প্রিন্ট এর তারিখ : ১৬ জানুয়ারি ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জানুয়ারি ২০২৬
নির্বাচন ও গণভোট গণতান্ত্রিক রূপান্তরের চাবিকাঠি: প্রধান উপদেষ্টাা
ধ্রুবকন্ঠ ডেক্স ||
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন এবং গণভোট বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ বুধবার
(৭ জানুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ইউরোপীয় এক্সটারনাল অ্যাকশন সার্ভিসের (ইইএএস) এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক পাওলা পাম্পালোনি প্রধান উপদেষ্টা সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে এই কথা বলেন তিনি।এ সময় বাংলাদেশ-ইইউ সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। আলোচনায় সমন্বিত অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতা কাঠামো চুক্তি (পিসিএ) নিয়ে চলমান আলোচনা, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট, অবৈধ অভিবাসন রোধ এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।
বৈঠকে
বাংলাদেশ ও ইইউ-এর মধ্যে ‘সমন্বিত অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতা কাঠামো চুক্তি’ (পিসিএ) নিয়ে আলোচনা দ্রুত চূড়ান্ত করার বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত পোষণ করেন।
পাওলা
পাম্পালোনি জানান, বাংলাদেশের নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ইইউ একটি উচ্চপর্যায়ের বিশাল প্রতিনিধি দল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যার প্রধান চলতি সপ্তাহেই ঢাকা পৌঁছাবেন। তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার কাজের প্রশংসা করে বলেন, সফল গণতান্ত্রিক রূপান্তরের পর বাংলাদেশ-ইইউ সম্পর্ক এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।
ইইউ
কর্মকর্তা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সংস্কারের যে উচ্চাকাঙ্ক্ষা দেখা গেছে, তা ইউরোপীয় ইউনিয়ন গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেছে এবং প্রশংসা করেছে। তিনি পিসিএ চুক্তিতে অগ্রগতিকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এই চুক্তি দুই পক্ষের সম্পর্ককে আরও গভীর করবে এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগে বড় সুযোগ তৈরি করবে।
জবাবে
অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস গত ১৭ মাসে অন্তর্বর্তী সরকারকে ইইউর ধারাবাহিক সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, পিসিএ বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি চুক্তি, যা বাংলাদেশ-ইইউ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে।
এ
সময় পাওলা পাম্পালোনি বলেন, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে ইইউ সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। এরই প্রতিফলন হিসেবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ইইউ একটি উচ্চপর্যায়ের বড় নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশন পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তিনি জানান, ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশনের প্রধান চলতি সপ্তাহেই বাংলাদেশে আসবেন এবং রাজনৈতিক নেতাদের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করবেন।‘
প্রধান
উপদেষ্টা বলেন, ‘বিগত ১৬ বছর মানুষ ভোট দিতে পারেনি। এবার উৎসবমুখর পরিবেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।‘তিনি আরও আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, রা’জনৈতিক দলগুলো ‘জুলাই সনদ’ অনুযায়ী গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে কাজ করবে।‘
সাক্ষাতে
উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী, এসডিজি বিষয়ক সমন্বয়ক ও সিনিয়র সচিব লামিয়া মোরশেদ এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার।
এনএম
/ধ্রুবকন্ঠ
কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত