প্রিন্ট এর তারিখ : ১১ মার্চ ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২২ জানুয়ারি ২০২৬
২ হাজার টাকা দিয়ে একটা পরিবারের কোনো কিছু সমাধান হবে- প্রশ্ন জামায়াত আমিরেরা
ধ্রুবকন্ঠ ডেক্স ||
ক্ষমতায় গেলে চাঁদা নেওয়া হবে না এবং কাউকে চাঁদাবাজি করতে দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। এসময় তিনি বিএনপির ফ্যামিলি কার্ডের ঘোষণার দিকে ইঙ্গিত করে- ২ হাজার টাকা দিয়ে একটা পরিবারের কোনো কিছু সমাধান হবে কিনা এমন প্রশ্ন তোলেন।আজ বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকালে মিরপুর-১০ এ আদর্শ স্কুল মাঠে জনসভায় জামায়াত আমির এ কথা বলেন। শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আমরা ওই ধরনের কোনো কার্ডের ওয়াদা দিচ্ছি না। ২০০০ টাকা দিয়ে একটা পরিবারের কোনো কিছু সমাধান হবে?’ আর আমার ভাই নাহিদ ইসলাম বলেছে, তাতে আবার ভাগ বসিয়ে দেওয়া হবে; ‘খাজনা আগে, তারপর অন্যটা’, ‘২০০০ এর ১০০০ আমার খাজনা- আমাকে আগে দাও, তারপরে তোমারটা তুমি বুঝে নাও’। তাও না কাল্পনিক কিছু মানুষের চরিত্র এঁকে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হবে। সরকারের হাতে তুলে দেওয়া হবে, বেকারের হাতে নয়।’ শফিকুর রহমান বলেন, ‘এই বৈষম্যগুলোকে আমরা দেখতে পাইনি? টাকা কোত্থেকে আসবে? টাকার সোর্স তো জনগণ। এটা তো আমাদের কারো টাকা না। জনগণের ট্যাক্সের টাকায় দেশ চলে। ট্যাক্সের বাইরে কিন্তু একটা বেসরকারি ট্যাক্স আছে।’ ‘প্রত্যেকটা মুদির দোকানে রাস্তাঘাটে হকারের কাছে, এমনকি রাস্তার পাশে বসে যে ভাই-বোনটি ভিক্ষা করে, তার কাছ থেকেও একটা ট্যাক্স নেওয়া হয়। ওই ট্যাক্সের টাকা আমরা আমাদের জনগণের হাতে তুলে দিতে চাই না। না, শুধু তাই না; ওই ট্যাক্স বন্ধ করে দেওয়া হবে, ইনশাআল্লাহ।’ শফিকুর রহমান বলেন, ‘ওই ট্যাক্স নামের চাঁদাবাজি আর চলবে না। আমরা বাস্তব চিত্র দেখি, গাড়ি থেকে টাকা নিচ্ছে, বলে এটা কী? বলে, ‘এটা রাজনৈতিক ইজারা’। আপনি কোন দলের? একটা বলেন নাম, ধপাস করে বলে দেয়।’ ‘আবার কেউ নাম বলার আগে কয়, ‘দেন মিয়া টাকা, নামের কী দরকার আপনার’। কইছে, ‘আমি কারে টাকা দিচ্ছি, এটা আমার জানতে হবে না’। ভাবটা এমন যে আজকে জানার দরকার নাই হাশরের দিন জানবেন। সম্মানিত ভায়েরা, আমরা ঘোষণা করেছি- চাঁদা আমরা নিব না এবং চাঁদা কাউকে নিতে দিব না, ইনশাআল্লাহ। আমরা বলেছি, দুর্নীতি আমরা করব না এবং দুর্নীতি কাউকে করতেও দেব না।’ শফিকুর বলেন, ‘আমরা বলেছি ইনসাফ, প্রত্যেকের জন্য জাতি-ধর্ম-দল নির্বিশেষে নিশ্চিত করা হবে ইনসাফ এখন থেকে আর টাকা মূল্যে বিক্রি করা হবে না।’ ‘সেই বাংলাদেশটাই আমরা গড়তে চাচ্ছি, যে বাংলাদেশ হবে শিশুর, যে বাংলাদেশ হবে তরুণ-তরুণীর, যে বাংলাদেশ হবে যুবক-যুবতীর, যে বাংলাদেশ হবে একজন মুসলমানের, একজন হিন্দুর, একজন বৌদ্ধর, একজন খ্রিষ্টানের, যে বাংলাদেশ হবে আপামর জনগণের, যে বাংলাদেশ হবে শ্রমিকদের, যে বাংলাদেশ হবে কৃষকদের, যে বাংলাদেশ হবে সকল ক্ষেত্রে পেশাজীবীদের।’
এমএইছ/ধ্রুবকন্ঠ
কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত