প্রিন্ট এর তারিখ : ৩১ মে ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২০ জানুয়ারি ২০২৬
বিপিএল থেকে বিদায় নিল লিটনের রংপুর রাইডার্সা
ধ্রুবকন্ঠ ডেক্স ||
সামান্য পুঁজি নিয়েও সিলেট টাইটানসের বিপক্ষে জয়ের সম্ভাবনা তৈরি করেছিল রংপুর রাইডার্স। তাতে অবশ্য কাজের কাজও হয়নি। এলিমিনেটরে শেষ বলের নাটকীয়তায় মেহেদী হাসান মিরাজের দলের কাছে ২ উইকেটে হেরে বিপিএল থেকে বিদায় নিয়েছে রংপুর। টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেওয়ার পর উইকেট নিয়ে সমালোচনা করেছেন দলটির অধিনায়ক লিটন দাস।জেতার
জন্য শেষ বলে
৬ রান দরকার
ছিল সিলেটের। স্ট্রাইকে
ছিলেন ক্রিস ওকস।
রংপুরের ডাগআউট তখন
যেন জয়ের অপেক্ষা।
নিজেদের জন্য সমীকরণ
সহজ হয়ে আসায়
চেয়ার ছেড়ে ওঠে
দাঁড়ান রংপুরের দুই
মিকি আর্থার ও মোহাম্মদ আশরাফুল।
রিজার্ভ খেলোয়াড় এবং
স্টাফদেরও মুখেও ছিল
হাসির ছাপ। কিন্তু
সবাইকে হতাশ করতে
বেশি সময় নেননি
ওকস। ফাহিমের করা
শেষ বলে ডিপ
এক্সট্রা কাভার দিয়ে
ছয় মেরে দলের
জয় নিশ্চিত করেন
এই ইংলিশ অলরাউন্ডার।
সেই সঙ্গে সিলেটের
ডাগআউট এবং গ্যালারিতে
শুরু হয় উদযাপন।
বিপরীত চিত্র রংপুর
শিবিরে। কেউ মাঠেই
বসে পড়েন। কাউকে
দেখা যায় মন
খারাপ করে মাঠ
ছাড়তে। দুই দলের
লড়াই ছাপিয়ে শেষ
পর্যন্ত মিরপুরের বাজে
উইকেটের আলোচনা সামনে
ওঠে এসেছে।
এলিমিনেটরে হেরে লিটন
বলেন, ‘আমি বলতে
চাই, টি-টোয়েন্টি
ক্রিকেট খেলার জন্য
এটি আদর্শ উইকেট
ছিল না, বিশেষ করে
কোয়ালিফায়ারের মতো পর্বে
এসে। এটি (উইকেট) কেবল বোলারদের
জন্য ছিল।’মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এদিন ব্যাট হাতে দুই দলকেই ভুগতে দেখা গেছে। বাড়তি সুবিধা পেয়েছেন পেসাররা। দুই দলের পতন হওয়া ১৬ উইকেটের মধ্যে ১১টাই নিয়েছেন পেসাররা। আগে ব্যাট করে রংপুরের পুঁজি ছিল ১১১ রানের। এই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমেও বেগ পেতে হয়েছে সিলেটকে। জমে ওঠা ম্যাচে শেষ ওভারে তাদের সামনে ৯ রানের সমীকরণ দাঁড়ায়। প্রথম ৫ বলে মাত্র ৩ রান দেন রংপুরের পাকিস্তানি অলরাউন্ডার ফাহিম আশরাফ। হারের শঙ্কা তৈরি হয় সিলেট শিবিরে। এমএইছ/ধ্রুবকন্ঠ
কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত