প্রিন্ট এর তারিখ : ১২ আগস্ট ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬
এমপির স্বাক্ষর জাল করে ১০০ কোটি টাকা ঋণের আবেদনা
ধ্রুবকন্ঠ ডেক্স ||
ঢাকা-১ (দোহার-নবাবগঞ্জ) আসনের
সংসদ সদস্য এবং ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাকের স্বাক্ষর জাল করে একটি
চক্র ১০০ কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নবাবগঞ্জ থানায়
সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন সংসদ সদস্য নিজেই।গত শুক্রবার গোপনে জিডি করার
পর আজ মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানান খন্দকার আবু আশফাক।জিডিতে
বলা হয়েছে, সংসদ সদস্যের নাম ও পরিচয় ব্যবহার করে তার স্বাক্ষর জাল করে ঋণ নেওয়ার প্রয়োজনীয়
কাগজপত্র তৈরি করা হয়। এর মধ্যে ১০০ কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার একটি প্রস্তাবনা ও অঙ্গীকারনামা
রয়েছে। অঙ্গীকারনামায় উল্লেখ করা হয়, সংসদ সদস্য তার কোটার কাজ থেকে ঋণের ওই অর্থ পরিশোধ
করবেন।বিষয়টি জানার পর খোঁজ নিয়ে
সংসদ সদস্য ও তার পক্ষের লোকজন জানতে পারেন, তার স্বাক্ষর ব্যবহার করে বড় অঙ্কের ঋণ
নেওয়ার চেষ্টা করছে একটি চক্র। এরপর প্রতারণার মাধ্যমে কোনো আর্থিক লেনদেন বা ঋণ অনুমোদন
যাতে না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয়।একই
সঙ্গে, জাল স্বাক্ষর ও কাগজপত্র তৈরির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনি ব্যবস্থা
নেওয়ার দাবিতে নবাবগঞ্জ থানায় জিডি করা হয়।সংসদ
সদস্য খন্দকার আবু আশফাক বলেন, তার স্বাক্ষর জাল করে ১০০ কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার চেষ্টা
করা হয়েছে বলে জানতে পেরেছেন তিনি।তার অনুমতি ছাড়া তার স্বাক্ষর
ও পরিচয় ব্যবহার করে কোনো ধরনের আর্থিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার সুযোগ নেই। বিষয়টি আইন-শৃঙ্খলা
রক্ষা বাহিনীকে জানানো হয়েছে। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বের করার দাবি জানিয়েছেন
তিনি।এ ঘটনায় কয়েকটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের
কর্মকর্তারা বলেন, কোনো জনপ্রতিনিধির স্বাক্ষর জাল করে এত বড় অঙ্কের ঋণ নেওয়ার চেষ্টা
গুরুতর প্রতারণার ঘটনা। এতে শুধু একজন ব্যক্তির পরিচয় ও সুনাম ব্যবহার করা হয়নি, একই
সঙ্গে একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেও প্রতারণার চেষ্টা করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে
জালিয়াতির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।জিডির বিষয়টি নিশ্চিত করে নবাবগঞ্জ
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু হানিফ বলেন, এ বিষয়ে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি
হয়েছে। অভিযোগটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের পর ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত এবং কী উদ্দেশ্যে
সংসদ সদস্যের স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে, তা জানা যাবে।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত