প্রিন্ট এর তারিখ : ১৬ জানুয়ারি ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জানুয়ারি ২০২৬
হাদি হত্যার খুনি ফয়সালের ভিডিওবার্তা নিয়ে ডিবি যা বলছো
ধ্রুবকন্ঠ ডেক্স ||
ইনকিলাব মঞ্চের
মুখপাত্র শহীদ শরিফ
ওসমান বিন হাদি
হত্যাকাণ্ডে মূল
আসামি খুনি ফয়সাল
করিম মাসুদের দেওয়া
ভিডিওবার্তাগুলো পর্যালোচনা করে প্রাথমিক তদন্ত
কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে বলে
জানিয়েছেন ঢাকা
মহানগর পুলিশের (ডিএমপি)
গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) প্রধান মো.
শফিকুল ইসলাম। এই
ভিডিওটি আসল
না নকল সেটিও
বের করেছে পুলিশ।আজ মঙ্গলবার (৬
জানুয়ারি) মিন্টো
রোডের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ
সম্মেলনে এই
তথ্য জানান
তিনি।ডিবি প্রধান বলেন,
‘ফয়সাল করিমের দেওয়া
তিনটি ভিডিওবার্তায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)
ব্যবহার করা
হয়নি—এটি প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া
গেছে। যদিও ফরেনসিক পরীক্ষার চূড়ান্ত প্রতিবেদন এখনো
পাওয়া যায়নি, তবে
প্রাথমিক বিশ্লেষণে ভিডিওগুলো আসল
বলেই প্রতীয়মান হয়েছে।‘ভিডিওবার্তায়
ফয়সালের
দুবাইয়ে
অবস্থানের
দাবির
বিষয়ে
ডিবি
প্রধান
বলেন,
‘ওই
দাবি
সঠিক
নয়।
তদন্তে
পাওয়া
তথ্যপ্রমাণ
অনুযায়ী
পলাতক
ফয়সাল
বর্তমানে
ভারতে
অবস্থান
করছেন।‘
হত্যাকাণ্ডের
নেপথ্য
বিষয়ে
মো.
শফিকুল
ইসলাম
জানান,
পল্লবী
থানা
যুবলীগের
সভাপতি
ও
ঢাকা
উত্তর
সিটি
করপোরেশনের
সাবেক
কাউন্সিলর
তাজুল
ইসলাম
চৌধুরী
বাপ্পীর
নির্দেশেই
ওসমান
বিন
হাদিকে
হত্যা
করা
হয়।
তিনি
আরও
বলেন,
‘ওসমান
বিন
হাদি
হত্যা
মামলায়
আসামি
ও
সরাসরি
গুলিবর্ষণকারী
হিসেবে
চিহ্নিত
ফয়সাল
করিম
ছাত্রলীগের
সাবেক
নেতা।
তার
সহযোগী
হিসেবে
আদাবর
থানা
যুবলীগের
কর্মী
আলমগীরের
নামও
উঠে
এসেছে।
তবে
এখন
পর্যন্ত
এই
তিনজনকেই
গ্রেপ্তার
করা
সম্ভব
হয়নি।
তারা
সবাই
ভারতে
পালিয়ে
গেছেন
বলে
দাবি
করেন
তিনি।
এছাড়া
এ
ঘটনায়
গুলিবর্ষণকারী
ফয়সাল
করিমের
ভগ্নিপতি
এবং
‘ফিলিপ’
নামের
একজনও
পলাতক
রয়েছেন।‘
হত্যার
কারণ
সম্পর্কে
ডিবি
প্রধান
বলেন,
‘কার্যক্রম
নিষিদ্ধ
আওয়ামী
লীগবিরোধী
অবস্থান
নেওয়ায়
হাদিকে
হত্যা
করা
হয়েছে।‘
তিনি
জানান,
এ
মামলায়
ফয়সাল
করিম
মাসুদসহ
মোট
১৭
জনকে
অভিযুক্ত
করে
চার্জশিট
দেওয়া
হয়েছে।
এর
মধ্যে
১২
জন
গ্রেফতার
হয়েছেন
এবং
পাঁচজন
এখনো
পলাতক।
তদন্তে
আসামিদের
বিরুদ্ধে
অভিযোগ
প্রমাণিত
হওয়ায়
চার্জশিট
দাখিল
করা
হয়েছে
বলেও
তিনি জানান।
উল্লেখ্য,
আসন্ন ত্রয়োদশ
জাতীয়
সংসদ
নির্বাচন
ও
গণভোটের
তফসিল
ঘোষণার
পরদিন,
১২
ডিসেম্বর
ঢাকার
পুরানা
পল্টনের
বক্স-কালভার্ট
রোডে
একটি
চলন্ত
মোটরসাইকেল
থেকে
রিকশায়
থাকা
ওসমান
বিন
হাদিকে
মাথায়
গুলি
করা
হয়।
গুরুতর
আহত
অবস্থায়
তাকে
প্রথমে
ঢাকা
মেডিকেল
কলেজ
হাসপাতাল
এবং
পরে
এভারকেয়ার
হাসপাতালে
ভর্তি
করা
হয়।
অবস্থার
অবনতি
হলে
১৫
ডিসেম্বর
এয়ার
অ্যাম্বুলেন্সে
তাকে
সিঙ্গাপুরে
নেওয়া
হয়।
তিন
দিন
পর,
১৮
ডিসেম্বর
তিনি
মারা
যান।
এ
ঘটনায়
১৪
ডিসেম্বর
ইনকিলাব
মঞ্চের
সদস্যসচিব
আবদুল্লাহ
আল
জাবের
পল্টন
থানায়
ফয়সাল
করিম
মাসুদকে
আসামি
করে
হত্যাচেষ্টার
মামলা
করেন।
হাদির
মৃত্যুর
পর
মামলাটি
হত্যা
মামলায়
রূপ
নেয়।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত