প্রিন্ট এর তারিখ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিশ্বমঞ্চে যাওয়ার গল্প শোনালেন হাফেজ নাজমুস সাকিব
||
বিশ্বজয়ী হাফেজ মাওলানা নাজমুস সাকিব ‘আল ইক্করা মাদরাসার’ হাফেজ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সময় কাটিয়েছেন। এ সময় তিনি বিশ্বজয়ী তেলওয়াত প্রতিযোগিতায় প্রথম হওয়ার গল্প ও নিজ কণ্ঠে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত করে শোনান।বৃহস্পতিবার সকালে ‘ইক্বরা ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউ’ পরিচালক এম সাইফুল ইসলাম দিদারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্বজয়ী হাফেজ কোরআন নাজমুস সাকিব। মাদরাসার হাফেজসহ তিন শতাধিক শিক্ষার্থী এ সময় উপস্থিত ছিলেন। শিক্ষার্থীরা মনোযোগ দিয়ে বিশ্বজয়ীর তিলাওয়াত শোনেন। এ ছাড়া বিশেষ অতিথি ছিলেন- আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত ক্বারী হাফেজ মাহফুজুর রহমান, মাদরাসার চেয়ারম্যান শাহদাত হোসেন মুরাদ।অনুষ্ঠানে হাফেজ নাজমুস সাকিব বলেন, গ্রামীণ এলাকায় মাদরাসার শিক্ষার্থীরা আসলে বিশ্বমঞ্চে অংশগ্রহণ কীভাবে করতে হয়- তা জানে না। আমি তাই আমার জীবনের গল্পের মাধ্যমে জানাতে চেষ্টা করেছি- কীভাবে নিজকে বিশ্বমঞ্চের জন্য তৈরি করতে হবে। একইসাথে সবাইকে আমার নিজের কণ্ঠের তেলওয়াত শুনানোর চেষ্টা করেছি। ইক্বরা ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউ প্রধান এম সাইফুল ইসলাম দিদার বলেন, ‘বিশ্বজয় যাদের স্বপ্ন, আমরা আছি তাদের সাথেই’ এই প্রতিজ্ঞা বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে আমাদের ইকরা ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট বিশ্বমঞ্চে যেন অবদান রাখতে পারে, এ কারণে আমরা বিশ্বজয়ী হাফেজ, ইন্টারন্যাশনাল কিরাত প্রতিযোগিতার চ্যাম্পিয়ন, বিশ্বজয়ী হাফেজ নাজমুল সাকিবকে আমাদের মাদরাসায় এনেছি। বিশেষ করে বিশ্বজয়ী হাফেজ নাজমুল সাকিবকে অনেকে ইউটিউব বা বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখেন, সরাসরি আনার উদ্দেশ্য হচ্ছে- যেন তারাও যেন এই প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে হাজার হাজার বিশ্বজয়ী হাফেজ নাজমুল সাকিবের মতো আরও বিশ্বজয়ী হয়।নাজমুস সাকিব ২০১৩ সালে আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় বিশ্বজয় করেন। সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত মর্যাদাপূর্ণ দুবাই আন্তর্জাতিক পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতায় তিনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগীদের পেছনে ফেলে প্রথম স্থান অর্জন করেছিলেন। তার এই অর্জনে সে সময় বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এক বড় গৌরব অর্জন করেন।
কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত