প্রিন্ট এর তারিখ : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জানুয়ারি ২০২৬
ছুটির দিনে বাণিজ্য মেলায় জনস্রোত, জমজমাট বেচাকেনাা
ধ্রুবকন্ঠ ডেক্স ||
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে অনুষ্ঠিত ৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় দর্শনার্থী ও ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। মেলার শেষের দিকে আসায় অনেক স্টলে বিশেষ ছাড় দেওয়ায় বেচাকেনাও হচ্ছে জমজমাট।গত ৩ জানুয়ারি পূর্বাচলের বাংলাদেশ–চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর
(ইপিবি)
যৌথ উদ্যোগে মেলার উদ্বোধন হয়। মেলা চলবে আগামী ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত।আজ শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সাপ্তাহিক ছুটির দিনে সকাল থেকেই দর্শনার্থীরা মেলায় আসতে শুরু করেন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভিড় বাড়তে থাকে। বিকেলে পুরো মেলা প্রাঙ্গণ জনসমুদ্রে পরিণত হয়।মেলায় গাড়ির চাপ বেড়ে যাওয়ায় পার্কিং নিয়ে ভোগান্তির সৃষ্টি হয়। নির্ধারিত পার্কিং এলাকায় জায়গা না পেয়ে অনেক গাড়ি সড়কে কিংবা আশপাশের অস্থায়ী পার্কিংয়ে রাখতে হয়। এ ক্ষেত্রে গাড়িপ্রতি ১০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত আদায়ের অভিযোগ করেছেন দর্শনার্থীরা।মেলা ঘুরে দেখা গেছে,
বিভিন্ন স্টলে ক্রেতাদের ভিড় লেগেই আছে। ঘরসজ্জার পণ্য,
ফার্নিচার, ইলেকট্রনিক্স, পোশাক,
জুতা,
কসমেটিকস ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পাশাপাশি মোটরসাইকেল ও স্কুটিসহ নানা ধরনের পণ্য বিক্রি হচ্ছে। ছাড়ের কারণে কাঙ্ক্ষিত বেচাকেনা হওয়ায় সন্তুষ্ট ব্যবসায়ীরা।শিশুদের জন্য আলাদা বিনোদন কেন্দ্রও রয়েছে। সেখানে প্যাডেল বোট,
নাগরদোলা, ট্রেন, নৌকা ও বিভিন্ন রাইডে শিশুদের আনন্দ করতে দেখা গেছে। খাবারের স্টলগুলোতেও ছিল ভিড়। হাজী বিরিয়ানি, তুর্কি রেস্টুরেন্টসহ নানা খাবারের দোকানে ভোজনপ্রেমীদের উপস্থিতি চোখে পড়েছে।নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে। পুলিশ,
আনসার ও র্যাবের পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট মোতায়েন রয়েছে। দর্শনার্থীদের ব্যাগ তল্লাশি করে মেলায় প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে। মেলায় আসা একাধিক দর্শনার্থী জানান,
কাঞ্চন সেতুর উভয় পাশে সড়ক সংস্কারকাজ চলায় যানজট ও ধুলাবালির কারণে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।টিকিট কাউন্টারের দায়িত্বে থাকা মুনকাদির বলেন,
দিন যত যাচ্ছে দর্শনার্থীর সংখ্যা তত বাড়ছে। তার ধারণা,
শুক্রবার ছুটির দিনে লাখের বেশি মানুষ মেলায় আসতে পারেন। এবারের বাণিজ্য মেলায় ৩২৪টি স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ভারত,
তুরস্ক,
সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, হংকং ও মালয়েশিয়ার ১১টি বিদেশি প্রতিষ্ঠান এতে অংশ নিয়েছে।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত