প্রিন্ট এর তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬
পরিবেশবান্ধব কৃষি ও জলবায়ু সহনশীলতা নিশ্চিত করতে হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীা
ধ্রুবকন্ঠ ডেক্স ||
খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি
পরিবেশবান্ধব কৃষি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবেলায় সহনশীলতা গড়ে তোলার ওপর
গুরুত্বারোপ করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।আজ সোমবার (২৭ জুলাই ২০২৬) ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের
সঙ্গে বাংলাদেশে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) আবাসিক প্রতিনিধি ও কান্ট্রি ডিরেক্টর
কোকো এইচ উশিয়ামা সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে এই কথা বলেন তিনি।সাক্ষাতে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী খাদ্য
নিরাপত্তা, পুষ্টি, সামাজিক সুরক্ষা এবং মানবিক সহায়তায় বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের অংশীদার
হিসেবে ডব্লিউএফপির ভূমিকার প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে সীমিত সম্পদের মধ্যেও বাংলাদেশে
আশ্রয় নেওয়া জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের (রোহিঙ্গা) জন্য ডব্লিউএফপির
অব্যাহত সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি রোহিঙ্গাদের খাদ্য ও পুষ্টি সহায়তা নির্বিঘ্ন
রাখতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ধারাবাহিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।তিনি বাংলাদেশের স্কুল মিলস কর্মসূচিতে ডব্লিউএফপির অবদানও প্রশংসা করেন এবং
জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করতে সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব কৃষি
সম্প্রসারণ এবং সরকার পরিচালিত দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির কথা তুলে ধরে এসব
উদ্যোগে, বিশেষ করে ডব্লিউএফপির কার্যপরিধির আওতায় থাকা ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচিসহ
বিভিন্ন সরকারি উদ্যোগে সহযোগিতা কামনা করেন। এছাড়া নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টেকসই
উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে সহযোগিতা আরো জোরদারের আহ্বান জানান।জবাবে কোকো এইচ উশিয়ামা বলেন,
ক্ষুধার মূল কারণগুলো মোকাবিলা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে কৃষি, খাদ্য নিরাপত্তা
ও পুষ্টির ওপর ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি, বিশেষ করে নারী ও শিশুদের সুরক্ষায় ডব্লিউএফপি
কাজ করে যাচ্ছে।তিনি খুলনা বিভাগ ও হবিগঞ্জে
চলমান কার্যক্রমের পাশাপাশি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, জলবায়ু সহনশীলতা, দুর্যোগ
ব্যবস্থাপনা এবং ভূমিকম্প প্রস্তুতি বিষয়ে ডব্লিউএফপির বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে
ধরেন।বৈঠকে উভয় পক্ষই খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত
করা এবং টেকসই উন্নয়ন এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও ডব্লিউএফপির অংশীদারি আরো জোরদারের
অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে একটি নিরাপদ, জলবায়ু-সহনশীল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ
গড়ে তুলতে যৌথভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত