার মাংসের ব্যবসা শুরু করে। নির্জন এলাকাতে বাড়ি হওয়াতে তার বাড়িতে সাধারণ মানুষের যাতায়াত কম থাকায় সেই সুযোগ নিয়ে ঘোড়ার মাংসের ব্যবসা শুরু করে।গাজীপুরের সহকারী কমিশনার স্থানীয় সরকার শাখা ও ট্রেজারি শাখা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আচরণবিধির দায়িত্বে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ ফয়সাল জানান, অভিযান পরিচালনা সময় জবাই করা ৮টি ঘোড়ার মাংস মাটি চাপা দিয়ে রাখা হয়। জীবিত ১১টি ঘোড়া উদ্ধার করে স্থানীয় চেয়ারম্যানের জিম্মায় রাখা হয়েছে। একটি কাবার ব্যান্ড ও একটি পিকআপ পুলিশের জিম্মায় দেয়া হয়েছে।
এমএইছ/ধ্রুবকন্ঠ
কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত