প্রিন্ট এর তারিখ : ১৭ মে ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মে ২০২৬
নোবিপ্রবির বঙ্গবন্ধু পরিষদের নেতাকে নোয়াখালী জেলা বিএনপি'র প্রত্যয়নপত্র দেওয়ার অভিযোগ া
নোবিপ্রবি প্রতিনিধি ||
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত গনিত বিভাগের প্রফেসর ও ট্রেজারার ড. মোহাম্মদ হানিফ নোবিপ্রবি বঙ্গবন্ধু পরিষদের নেতা ছিলেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এইদিকে বঙ্গবন্ধু পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত একটি প্রোগ্রামের ব্যানারে তাকে দেখা যায়। এছাড়া বঙ্গবন্ধু ম্যুরালেও তাকে ফুল দিতে দেখা যায়। সেই ব্যক্তিকে নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর আলো এবং সদস্য সচিব হারুনুর রশিদ আজাদ কর্তৃক প্রত্যয়নপত্র দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় এবং নোয়াখালী জেলায় ব্যাপক সমালোচনার ঝড় উঠেছে।শনিবার (১৬ মে) প্রফেসর হানিফকে নোয়াখালী জেলা বিএনপি কর্তৃক দেওয়া প্রত্যয়নপত্রের একটি কপি এই প্রতিবেদকের হাতে আসে।প্রত্যয়নপত্রে উল্লেখ করা হয়, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ হানিফ (মুরাদ), পিতা: আবদুল মান্নান, মাতা: শামছুন্নাহার বেগম, স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: দক্ষিণ লক্ষ্মীপুর, ডাকঘর: সোনাপুর, সদর, নোয়াখালী-৩৮০২, বর্তমান কর্মস্থল: নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী-৩৮১৪, অধ্যাপক (গ্রেড-১) ও ট্রেজারার, একজন স্বনামধন্য শিক্ষাবিদ, গবেষক ও অভিজ্ঞ প্রশাসক। তিনি আমাদের নিকট সুপরিচিত এবং একই উপজেলার স্থায়ী বাসিন্দা হওয়ায় তাঁর সম্পর্কে আমরা সম্যক অবগত। ছাত্রজীবন থেকেই মেধা, নেতৃত্বগুণ এবং শৃঙ্খলার পরিচয় দিয়ে আসছেন। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে তিনি কৃতিত্বের সাথে শিক্ষা কার্যক্রম সম্পন্ন করার পাশাপাশি বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রম, সংগঠন পরিচালনা এবং সামাজিক কর্মকান্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন।প্রত্যয়নপত্রে আরো উল্লেখ করা হয়, হানিফ ছাত্রজীবন থেকেই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের আদর্শে বিশ্বাসী একজন নিবেদিতপ্রাণ ও সক্রিয় সমর্থক হিসেবে ভুমিকা রেখে আসছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালীন সময়েও তিনি দলীয় বিভিন্ন কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং সংকটময় সময়ে দক্ষতা ও নেতৃত্বের পরিচয় দেন। উল্লেখ্য তিনি চট্টগ্রাম বিশ্বদ্যিালয়ের গণিত বিভাগ হইতে অনার্স ও মাস্টার্স উভয় পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণীতে প্রথম স্থান অর্জন করেন এবং আর্ন্তজাতিক খ্যাতি সম্পন্ন গণিত ও ভৌত বিজ্ঞানী প্রফেসর ড. জামাল নজরুল ইসলামের অধীনে এমফিল ও পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন করেন।
কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত