প্রিন্ট এর তারিখ : ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
‘বাংলাদেশকে ভালো রাখতে হলে খালেদা জিয়াকে আত্মস্থ করতে হবে’া
ধ্রুবকন্ঠ ডেক্স ||
অন্তর্বর্তী
সরকারের
আইন
উপদেষ্টা
অধ্যাপক
ড.
আসিফ
নজরুল মন্তব্য
করেছেন
বাংলাদেশকে
ভালো
রাখতে
হলে
খালেদা
জিয়াকে
আত্মস্থ
করতে
হবে।
তিনি
বলেন,
‘ওনার
(খালেদা
জিয়ার)
অনেক
অসাধারণ
বৈশিষ্ট্য
ছিল।
উনি
সৎ
ছিলেন,
দৃঢ়
প্রতিজ্ঞ
ছিলেন,
আত্মত্যাগী
ছিলেন,
দেশপ্রেমিক
ছিলেন।
ওনার
মধ্যে
রুচির
এক
অবিস্মরণীয়
প্রকাশ
ছিল।
তিনি
পরমতসহিষ্ণু
ছিলেন।
বাংলাদেশকে
ভালো
থাকতে
হলে
খালেদা
জিয়াকে
আত্মস্থ
করতে
হবে।‘আজ শুক্রবার
(১৬
জানুয়ারি)
বিকেলে
জাতীয়
সংসদ
ভবনের
দক্ষিণ
প্লাজায়
খালেদা
জিয়ার
স্মরণে
নাগরিক
শোকসভায়
এসব
কথা
বলেন তিনি।আসিফ
নজরুল
বলেছেন,
‘খালেদা
জিয়া
যখন
জীবিত
ছিলেন,
বন্দি
ছিলেন,
ওনার
পক্ষে
বিভিন্ন
অনুষ্ঠানে
কথা
বলার
সুযোগ
হয়েছে।
তখন
ওনার
পক্ষে
কথা
বলার
মানুষ
খুঁজে
পাওয়া
যেত
না।’তিনি
আরও
বলেন,
‘খালেদা
জিয়া
যখন
মুমূর্ষু
অবস্থায়,
উনাকে
চিকিৎসার
জন্য
যেন
বিদেশে
পাঠানো
হয়,
এ
জন্য
কত
মানুষকে
অনুনয়-বিনয় করেছি।
অনেকের
ইচ্ছা
ছিল
কিন্তু
সাহস
করেন
নাই।
আজকে
আমার
ভালো
লাগছে,
সবাই
আমরা
মুক্তভাবে
বেগম
জিয়ার
প্রতি
ভালোবাসা
জানাতে
পারছি।
আল্লাহর
কাছে
হাজার
শোকর
এবং
জুলাই
গণ-অভ্যুত্থানকারীদের
প্রতি
কৃতজ্ঞতা,
বাংলাদেশের
মানুষ
আজকে
স্বাধীনভাবে
ঘৃণাও
প্রকাশ
করতে
পারছে,
স্বাধীনভাবে
ভালোবাসাও
প্রকাশ
করতে
পারছে।
এ
জন্যই
এক
নেত্রীর
ঠাঁই
হয়েছে
মানুষের
হৃদয়ে,
আরেকজনের
ঠাঁই
হয়েছে
বিতাড়িত
ভূমিতে।‘
আইন
উপদেষ্টা
বলেন,
‘ওনার
(খালেদা
জিয়া)
একটা
অদ্ভুত
বিচার
হয়েছিল,
উদ্ভট
বিচার।
সেই
বিচারে
উনি
শকড
হয়েছিলেন
অন্য
পক্ষের
আইনজীবীর
কথা
শুনে।
উনি
অবাক
হয়ে
বলেছিলেন
যে
“আমি
মেরে
খেয়েছি
এতিমের
টাকা?”
বিস্মিত
এবং
ব্যথিত
হয়ে
বলা
এই
বাক্যটাকে
বিচারক
লিখেছিলেন
যে,
বেগম
জিয়া
নিজেই
স্বীকার
করেছেন
তিনি
কাজটা
করেছেন।’
তিনি
বলেন,
‘আমি
আইনের
ছাত্র
হিসেবে
বলি-
এত
জঘন্য
একটা
বিচার
হয়েছে।
এটার
বিপক্ষে
বিবৃতি
লিখে
দ্বারে
দ্বারে
ঘুরেছি,
ফোন
করেছি
বিভিন্ন
মানুষকে,
কিন্তু
হাইকোর্টে
কী
করবেন
না
করবেন,
এই
ভয়ে
চারজনের
বেশি
রাজি
হয়
নাই।
চারজনের
তো
বিবৃতি
হয়
না,
এ
জন্য
পত্রিকায়
ধরাতে
পারি
নাই।’
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত