প্রিন্ট এর তারিখ : ১৬ জানুয়ারি ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জানুয়ারি ২০২৬
স্প্যানিশ সুপার কাপের ফাইনালে বার্সাা
ধ্রুবকন্ঠ ডেক্স ||
আতলেতিক ক্লাবের বিপক্ষে একপেশে আধিপত্য দেখিয়ে স্প্যানিশ সুপারকোপার ফাইনালে উঠে গেছে বার্সেলোনা। শুরুতে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও নীল-লাল ঝড় শুরু হতেই ভেঙে পড়ে বাস্ক দলটি। প্রথমার্ধের মাত্র এক চতুর্থাংশ সময়েই ম্যাচ কার্যত শেষ করে দেন হান্সি ফ্লিকের শিষ্যরা। শেষ পর্যন্ত ৫–০ গোলের বিশাল ব্যবধানে জয় পায় কাতালানরা।ম্যাচের শুরুতে হাই প্রেসিংয়ে আতলেতিক প্রথম দশ মিনিটে কিছুটা স্বপ্ন দেখালেও ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণ নেয় বার্সেলোনা। পেদ্রির পায়ে গতি আসতেই মাঝমাঠে খুলে যেতে থাকে খেলার পথ এবং মিডফিল্ডে ফ্র্যাঙ্কি ডি ইয়ং–পেদ্রি জুটির নিয়ন্ত্রণে আক্রমণ সাজাতে থাকে বার্সা, আর মিড পজিশনে ফেরমিনের উপস্থিতি হয়ে ওঠে বড় অস্ত্র।লামিন ইয়ামালকে বেঞ্চে রেখে নামা বার্সেলোনার আক্রমণে 'নয় নম্বর' হিসেবে খেলেন ফেরান তোরেস। তিনিই খোলেন গোলের খাতা। ফেরমিনের সহায়তায় প্রথম গোলের পর নিজেই বাঁ পায়ের শটে দ্বিতীয় গোল করে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন তিনি। এই 'ডাবল এফ' (ফেরান ও ফেরমিন) জুটিই আতলেতিকের রক্ষণ ভেঙে চুরমার করে দেয়।এরপর একের পর এক আঘাত হানে বার্সেলোনা। পেদ্রির পাস থেকে বল পেয়ে রুনি দুর্দান্ত নিয়ন্ত্রণ ও কাটব্যাক করে গোল করেন, যা আতলেতিক গোলরক্ষক উনাই সিমনের দুর্বলতায় আরও সহজ হয়ে যায়। এরপর বুলেট এক শটে স্কোরশটে নাম লেখান রাফিনিয়া। প্রথমার্ধেই চার গোল হজম করে কার্যত ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে আতলেতিক। বিরতির আগে আরও গোল হতে পারত, তবে ভিভিয়ানের আত্মঘাতী শট কোনোমতে কর্নারে ঠেলে দেন সিমন।দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই পঞ্চম গোল পায় বার্সেলোনা। দীর্ঘ আক্রমণ, একাধিক শট ও রিবাউন্ডের পর ডান দিক থেকে জালে বল জড়িয়ে দেন রাফিনিয়া। এদিন ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গার দুটি গোল করে উজ্জ্বল ছিলেন। দ্বিতীয়ার্ধে তিনি মিড-পজিশনে খেলেন, আর ফেরমিন সরে যান বাঁ দিকে। বড় ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ার পর গতি কমায় বার্সেলোনা। ফ্লিক পরিবর্তন এনে খেলোয়াড়দের বিশ্রাম দেন, বার্নালকে সুযোগ দেন ম্যাচের ছন্দে ফেরার। সুযোগ পেয়েও আতলেতিক কাজে লাগাতে পারেনি, উনাই গোমেজ একেবারে ফাঁকা অবস্থায় সুযোগ নষ্ট করেন। শেষ দিকে সানসেতের একটি শট পোস্টে লেগে ফিরলেও তা কেবল সম্মান বাঁচানোর চেষ্টা হিসেবেই থেকে যায়।এমএইছ/ধ্রুবকন্ঠ
কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত