প্রিন্ট এর তারিখ : ১৪ মার্চ ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২০ জানুয়ারি ২০২৬
ধূমপান ও তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিা
ধ্রুবকন্ঠ ডেক্স ||
ধূমপান
ও
তামাকজাত
দ্রব্য
ব্যবহার
(নিয়ন্ত্রণ)
(সংশোধন)
অধ্যাদেশ
কঠোরভাবে
বাস্তবায়নের
দাবি
জানিয়েছেন
বক্তারা।
তারা
বলেছেন,
সম্মিলিত
প্রচেষ্টায়
ইতিমধ্যেই
তামাক
নিয়ন্ত্রণে
অনেক
প্রাপ্তি
যোগ
হয়েছে।
তামাক
নিয়ন্ত্রণের
মাধ্যমে
জনস্বাস্থ্য
উন্নয়নে
নানামুখী
পদক্ষেপ
গ্রহণের
জন্য
সরকার
বাজেটও
বরাদ্দ
করেছে।
সম্প্রতি
সংশোধনী
অধ্যাদেশ
জারি
করা
হয়েছে। ধূমপান নিয়ন্ত্রণ ও জনস্বাস্থ্য উন্নয়নের ক্ষেত্রে এই অগ্রগতি অত্যন্ত প্রশংসনীয় এবং ইতিবাচক। আজ মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিএনমএ ভবনে এক মতবিনিময়সভায় তারা এসব কথা বলেন।ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ (ডাব্লিউবিবি) ট্রাস্টের নির্বাহী পরিচালক সাইফুদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে ও ডাব্লিউবিবি ট্রাস্টের হেড অব প্রোগ্রাম সৈয়দা অনন্যা রহমানের সঞ্চালনায় সভায় বক্তৃতা করেন জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেলের মহাপরিচালক মো.
আখতার-উজ-জামান,
বাংলাদেশ রেলওয়ের পরামর্শক হোসেন আলী খন্দকার,
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের স্যানেটারি ইন্সপেক্টর মো.
কামরুল হাসান,
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক জামাল নাসের খান,
ঢাকা সিভিল সার্জন অফিসের সিনিয়র শিক্ষা কর্মকর্তা শাহানা পারভীন,
জুনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা মাহবুবা জেসমিন,
ঢাকা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো.
আব্দুল মজিদ,
স্থানীয় সরকার উপপরিচালক মো.
বদরুদ্দোজা শুভ,
ভাইটাল স্ট্র্যাটেজিসের সিনিয়র কারিগরি পরামর্শক সৈয়দ মাহবুবুল আলম তাহিন,
জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেলের প্রোগ্রাম অফিসার ডা.
মো.
ফরহাদুর রেজা,
প্রত্যাশা মাদকবিরোধী সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হেলাল আহেমদ,
ডাব্লিউবিবি ট্রাস্টের নেটওয়ার্ক কর্মকর্তা আজিম খান প্রমুখ।সভায়
অবিলম্বে
‘ধূমপান
ও
তামাকজাত
দ্রব্য
ব্যবহার
(নিয়ন্ত্রণ)
(সংশোধন)
অধ্যাদেশ-২০২৫’ কঠোর বাস্তবায়নের
দাবি
জানিয়ে
বলা
হয়,
তামাক
বিরোধী
জোট
মনে
করে
‘জেলা
ভিত্তিক
রিপোর্ট
কার্ড’-এর মাধ্যমে
প্রাপ্ত
তথ্যাদিসমূহ
তামাক
নিয়ন্ত্রণ
আইন
ও
সহায়ক
পলিসিসমুহ
বাস্তবায়ন
ও
লংঘনের
তুলনামূলক
চিত্রের
মাধ্যমে
তামাক
নিয়ন্ত্রণের
লক্ষ্যে
দূর্বলতার
জায়গাগুলোকে
সুনির্দিষ্টভাবে
চিহ্নিত,
পরিকল্পনা
প্রণয়ন
এবং
সরকারের
নীতিনির্ধারণী
পর্যায়ে
সিদ্ধান্ত
গ্রহণে
সহায়ক
ভূমিকা
পালন
করবে।সভায়
বক্তারা
বলেন,
জেলা
প্রশাসন,
সিভিল
সার্জন,
ভোক্তা
অধিকার
সংরক্ষণ
অধিদপ্তর,
স্থানীয়
সরকার
প্রতিষ্ঠানসহ
টাস্কফোর্স
কমিটির
সকল
সদস্যদের
সক্রিয়
অংশগ্রহণ
ও
সমন্বয়
বাড়াতে
হবে।
একই
সঙ্গে
লাইসেন্সিং
ব্যবস্থা
চালু,
এমআরপি
অনুযায়ী
তামাক
পণ্য
বিক্রি
নিশ্চিত
এবং
আইন
লঙ্ঘনকারী
কোম্পানির
বিরুদ্ধে
দৃষ্টান্তমূলক
শাস্তির
নিশ্চিত
করতে
হবে।
তামাক
নিয়ন্ত্রণ
কার্যক্রমের
সাথে
বেসরকারি
সংস্থাসমুহকে
আর্থিক
অনুদান
প্রদানের
মাধ্যমে
সম্পৃক্ত
করার
আহ্বান
জানান
তারা।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত