প্রিন্ট এর তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৯ আগস্ট ২০২৬
দেশের মানুষ যাতে শান্তিতে থাকতে পারে, সেটিই প্রধান লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রীা
ধ্রুবকন্ঠ ডেক্স ||
দেশের মানুষ যাতে শান্তিতে
থাকতে পারে, সেটিই সরকারের প্রধান লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তিনি বলেছেন, ‘নির্বাচনের আগে যেভাবে একসঙ্গে কাজ করেছি, নির্বাচনের পরেও দেশ গঠনের
কাজে আমাদের একসঙ্গে থাকতে হবে।’আজ রবিবার (৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় হাটহাজারী পার্বতী মডেল সরকারি উচ্চ
বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত সভায় তিনি এ কথা বলেন।তিনি বলেন, ‘দেশের মানুষের চিকিৎসা, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা
করতে হবে। হাসপাতাল, স্কুল-কলেজ, মাদরাসা, রাস্তাঘাট, সেতু, কালভার্টসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর
উন্নয়ন করতে হবে।’ আলেম-ওলামাদের সরকারের সহযোগী
উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ‘আপনারা সরাসরিভাবে সরকারে নেই, কিন্তু সরকারের সহযোগী
হিসেবে আছেন। দেশের মানুষকে
সঠিক পথে পরিচালনা ও দেশকে সঠিকভাবে এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব শুধু সরকারের একার নয়।’তিনি আরও বলেন, ‘বিগত সরকারের সময়ে দেশের অর্থ-সম্পদ লুটপাট করে
বিদেশে পাচার করা হয়েছে। এর ফলে বর্তমানে দেশের মানুষকে বিভিন্ন সমস্যার খেসারত দিতে
হচ্ছে।’গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিগত সময়ে
পরিকল্পনাহীনভাবে কাজ করার কারণে বর্তমানে দেশের মানুষকে তার খেসারত দিতে হচ্ছে।’ গ্যাসের
যে সমস্যা চলছে, তা আগামী পাঁচ থেকে সাত দিনের মধ্যে অনেকটা কমে আসবে বলে আশা প্রকাশ
করেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এমন একটি বাংলাদেশ তৈরি করতে চাই, যেখানে
বাংলাদেশের মানুষ ও সন্তানরা খেয়ে-পড়ে বেঁচে থাকবে, শান্তিতে থাকবে। সবাই নিজ নিজ ধর্ম
পালন করবে এবং শান্তিতে বসবাস করবে।’এর আগে বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজার
ও চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী ও ফটিকছড়ি উপজেলায় যান। সেখান থেকে বিকেল সাড়ে পাঁচটার
দিকে সড়ক পথে হাটহাজারী পৌর সদরস্থ আল জামিয়াতুল দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম প্রকাশ হাটহাজারী
মাদরাসা পৌঁছান।সেখানে তিনি প্রয়াত হেফাজতের আমির মরহুম শাহ আহমদ শফী ও মহাসচিব
জুনাইদ বাবুনগরীর কবর জিয়ারত করেন। পরে তিনি জেলা পরিষদ ডাকবাংলোতে বিশ্রাম নিয়ে সন্ধ্যার
দিকে হাটহাজারী পার্বতী মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উপস্থিত হন। সেখানে তিনি বন্যায়
ক্ষতিগ্রস্ত ৩০টি পরিবারকে ঘর নির্মাণের সহায়তা হিসেবে প্রতি পরিবারকে ১ লাখ টাকা এবং
১৫ জন প্রতিবন্ধীকে শুভেচ্ছা উপহার হিসেবে প্রত্যেককে ১০ হাজার করে আর্থিক অনুদান তুলে
দেন।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত