প্রিন্ট এর তারিখ : ১৬ জানুয়ারি ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জানুয়ারি ২০২৬
রুশ প্রেসিডেন্ট নন, ইউক্রেন যুদ্ধ দীর্ঘ করছেন জেলেনস্কি: ট্রাম্প া
ধ্রুবকন্ঠ ডেক্স ||
ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন নন বরং ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কিই বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন। রয়টার্সকে দেওয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে এমন দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।গত বুধবার ওভাল অফিস থেকে একান্ত সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানান, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন প্রায় চার বছর ধরে চলা ইউক্রেন আগ্রাসন শেষ করতে চান। তবে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি তুলনামূলকভাবে কম আগ্রহী।
তিনি আরও বলেন, ‘আমি মনে করি তিনি (পুতিন) শান্তিচুক্তি করতে প্রস্তুত, অন্যদিকে আমার মনে হয় ইউক্রেন চুক্তি করতে ততটা এগিয়ে আসতে চাচ্ছে না।’দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের সবচেয়ে বড় স্থলযুদ্ধ এখনো কেন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হয়নি- এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প এক কথায় উত্তর দেন- ‘জেলেনস্কি’। যার অর্থ ইউরোপে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করার পেছনে ইউক্রেন প্রেসিডেন্টকেই একমাত্র দায়ী উল্লেখ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।তার এই বক্তব্য ইউক্রেনের ইউরোপীয় মিত্রদের অবস্থানের সঙ্গে স্পষ্টভাবে সাংঘর্ষিক। ফ্রান্স, জার্মানি, যুক্তরাজ্যের মতো ইউরোপীয় মিত্ররা বারবার উল্লেখ করে আসছেন, ইউক্রেনে যুদ্ধ শেষ করার বিষয়ে মস্কোর খুব একটা আগ্রহ নেই।
এদিকে ট্রাম্পের মন্তব্যে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের প্রতি নতুন করে ট্রাম্পের হতাশার ইঙ্গিত পাওয়া যায়। যদিও তাদের দুজনের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই টালমাটাল অবস্থায় আছে। ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতা নেওয়ার পর থেকে একাধিকবার বৈঠকে জেলেনস্কির সঙ্গে প্রকাশ্যে তর্কে জড়িয়েছেন।ইউক্রেনের খনিজ সম্পদে যুক্তরাষ্ট্রের অংশিদারত্ব নিয়েও বেশ জলঘোলা হয়েছে। অবশেষে ট্রাম্পের সমর্থন পেতে দেশের সম্পদে ওয়াশিংটনের হস্তক্ষেপ মেনে নিতে চুক্তি করেছেন জেলেনস্কি। এমন পরিস্থিতিতে ইউরোপীয় নেতারা অভিযোগ করেন, কিছু ক্ষেত্রে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশের নেতাদের তুলনায়, ভ্লাদিমির পুতিনের আশ্বাস সহজে মেনে নিতে বেশি আগ্রহী ছিলেন। এমনকি তিনি শান্তিচুক্তির ক্ষেত্রেও রাশিয়ার শর্তগুলোতে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছেন। তারই অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচকরা ইউক্রেন-রাশিয়াকে যে কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় দনবাস অঞ্চল রাশিয়ার কাছে ছেড়ে দেওয়ার জন্যও চাপ দিয়েছেন। এমএইছ/ধ্রুবকন্ঠ
কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত