প্রিন্ট এর তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুলাই ২০২৬
বাকৃবির ফজলুল হক হলে নবীনবরণ ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিতা
মোঃ আবু হানিফ , বাকৃবি প্রতিনিধি ||
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) ফজলুল হক হলের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবাগত শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১০ জুলাই) সন্ধ্যায় হলের কমনরুমে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে নবীন শিক্ষার্থীদের হল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মকানুন, হলজীবন এবং শিক্ষার্থীজীবনের বিভিন্ন অভিজ্ঞতা নিয়ে আলোচনা করা হয়।ফজলুল হক হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো তোফাজ্জল হোসেন হাওলাদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আমীর হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবির কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. জি এম মুজিবর রহমান। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বাকৃবির প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবদুল আলীম, কীটতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মাসুম আহমাদ, কেমিস্ট ক্রপ কেয়ার অ্যান্ড অ্যাগ্রোবায়োটেক লিমিটেডের সিইও কৃষিবিদ মো. সিরাজুল ইসলাম, হলের বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থী এবং ৮৩ জন নবীন শিক্ষার্থী।অনুষ্ঠানে বাকৃবির প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবদুল আলীম বলেন, “শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও মানসিকভাবে পরিপক্ব হওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হতে হবে। এসব কার্যক্রম ভবিষ্যতে চাকরির ক্ষেত্রে তোমাদের এগিয়ে রাখবে। তবে পড়াশোনার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় ও হলের নিয়মকানুন মেনে চলতে হবে। নিয়ম ভঙ্গ করলে শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। আমরা সবসময় তোমাদের সহযোগিতা করার জন্য প্রস্তুত আছি।”অধ্যাপক ড. মাসুম আহমাদ বলেন, “একজন ভালো শিক্ষার্থী কখনো হল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মকানুন ভঙ্গ করে না। তোমরাও তা করবে না। হলের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সবসময় প্রভোস্টের নির্দেশনা মেনে চলবে।”অধ্যাপক ড. জি এম মুজিবর রহমান বলেন, “হল ও বিশ্ববিদ্যালয় হলো আনন্দ ও শান্তির জায়গা। তবে নিয়মকানুন ভঙ্গ করলে তা নিজেদের জন্যই ক্ষতির কারণ হতে পারে।”জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আমীর হোসেন বলেন, “এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু তোমাদের একটি সনদ দেবে না, বরং একজন ভালো মানুষ হিসেবেও গড়ে তুলতে সহায়তা করবে। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জ্ঞান অর্জনের পর তোমরা দেশের কল্যাণে কাজ করার জন্য দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়বে।”অনুষ্ঠানের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো তোফাজ্জল হোসেন হাওলাদার বলেন, “পাঠ্যবই হচ্ছে শিক্ষার মূল ভিত্তি। তাই পাঠ্যবই পড়াকে কখনো অবহেলা করা যাবে না। তোমাদের যেকোনো সমস্যায় সহযোগিতা করার জন্য আমরা সবসময় প্রস্তুত আছি। তোমাদের সমস্যাগুলো আমাদের সঙ্গে শেয়ার করলে তা সমাধানের চেষ্টা করা হবে। শিগগিরই হলের আবাসন সংকট সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।”
কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত