প্রিন্ট এর তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬
প্রতারণা মামলায় ১০ দিনের জামিন পেলেন রিজেন্টের সাহেদা
ধ্রুবকন্ঠ ডেক্স ||
করোনার নমুনা পরীক্ষা নিয়ে
জালিয়াতি নিয়ে আলোচনায় আসা রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ করিমের এক
প্রতারণা মামলার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেলে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ
এহসানুল ইসলামের আদালত এই আদেশ দেন।আসামি পক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ
দবির উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মামলাটির বাদীর সঙ্গে আপসের শর্তে
পাঁচ হাজার টাকার মুচলেকায় ১০ দিনের জন্য জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত। তবে তার বিরুদ্ধে
অন্যান্য মামলা থাকায় তিনি এখনই কারামুক্ত হতে পারছেন না।২০২০
সালের ১৩ জুলাই মেসার্স মাসুদ এন্টারপ্রাইজ পক্ষে আসামি সাহেদ করিমের বিরুদ্ধে আদালতে
মামলাটি দায়ের করেন ওই প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকার মো. সাইফুল্লাহ মাসুদ।বাদীর অভিযোগে উল্লেখ করা হয়,
২০১৮ সাল থেকে এই মামলার বাদী আসামিকে বিভিন্ন সময় নির্মাণসামগ্রী সরবরাহ করেন। আসামির
কথামতো বাদী পণ্য সরবরাহ করে থাকতেন। প্রথমে কিছু টাকা নগদ দিলেও পরবর্তীতে চেকের
মাধ্যমে টাকা পরিশোধ করতেন। পণ্যের জন্য আসামি সাহেদ বাদীকে প্রাইম ব্যাংকের সর্বমোট
এক কোটির ৪টি চেক প্রদান করেন।পরবর্তীতে বাদী ওই চেকগুলো নগদায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট
ব্যাংকে উপস্থাপন করলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ব্যাংকে কোনো টাকা নেই মর্মে ফেরত দেন।অভিযোগে আরো উল্লেখ কর হয়,
বাদী আসামিকে এই বিষয়ে অবহিত করলে আসামি দিচ্ছি বলে কালক্ষেপণ করতে থাকেন। ২০২০ সালের
২৬ জুন আসামির কাছে পাওনা টাকা চাইতে গেলে বাদীকে সাফ জানিয়ে দেয় যে, টাকা দিতে পারবে
না এবং বেশি বাড়াবাড়ি করলে জানে মেরে ফেলবে। ওই ঘটনায় বাদী উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি
সাধারণ ডায়েরি করেছেন বলে অভিযোগ উল্লেখ করা হয়।উল্লেখ্য,
অস্ত্র, প্রতারণা, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনসহ বিভিন্ন অভিযোগে সাহেদের বিরুদ্ধে
৩৫টিরও বেশি মামলা দায়ের করা হয়।২০২০ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর অস্ত্র আইনের এক মামলায় তিনি যাবজ্জীবন
কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন। পরে বিভিন্ন মামলায় জামিন লাভের পর প্রায় চার বছর কারাভোগ শেষে
২০২৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর কারামুক্ত হন তিনি।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত