প্রিন্ট এর তারিখ : ১৬ জানুয়ারি ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জানুয়ারি ২০২৬
মোদিকে চাপে ফেলতে ট্রাম্পের নতুন নিষেধাজ্ঞা া
ধ্রুবকন্ঠ ডেক্স ||
রাশিয়ার কাছে থেকে তেল কেনে এমন দেশগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিলকে সমর্থন দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।‘স্যাংশনিং রাশিয়া অ্যাক্ট’ নামক এই বিলের আওতায় চীন, ভারত, ব্রাজিলের মতো দেশগুলোর পণ্যের ওপর সর্বোচ্চ ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের ক্ষমতা পেতে পারে হোয়াইট হাউজ।আজ বুধবার (৭ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ক্যারোলাইনা অঙ্গরাজ্যের সিনেটর লিন্ডসি গ্রাহাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।বিবৃতিতে গ্রাহাম বলেন, এই বিল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে সেই দেশগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ দেবে, যারা রাশিয়ার সস্তা তেল কিনে ভ্লাদিমির পুতিনের ‘ওয়ার মেশিনে’ জ্বালানি জোগাচ্ছে। চীন, ভারত ও ব্রাজিলের মতো দেশগুলোর ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টির ক্ষেত্রে এই বিলটি মার্কিন প্রেসিডেন্টের হাতিয়ার হবে।ইউক্রেনে যুদ্ধের জেরে রুশ জ্বালানি খাতের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও চীন ও ভারত এখনও মস্কোর তেলের বড় ক্রেতা। সেন্টার ফর রিসার্চ অন এনার্জি অ্যান্ড ক্লিন এয়ারের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, গত নভেম্বরে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল রফতানির প্রায় অর্ধেকই কিনেছে চীন। আর ভারতের দখলে গেছে প্রায় ৩৮ শতাংশ। অন্যদিকে, ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের পর ব্রাজিল রুশ তেল কেনা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে সেই আমদানি অনেকটাই কমে গেছে।প্রায় চার বছর ধরে চলা ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ওয়াশিংটন গত কয়েক মাস ধরে মস্কো ও কিয়েভের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করছে। এর মধ্যেই নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত বিলে সমর্থনের মতো পদক্ষেপ নিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত মঙ্গলবার ট্রাম্প প্রশাসন প্রথমবারের মতো ইউরোপীয় প্রস্তাবগুলোর প্রতি সমর্থন জানায়। এই প্রস্তাবে ইউক্রেনের জন্য বাধ্যতামূলক নিরাপত্তা নিশ্চয়তার কথা বলা হয়েছে। এসব প্রস্তাবের মধ্যে আছে, যুদ্ধ পরবর্তী অস্ত্রবিরতি পর্যবেক্ষণ এবং ইউরোপের নেতৃত্বে একটি বহুজাতিক বাহিনী মোতায়েন। তবে রাশিয়া বলেছে ইউক্রেনে ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোর সেনা মোতায়েন তারা মেনে নেবে না।নিজের প্রস্তাবিত বিল নিয়ে দেওয়া বিবৃতিতে লিন্ডসি গ্রাহাম বলেন, ইউক্রেনের বর্তমান পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে এই আইনটি সময়ের দাবি। তিনি আরও বলেন, এটি যথাযথ সময়ে এসেছে। ইউক্রেন শান্তির স্বার্থে ছাড় দিচ্ছে, আর পুতিন শুধু কথার কথা বলছেন। নিরীহ মানুষদের হত্যা করা হচ্ছে।
এমএইছ/ধ্রুবকন্ঠ
কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত