প্রিন্ট এর তারিখ : ১৬ জানুয়ারি ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১২ জানুয়ারি ২০২৬
মোস্তাফিজকে ছাড়াই দল প্রস্তুত করার পরামর্শ দিল আইসিসিা
ধ্রুবকন্ঠ ডেক্স ||
ভারতের মাটিতে বাংলাদেশ বিশ্বকাপ খেলতে না চাওয়ার সিদ্ধান্তের পর থেকেই নানান দিকে মোড় নিচ্ছে ঘটনা। নিরাপত্তা ইস্যু দেখিয়ে আইসিসিতে দুই দফায় চিঠি পাঠিয়ে ভারতের বাইরে ম্যাচ সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধও করেছে বিসিবি।এর সঙ্গে এবার আইসিসির নিরাপত্তা বিভাগ থেকে একটি
চিঠি আসার পর বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়েই দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা।
ভারতে খেলতে গেলে কী ধরনের নিরাপত্তা শঙ্কায় পড়তে পারে বাংলাদেশ, সেই সংক্রান্ত চিঠি পাওয়ার কথা জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।আজ সোমবার বাফুফে ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, তিনটি কারণে ভারতে খেলতে গেলে বাংলাদেশের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়তে পারে। যার মধ্যে একটি মোস্তাফিজুর রহমান দলে থাকা। এই মোস্তাফিজকেই বিসিসিআইয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী স্কোয়াড থেকে বাদ দেয় কলকাতা নাইট রাইডার্স। এরপরই বিসিবি সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে না যাওয়ার এবং অনুরোধ জানায় ভারতের বাইরে ভেন্যু সরিয়ে নেয়ার।আইসিসির নিরাপত্তা বিভাগ থেকে পাওয়া চিঠি নিয়ে আসিফ নজরুল বলেন, ‘চিঠিতে বলা হয়েছে, তিনটি জিনিস হলে বাংলাদেশ টিমের নিরাপত্তা আশঙ্কা বাড়বে।প্রথমত, বাংলাদেশ দলে যদি মোস্তাফিজুর রহমানকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। দ্বিতীয়ত, বাংলাদেশের সমর্থকরা যদি জাতীয় জার্সি পরে ঘোরাফেরা করেন। তৃতীয়ত, বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন যত এগিয়ে আসবে, তত দলের নিরাপত্তাঝুঁকি বৃদ্ধি পাবে।’আইসিসির এই বক্তব্যকে উদ্ভট ও অবাস্তব দাবি করে যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আরো বলেন, ‘আইসিসি যদি আশা করে আমরা আমাদের শ্রেষ্ঠ বোলারকে বাদ দিয়ে আমরা ক্রিকেট টিম করব, আমাদের যারা সমর্থক আছে তারা বাংলাদেশের জার্সি পরতে পারবে না, আর আমরা ক্রিকেট খেলার জন্য বাংলাদেশের নির্বাচন পিছিয়ে দেব–তাহলে এর চেয়ে উদ্ভট, অবাস্তব ও অযৌক্তিক কোনো প্রত্যাশা হতে পারে না।’এর আগে ক্রিকেট বিষয়ক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজ জানিয়েছে, বাংলাদেশের জন্য ভারতেই বিকল্প দুটি ভেন্যু বিবেচনা করছে আইসিসি। বিকল্প হিসেবে এসেছে চেন্নাইয়ের এম চিদাম্বরম স্টেডিয়াম ও কেরালার থিরুভানান্থাপুরাম স্টেডিয়ামের নাম। রোববার বিসিসিআইয়ের সঙ্গে এই ইস্যুতে আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহর বৈঠকের পর ভারতে বিকল্প ভেন্যুর প্রস্তাবনা বাংলাদেশকে দেওয়ার সিদ্ধান্ত এসেছে।
এমএইছ / ধ্রুবকন্ঠ
কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত