প্রিন্ট এর তারিখ : ১১ মার্চ ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জানুয়ারি ২০২৬
আসিফ মাহমুদের বিচার বাংলার মাটিতেই হবে, ছাত্রদলের নেতা নাছিরের হুঁশিয়ারিা
ধ্রুবকন্ঠ ডেক্স ||
সাবেক উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার দুর্নীতির বিচারের দাবিতে হুঁশিয়ারি করেছেন ছাত্রদলের কেন্দ্রী কমিটির সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ দুদকের মাধ্যমে অবশ্যই তদন্ত করবে এবং আসিফ মাহমুদের এই দুর্নীতির বিচার বাংলার মাটিতেই হবে।আজ সোমবার
(১৯ জানুয়ারি) জাতীয় নির্বাচন কমিশনের সামনে দলীয় নেতাকর্মীদের সামনে এক বক্তব্যে
তিনি এ কথা
বলেন। পোস্টাল ব্যালটে পক্ষপাতের অভিযোগসহ তিনটি ইস্যুতে আজ দ্বিতীয়
দিনের মতো নির্বাচন
কমিশনের (ইসি) প্রধান
কার্যালয় ঘেরাওয়ের কর্মসূচি পালন করছেন ছাত্রদলের নেতা–কর্মীরা। তারা বলছেন, দাবি আদায় না হওয়া
পর্যন্ত এই কর্মসূচি
চালিয়ে যাবেন।
নাছির বলেন, জুলাই আগস্টে আপনি ভূমিকা রেখেছেন, আপনি নেতৃত্ব দিয়েছেন। জুলাই আগস্ট পরবর্তী সময়ে আপনি উপদেষ্টা হয়ে আপনি
হাজার হাজার কোটি টাকা দুর্নীতি করেছেন। এটা বাংলাদেশের
মানুষ জানে।নির্বাচন
কমিশনকে প্রশ্ন করে ছাত্রদলের
এই নেতা বলেন, আমরা যে নতুন
বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছি, সেই নতুন
বাংলাদেশে আমরা কখনোই জামায়াত-শিবির-রাজাকারকে ক্ষমতায় আনার জন্য পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে যে চেষ্টা
তা আমরা মেনে নেব না।
জামায়াতের নামে কেন এই
পোস্টাল ব্যালট পেপার, তার কোনো
সদুত্তর দিতে পারেনি নির্বাচন কমিশন। দুইটি
দল নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত জানিয়ে নাছির বলেন, সুতরাং আগামীর যে নির্বাচন,
১২ ফেব্রুয়ারির যে নির্বাচন
হওয়ার কথা রয়েছে,
দুইটি রাজনৈতিক দল ইতিমধ্যে
ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। জুলাই আগস্টে নেতৃত্বদানকারী ছাত্রসংস্থা, জুলাই আগস্টে সম্মুখসারির যোদ্ধা, যিনি ছাত্র প্রতিনিধি হয়ে উপদেষ্টা
হয়ে তিনি হাজার কোটি টাকা দুর্নীতি করেছেন।বাংলাদেশে আসিফ মাহমুদের হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির বিষয়টি ওপেন সিক্রেট।
ছাত্রদলের তিনটি ইস্যু হচ্ছে-
১. পোস্টাল ব্যালট–সংক্রান্ত বিষয়ে নির্বাচন কমিশন পক্ষপাতদুষ্ট ও প্রশ্নবিদ্ধ
সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা নির্বাচনপ্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা নিয়ে গুরুতর সংশয় সৃষ্টি করেছে।২.
বিশেষ একটি রাজনৈতিক গোষ্ঠীর চাপের মুখে দায়িত্বশীল ও যৌক্তিক
সিদ্ধান্তের পরিবর্তে হঠকারী ও অদূরদর্শী
সিদ্ধান্ত গ্রহণ করছে ইসি, যা
কমিশনের স্বাধীনতা ও পেশাদারত্বকে
প্রশ্নবিদ্ধ করে। ৩.
বিশেষ রাজনৈতিক দলের প্রত্যক্ষ প্রভাব ও হস্তক্ষেপে
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন বিষয়ে ইসি নজিরবিহীন
ও বিতর্কিত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের
গণতান্ত্রিক চর্চার জন্য অশনিসংকেত।
এমএইছ / ধ্রুবকন্ঠ
কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত