প্রিন্ট এর তারিখ : ১৬ জানুয়ারি ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জানুয়ারি ২০২৬
সরকারের ফ্যাসিস্ট হয়ে ওঠার পথ বন্ধ করতেই গণভোট: আলী রীয়াজা
ধ্রুবকন্ঠ ডেক্স ||
ভবিষ্যতে রাষ্ট্র পরিচালনায় যারা আসবেন,
তারা যেন আর কখনোই ফ্যাসিবাদী হয়ে উঠতে না পারেন,
তা নিশ্চিত করতেই আসন্ন গণভোটের আয়োজন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ।আজ বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান আলোচকের বক্তৃতায় এই কথা বলেন তিনি।অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন,
‘বিদ্যমান ত্রুটিপূর্ণ সাংবিধানিক ও রাষ্ট্রীয় কাঠামোর কারণেই শাসকরা ফ্যাসিস্ট হওয়ার সুযোগ পান। তিনি আরও বলেন,
“আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’
ভোটকে জয়ী করার মাধ্যমে এই ফ্যাসিবাদী পথ চিরতরে বন্ধ করতে হবে। গণভোটের মাধ্যমে জনগণই সিদ্ধান্ত দেবে আগামীর বাংলাদেশ কীভাবে চলবে।‘নির্বাচনের দিন ভোটাররা দুটি ব্যালট পাবেন—জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের জন্য সাদা ব্যালট এবং গণভোটের জন্য রঙিন ব্যালট। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে ‘জুলাই জাতীয় সনদ’
বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। দেশের প্রায় সাড়ে চারশ স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক এনজিও প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে তিনি প্রান্তিক পর্যায়ে গণভোটের সচেতনতা বৃদ্ধিতে এনজিওদের সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।অনুষ্ঠানে
বিশেষ
আলোচক
হিসেবে
প্রধান
উপদেষ্টার
বিশেষ
সহকারী
(ঐক্যমত্য)
মনির
হায়দার
বলেন,
‘গণভোটের
মাধ্যমে
সংস্কার
সফল
হলে
একটি
কার্যকর
সংসদীয়
ব্যবস্থা
ও
ক্ষমতার
ভারসাম্য
প্রতিষ্ঠিত
হবে।
অন্যথায়
দেশ
আবারও
৫
আগস্টের
পূর্বের
অবস্থায়
ফিরে
যাওয়ার
শঙ্কা
প্রকাশ
করেন
তিনি।
সুজন
সম্পাদক
ড.
বদিউল
আলম
মজুমদার
কর্মশালায়
গণভোটের
কারিগরি
ও
তাত্ত্বিক
দিকগুলো
তুলে
ধরেন।‘
এনজিও
বিষয়ক
ব্যুরোর
মহাপরিচালক
মোঃ
দাউদ
মিয়া
জানান,
এনজিওদের
মাধ্যমে
প্রায়
৫০-৬০ লাখ উপকারভোগী
পরিবারের
মধ্যে
গণভোট
বিষয়ে
সচেতনতা
তৈরিতে
তারা
নিবিড়ভাবে
কাজ
করবেন।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত