প্রিন্ট এর তারিখ : ৩০ অক্টোবর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ৩০ অক্টোবর ২০২৬
ইজরাইলের নির্বাচনী সমীকরণ: নেতানিয়াহুর পতনের ঘণ্টা, আরবদের উত্থান ও গাজার রাজনৈতিক মূল্য
আসাদ পারভেজ ||
একুশ শতকের পৃথিবী উত্তাল। কখনও আরব বসন্ত, কখনও ফ্রান্স থেকে ইতালি কিংবা মোদির ভারতে সরকারবিরোধী জনবিদ্রোহ। এমূহুর্তে ভোটের কৌশলে এক দানবের পতনের বিজয় কেতন। ইজরাইলের রাজনীতিতে নতুন এক সমীকরণ তৈরি হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে দেশটির ক্ষমতার রাজনীতিতে আধিপত্য বিস্তার করে আসা প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এখন আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি অনিশ্চিত। সাম্প্রতিক নির্বাচনী আসন-প্রক্ষেপণে নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন ডানপন্থী জোটের আসন ৫৩। অন্যদিকে সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক শক্তির সম্ভাব্য আসন ৪৮ এবং আরব রাজনৈতিক জোটের (দ্য জয়েন্ট লিস্ট এবং রা’আম) সম্ভাব্য আসন ১৯ বলে যে হিসাব সামনে এসেছে, তা ইজরাইলের ক্ষমতার রাজনীতিতে তাৎপর্যপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত। ইজরাইলের পার্লামেন্ট নেসেটের আসন ১২০টি। সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ৬১ আসন। ৫৩ আসনে নেতানিয়াহুর জোট এককভাবে সরকার গঠনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে ৮ আসন দূরে। বিরোধীদের সামনেও একই চ্যালেঞ্জ। এবারের নির্বাচনী সমীকরণে আরব রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ (কিংমেকার) হয়ে উঠছে। গাজা যুদ্ধ, ফিলিস্তিনিদের ওপর ইজরাইলি সামরিক অভিযান, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নেতানিয়াহুর কূটনৈতিক বিচ্ছিন্নতা এবং ইজরাইলের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিভাজন কি শেষ পর্যন্ত তাঁর ক্ষমতার অবসান ঘটাবে? আর ইজরাইলের আরব নাগরিকদের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব কি এবার দেশটির সরকার গঠনের ক্ষেত্রে নির্ধারক শক্তিতে পরিণত হবে?নেতানিয়াহু ইজরাইলের দীর্ঘতম সময় ক্ষমতায় থাকা প্রধানমন্ত্রীদের একজন। তাঁর সাফল্যের ভিত্তি ছিল নিরাপত্তা, জাতীয়তাবাদ এবং ইহুদি রাষ্ট্রের অস্তিত্ব রক্ষার প্রশ্নকে কেন্দ্র করে জনসমর্থন সংগঠিত করা। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বে ইজরাইলে হামলার পর তাঁর সরকারের নিরাপত্তানীতি, গোয়েন্দা ব্যর্থতা এবং যুদ্ধ পরিচালনার কৌশল নিয়ে ব্যাপক প্রশ্ন তৈরি হয়। অবৈধ দেশটির ইতিহাসে ৭ অক্টোবর একটি গভীর নিরাপত্তা-আঘাত। হামাসের হামলায় প্রায় ১ হাজার ২০০ মানুষ নিহত এবং ২৫০ জনের বেশি মানুষকে জিম্মি করে গাজায় নিয়ে যাওয়া হয়। এই ঘটনা এ-রাষ্ট্রের নিরাপত্তাব্যবস্থার বড় ধরনের ব্যর্থতা। নেতানিয়াহুর জন্য সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক প্রশ্ন—একটি শক্তিশালী সামরিক ও গোয়েন্দা রাষ্ট্র কীভাবে এমন হামলা প্রতিরোধ করতে ব্যর্থ?পরিবার হারানো মানুষ, জিম্মিদের স্বজন এবং বিরোধী রাজনৈতিক শক্তি সরকারের কাছে জবাবদিহি দাবি করেছে। জিম্মিদের মুক্তি, যুদ্ধের সমাপ্তি এবং সরকারের দায়িত্ব নির্ধারণ নিয়ে ইজরাইলের অভ্যন্তরে একাধিকবার বড় ধরনের বিক্ষোভ হয়েছে। নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক সমস্যা কেবল বিরোধী দলের আন্দোলনে সীমাবদ্ধ নয়। তাঁর সরকারের উগ্র ডানপন্থী অংশ, ধর্মীয় জাতীয়তাবাদী গোষ্ঠী এবং মধ্যপন্থী রাজনৈতিক শক্তির মধ্যে নীতিগত দূরত্বও ক্রমশ বেড়েছে। এতে নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি নেতানিয়াহু দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক শক্তির ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করেছেন, সেই নিরাপত্তার প্রশ্নই এখন তাঁর রাজনৈতিক দুর্বলতার অন্যতম কারণ। হামাসের ৭ অক্টোবরের হামলার পর ইজরাইল গাজায় ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করে। ইজরাইল সরকারের ঘোষিত লক্ষ্য হামাসের সামরিক ও শাসনক্ষমতা ধ্বংস এবং জিম্মিদের মুক্ত করা। কিন্তু দীর্ঘ সামরিক অভিযানের পরও গাজার ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক ব্যবস্থার প্রশ্নের সমাধান হয়নি। বরং ব্যাপক প্রাণহানি, অবকাঠামো ধ্বংস, খাদ্যসংকট, বাস্তুচ্যুতি এবং মানবিক বিপর্যয় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা তৈরি করেছে।জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা গাজার মানবিক পরিস্থিতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে দক্ষিণ আফ্রিকার দায়ের করা গণহত্যা কনভেনশন-সংক্রান্ত মামলাও দেশটির জন্য আন্তর্জাতিক আইনি ও কূটনৈতিক চাপ সৃষ্টি করেছে। গাজা দখলের প্রশ্নে নেতানিয়াহুর সরকারের অবস্থানও বিতর্কিত। গাজার ওপর দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণ, নিরাপত্তা অঞ্চল সৃষ্টি, ফিলিস্তিনিদের ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রীয় অধিকার এবং যুদ্ধ-পরবর্তী প্রশাসন নিয়ে তাঁর সরকারের বিভিন্ন বক্তব্য আন্তর্জাতিক উদ্বেগ বাড়িয়েছে। এখানেই নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক কৌশলের একটি মৌলিক সীমাবদ্ধতা রয়েছে। সামরিক শক্তি দিয়ে কোনো ভূখণ্ডে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হলেও রাজনৈতিক বৈধতা অর্জন করা যায় না। গাজায় হামাসের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করা আর ফিলিস্তিনি জাতীয়তাবাদকে বিলুপ্ত করা এক বিষয় নয়। ইজরাইলের রাজনীতিতে আরব নাগরিকদের ভূমিকা ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হলেও সরকার গঠনের রাজনীতিতে তাঁদের অংশগ্রহণ দীর্ঘদিন সীমিত ছিল। দেশটির মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ আরব নাগরিক। তাঁদের মধ্যে মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ হলেও খ্রিষ্টান ও দ্রুজ জনগোষ্ঠীও রয়েছে। এই জনগোষ্ঠীর রাজনৈতিক দলগুলো (দ্য জয়েন্ট লিস্ট এবং রা’আম) শিক্ষা, কর্মসংস্থান, আবাসন, বৈষম্য, নাগরিক অধিকার এবং ফিলিস্তিন প্রশ্নে ভিন্ন ভিন্ন অবস্থান নিয়ে রাজনীতি করে। আরব রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, তারা ইজরাইলের নাগরিক হিসেবে রাষ্ট্রের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে। ফলে তাদের ভোট কেবল একটি জাতিগত বা ধর্মীয় পরিচয়ের প্রতিনিধিত্ব করে না; বরং রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারণী কাঠামোর ভেতরে নাগরিক অধিকার ও রাজনৈতিক অংশগ্রহণের দাবিও তুলে ধরে। ২০২১ সালে মানসুর আব্বাসের নেতৃত্বাধীন রা’আম দল নাফতালি বেনেট ও ইয়ার লাপিদের সরকার গঠনে অংশ নিয়ে ইজরাইলের রাজনীতিতে একটি ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিল। আরব রাজনৈতিক দল যে প্রয়োজনে সরকার গঠনের সমীকরণে অংশ নিতে পারে, সেই বাস্তবতা তখন স্পষ্ট হয়েছিল। তবে রা’আম, হাদাশ, তা’আল এবং অন্যান্য আরব রাজনৈতিক শক্তির মধ্যে আদর্শিক ও কৌশলগত পার্থক্য রয়েছে। তাই ১৯ আসনের সম্ভাব্য আরব প্রতিনিধিত্বকে একটি একক রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে ধরে নেওয়া ঠিক হবে না। তাদের মধ্যে সমন্বয় কতটা হবে, সেটিই হবে বড় প্রশ্ন। তবু একটি বিষয় পরিষ্কার: আরব রাজনৈতিক দলগুলো যদি একসঙ্গে অবস্থান নিতে পারে, তাহলে সরকার গঠনের সমীকরণে তারা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে উঠতে পারে।রাজনৈতিক বাস্তবতায় নেতানিয়াহুর সঙ্গে আরব জোটের সরকার গঠনের সমঝোতা অত্যন্ত কঠিন। বিশেষ করে গাজা যুদ্ধ, ফিলিস্তিনিদের অধিকার, পশ্চিম তীরের বসতি সম্প্রসারণ এবং আরব নাগরিকদের প্রতি রাষ্ট্রীয় নীতির প্রশ্নে নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন ডানপন্থী জোটের সঙ্গে আরব দলগুলোর মৌলিক মতপার্থক্য রয়েছে। তবে রাজনীতিতে কোনো সম্ভাবনাকে একেবারে শূন্য বলে ঘোষণা করা যায় না। আরব দলগুলোর কাছে নাগরিক অধিকার, বাজেট বরাদ্দ, শিক্ষা, আবাসন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং স্থানীয় উন্নয়নও গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বিষয়। ফলে তাদের কোনো কোনো দল নির্দিষ্ট শর্তে সরকারকে বাইরে থেকে সমর্থন করা কিংবা সংসদীয় সহযোগিতা করার পথ বেছে নিতে পারে। অন্যদিকে নেতানিয়াহুর বিরোধী শিবিরের সঙ্গেও আরব দলগুলোর সমঝোতার সম্ভাবনা তুলনামূলকভাবে বেশি হতে পারে। কিন্তু সেখানেও সমস্যা রয়েছে। বিরোধী শিবিরের সব দল ফিলিস্তিন প্রশ্নে একই অবস্থানে নেই। সুতরাং আরব দলগুলোর রাজনৈতিক গুরুত্ব বাড়লেও তাদের সরকারে অংশগ্রহণ নিশ্চিত নয়।নেতানিয়াহুর সম্ভাব্য নির্বাচনী পরাজয়কে শুধু গাজা যুদ্ধের ফল হিসেবে ব্যাখ্যা করা যাবে না। এর পেছনে রয়েছে কয়েকটি পরস্পরসম্পর্কিত কারণ। প্রথমত, ৭ অক্টোবরের নিরাপত্তা ব্যর্থতা। দ্বিতীয়ত, জিম্মিদের মুক্তি ও যুদ্ধের সমাপ্তি নিয়ে সরকারের কৌশলগত সীমাবদ্ধতা। তৃতীয়ত, বিচার বিভাগ সংস্কার নিয়ে ইজরাইলের অভ্যন্তরীণ বিভাজন। চতুর্থত, উগ্র ডানপন্থী মন্ত্রিসভার নীতির কারণে মধ্যপন্থী ভোটারদের অসন্তোষ। পঞ্চমত, গাজা যুদ্ধের আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক মূল্য। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ইরান, লেবাননের হিজবুল্লাহ এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি। ইজরাইল একাধিক ফ্রন্টে নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে। দীর্ঘ যুদ্ধের ফলে সামরিক রিজার্ভ ব্যবস্থার ওপর চাপ, অর্থনৈতিক ব্যয় এবং সামাজিক অস্থিরতাও বেড়েছে। তবে মনে রাখতে হবে, ইজরাইলি সমাজের একটি বড় অংশ এখনো নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়। এই বাস্তবতা নেতানিয়াহুর জন্য নির্বাচনে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ তৈরি করতে পারে। তাই জরিপে পিছিয়ে থাকা মানেই নির্বাচনে পরাজয় নয়। নেতানিয়াহু ক্ষমতা হারালেই ইজরাইলের ফিলিস্তিননীতি মৌলিকভাবে বদলে যাবে—এমন আশা করার কারণ নেই। তাঁর বিরোধী শিবিরের অনেক নেতাও ইজরাইলের নিরাপত্তা, সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব এবং ফিলিস্তিন প্রশ্নে কঠোর অবস্থানকে সমর্থন করেন। সাবেক সেনাপ্রধানদের নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক শক্তির ক্ষেত্রেও এই বাস্তবতা বিবেচনায় রাখা জরুরি। তবে নেতৃত্বের পরিবর্তন কিছু নীতিগত পরিবর্তনের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে। গাজায় যুদ্ধের অবসান, জিম্মিদের প্রশ্নে নতুন সমঝোতা, মানবিক সহায়তা প্রবেশ, আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে পুনঃসম্পর্ক স্থাপন এবং ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে নতুন আলোচনা শুরু হতে পারে। এখানে আরব রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা যদি শুধু আসনসংখ্যা বাড়ানোর রাজনীতিতে সীমাবদ্ধ না থেকে নাগরিক সমতা, বৈষম্য নিরসন, ফিলিস্তিনিদের অধিকার এবং আঞ্চলিক শান্তির প্রশ্নে কার্যকর সংসদীয় ভূমিকা রাখতে পারে, তাহলে ইজরাইলের রাজনৈতিক কাঠামোয় নতুন মাত্রা যোগ হবে। ইজরাইলের আসন্ন নির্বাচনের সবচেয়ে বড় তাৎপর্য কেবল নেতানিয়াহুর ক্ষমতায় থাকা কিংবা না-থাকার প্রশ্ন নয়। বরং দেশটির রাজনৈতিক ব্যবস্থা কতটা বহুত্ববাদী হতে পারবে, আরব নাগরিকদের প্রতিনিধিত্ব কতটা কার্যকর হবে এবং ফিলিস্তিন প্রশ্নে সামরিক আধিপত্যের রাজনীতি থেকে রাজনৈতিক সমাধানের পথে ফিরতে পারবে কি না—সেই প্রশ্নও এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে।নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ শুধু নিজের দলের জনপ্রিয়তার ওপর নির্ভর করছে না; নির্ভর করছে বিরোধী শিবিরের ঐক্য, আরব দলগুলোর কৌশল এবং ইজরাইলি সমাজের যুদ্ধক্লান্ত জনমতের ওপরও। ইতিহাসের একটি নির্মম শিক্ষা হলো, সামরিক শক্তি দিয়ে ভূখণ্ড দখল করা যায়, কিন্তু মানুষের রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষা দখল করা যায় না। গাজা সেই সত্য আবারও সামনে এনেছে। ফিলিস্তিনিদের রাষ্ট্রীয় অধিকার ও মর্যাদার প্রশ্নের রাজনৈতিক সমাধান ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। নেতানিয়াহু ক্ষমতা হারান কিংবা ক্ষমতায় টিকে থাকেন—দেশটির সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো যুদ্ধের রাজনীতি থেকে শান্তির রাজনীতিতে ফিরে আসা। আরব রাজনৈতিক শক্তির সম্ভাব্য উত্থান সেই পরিবর্তনের একটি সুযোগ তৈরি করতে পারে। কিন্তু সেই সুযোগ বাস্তবে রূপ নেবে কি না, তার উত্তর দেবে পরবর্তী সরকার গঠনের সমীকরণ।আসাদ পারভেজলেখক: ভূরাজনীতির গবেষক ও রাষ্ট্রচিন্তক
কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত