প্রিন্ট এর তারিখ : ১৬ জানুয়ারি ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জানুয়ারি ২০২৬
গ্রিল কেটে বাসায় ঢুকে জামায়াত নেতাকে হত্যা করল দুর্বৃত্তরাা
ধ্রুবকন্ঠ ডেক্স ||
রাজধানী
ঢাকার পশ্চিম
রাজাবাজারে
নিজ
বাসায়
খুন
হয়েছেন
জামায়াতে
ইসলামীর
নেতা
ও
হোমিও
চিকিৎসক
আনোয়ারুল্লাহ।গতকাল সোমবার (১২
জানুয়ারি)
দিনগত
রাত
আনুমানিক
আড়াইটার
দিকে
বারান্দা
ও
জানালার
গ্রিল
কেটে
তার
বাসায়
ঢুকে
দুই
যুবক
তাকে
হত্যা
করে।
হত্যার
পর
তারা
আট
ভরি
স্বর্ণ
ও
নগদ
পাঁচ
লাখ
টাকা
নিয়ে
পালিয়ে
যায়।
পরিবারের
দাবি,
এটি
নিছক
ডাকাতি
নয়,
বরং
একটি
পরিকল্পিত
হত্যাকাণ্ড।ঘটনার
একটি
সিসিটিভি
ফুটেজে
দেখা
যায়,
প্রথমে
বারান্দার
গ্রিল
এবং
পরে
একটি
কক্ষের
জানালার
গ্রিল
কেটে
দুই
ব্যক্তি
বাসায়
প্রবেশ
করে।
প্রায়
দুই
ঘণ্টা
পর
তাদের
বাসা
থেকে
বের
হয়ে
যেতে
দেখা
যায়।
পরিবারের
ভাষ্য
অনুযায়ী,
মৃত্যু
নিশ্চিত
করেই
তারা
বাসা
ছাড়ে।আনোয়ারুল্লাহ
ওই
ভবনের
দোতলায়
স্ত্রীসহ
বসবাস
করতেন।
পরিবারের
সদস্যরা
জানান,
খুনিরা
ভেতরে
ঢুকে
আনোয়ারুল্লাহ
ও
তার
স্ত্রীর
হাত-পা বেঁধে তাকে হত্যা করে। এরপর বাসা থেকে স্বর্ণালংকার
ও
নগদ
অর্থ
লুট
করে
নেয়।নিহতের
ভাতিজা
জানান,
হত্যার
সময়
দুর্বৃত্তরা
আনোয়ারুল্লাহকে
কালেমা
পড়তে
বলে।
তিনি
বলেন,
“ওনাকে
বলা
হয়—তোকে এখন মেরে ফেলব, কালেমা
পড়।
তখন
ফুফা
বলেন,
আমি
কালেমা
জানি,
নিজেই
পড়তে
পারব।
এরপর
সামান্য
পানি
খেতে
দেওয়া
হয়।
একেবারে
মৃত্যু
নিশ্চিত
করেই
তারা
বের
হয়ে
যায়।“
এ
ঘটনায়
এলাকায়
আতঙ্ক
ছড়িয়ে
পড়েছে।
পাশের
বাড়ির
এক
বাসিন্দা
বলেন,
“এভাবে
বাসায়
ঢুকে
যদি
খুন
করা
হয়,
তাহলে
যেকোনো
কিছুই
ঘটতে
পারে।
আরেক
বাসিন্দা
বলেন,
হঠাৎ
শব্দ
পেয়ে
গেটের
সামনে
গিয়ে
দেখি
মানুষ
জড়ো
হয়েছে,
পুলিশও
ছিল।
পুলিশ
বলছিল,
ভেতরে
ঢোকা
যাবে
না।“
আনোয়ারুল্লাহ
হোমিও
চিকিৎসার
পাশাপাশি
জামায়াতে
ইসলামীর
রাজনীতির
সঙ্গে
যুক্ত
ছিলেন।
এলাকাবাসীর
কাছে
তিনি
একজন
মানবিক
চিকিৎসক
হিসেবেও
পরিচিত
ছিলেন।
তার
রাজনৈতিক
সহকর্মী
ও
প্রতিবেশীরা
এ
হত্যাকাণ্ডের
সুষ্ঠু
ও
নিরপেক্ষ
তদন্তের
দাবি
জানিয়েছেন।
পুলিশ
জানিয়েছে,
ঘটনাটি
চুরি-ডাকাতির
উদ্দেশ্যে
নাকি
পরিকল্পিত
হত্যাকাণ্ড—তা তদন্তের
মাধ্যমে
নিশ্চিত
করা
হবে।
ডিএমপির
উপ-কমিশনার
(মিডিয়া)
তালেবুর
রহমান
বলেন,
এ
ঘটনায়
এখনো
কোনো
মামলা
হয়নি।
মামলা
দায়েরের
প্রক্রিয়া
চলমান
রয়েছে।
আশপাশের
সিসিটিভি
ফুটেজ
সংগ্রহ
করা
হচ্ছে
এবং
ঘটনার
সঙ্গে
জড়িতদের
শনাক্তের
চেষ্টা
চলছে।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত