প্রিন্ট এর তারিখ : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২১ ডিসেম্বর ২০২৫
দিরাইয়ে মৃত ব্যাক্তিকে নিয়ে তালবাহানাা
নাইম তালুকদার , সুনামগঞ্জ ||
সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার রফিনগর গ্রামে অসুস্থ মানুষের মৃত্যুকে নিয়ে অন্যকে ফাসাতে মরিয়া উঠেছেন পতিত আওয়ামী লীগের সরকারের কয়েকজন দুসর। সরেজমিনে এলাকাবাসীর কাছ থেকে জানাযায় গত শুক্রবারে রফিনগর গ্রামের আব্দুল বারী'র ছেলে আজিজুল হক জীবিকার তাগিদে কালিগুটা হাওরে কাজ করতে যান। দুই চার ঘন্টা কাজ করার পর আজিজুল হক বুকে ও পিঠে ব্যাথা ধরে। আজিজুল হক'কে হাওর থেকে স্থানীয় রফিনগর বাজারে তার আত্মীয় স্বজন পল্লী ডাক্তারের কাছে নিয়ে আসেন । পল্লী চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে আজিজুল হক'কে বাড়ী যাওয়ার নির্দেশ দেন। পরে আজিজুল হকের আত্মীয়রা তার শশুর বাড়ীতে নিয়ে যায়। সেখানে চার পাচ ঘন্টা আজিজুল হক ব্যাথা অনুভব করে নিজ শশুর বাড়ী রফিনগর বড় হাটিতে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। আজিজুলের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চলছে এলাকায় একের পর এক বিভিন্ন মিথ্যা মামলার হুমকি ও অর্থ বানিজ্য। আজিজুলের স্বাভাবিক মৃত্যুকে নিয়ে দিরাই শাল্লার পতিত আ'লীগের এমপি ডক্টর জয়া সেন গুপ্তার আশীর্বাদ পুষ্ট আলিউর রহমান, আসাদুজ্জামান, সাইফুর, ও রুস্তম আলী সহ কয়েকজন মিলে গড়ে তুলছেন এক সিন্ডিকেট। তারা আজিজুলের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে একের পর এক বিভিন্ন গোত্র বা জনগোষ্ঠীর কাছে নিয়মিত অর্থ আদায়ের বাহনা করতেছেন হত্যা মামলার ভয় দেখিয়ে,। অনুসন্ধানে জানা যায়, রফিনগর গ্রামে গত ১৩-ই নভেম্বর একটি সংঘর্ষ সংঘটিত হয়েছিল,। সেই ঘটনার পূর্ব শত্রুতার জের ধরে রফিনগর ইউনিয়নের সদস্য মামুন মেম্বার ও তার গোষ্ঠীর উপর আজিজুল হত্যার মামলা দায়ের করতে মরিয়া উঠেছেন এই আওয়ামীলীগের দূসরা। তারা প্রতিনিয়ত আজিজুল হকের মৃতুকে নিয়ে মিথ্যা সাজানো নাটকের পায়তারা করে আসছেন এ দাবী এলাকাবাসীর। ভুক্তভোগী রফিনগর গ্রামের বাসিন্দা বিলাল আহমদ, সুরজালাল, জাফরান সহ কয়েকজন জানান, আলী আকবরের নেতৃত্বে গত ১৩ - নভেম্বর তাদের ভাই ভাতিজা আমাদের উপর হামলা করে। সেই হামলার রেশ কাটতে না কাটতেই শুরু হয়েছে মিথ্যা বানোয়াট নাটক। আজিজুল হক জমিনে কাজ করতে গিয়ে ব্যাথা অনুভব করে স্বাভাবিক ভাবে মারা যান। এই মৃত মানুষের মৃত্যুকে পূজি করে আওয়ামীলীগের নেতা অলিউডর, আসাদুজ্জামান, সাইফুর ও রুস্তম তারা আমাদের উপর মিথ্যা নাটক সাজিয়ে হত্যা মামলা দিতে চায়। এবং এলাকাবাসীর কাছে বলাবলি করে আমরা নাকি আজিজুলকে হত্যা করেছি। রফিনগর গ্রামের সিংহ ভাগ মানুষ ও বাজারের ডাক্তার অবগত যে আজিজুল হক স্বাভাবিক ভাবে মারা যান। কিন্তু তারা এই মৃত্যুকে কেন্দ্র করে আমাদের উপর মামলা দায়ের করতে বিভিন্ন প্রকার ষড়যন্ত্র করে আসছেন। আমরা এলাকার অসহায় মানুষ। প্রতিনিয়ত তাদের আক্রমণে ও মিথ্যা মামলার শিকার। এখন আবার নতুন করে আজিজুল হত্যা। আমরা আজিজুল মরা যাওয়ার বিষয় নিয়ে কিছুই জানি না। এ ঘটনার প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্ত চাই। এব্যাপারে দিরাই থানার অফিসার ইনচার্জ এনামুল হক চৌধুরী বলেন, আমি এই এলাকাতে গিয়ে ছিলাম। লাশ ময়নাতদন্তের আমরা পাঠিয়েছি। রিপোর্ট আসার পর বোঝা যাবে।
কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত