প্রিন্ট এর তারিখ : ১৩ মে ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
বেরোবি লাইব্রেরি: ভেতরে বই থাকলেও বাইরে বসে পড়ছেন শিক্ষার্থীরাা
রিফাত ইসলাম, বেরোবি প্রতিনিধি ||
রংপুরের
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে বই নিয়ে ভেতরে বসে পড়ার
সুযোগ না থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন শিক্ষার্থীরা। লাইব্রেরির ভেতরে বই ইস্যু করে পড়ার
ব্যবস্থা না থাকায় অনেক শিক্ষার্থীকে বাইরে বসেই পড়াশোনা করতে হচ্ছে। এতে রোদ-বৃষ্টি
কিংবা প্রতিকূল আবহাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়ছেন তারা।সরেজমিনে
দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিটি দুই তলাবিশিষ্ট। নিচতলায় রয়েছে কম্পিউটার
ল্যাব ও আর্কাইভ এবং দ্বিতীয় তলায় অনুষদভিত্তিক পাঠকক্ষ ও জার্নাল কর্নার রয়েছে। সেখানে
নির্দিষ্ট স্থানে বসে বই পড়তে হয়। লাইব্রেরির
ভেতরে হাতে গোনা কয়েকজন শিক্ষার্থীকে পড়াশোনা করতে দেখা যায়। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ,
বিভাগভিত্তিক প্রয়োজনীয় বইয়ের সংকট এবং নতুন সংস্করণের বই না থাকায় তারা কাঙ্ক্ষিতভাবে
পড়াশোনা করতে পারছেন না।অন্যদিকে,
লাইব্রেরির বাইরে তুলনামূলক বেশি সংখ্যক শিক্ষার্থীকে পড়তে দেখা যায়। কেউ চাকরির প্রস্তুতি
নিচ্ছেন, আবার কেউ একাডেমিক পড়াশোনায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।শিক্ষার্থীরা
বলছেন, পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা ও প্রয়োজনীয় বইয়ের ব্যবস্থা করা হলে লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের
প্রাণকেন্দ্র হয়ে উঠবে। গণযোগাযোগ
ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী আরিফুজ্জামান আকাশ বলেন, এমন কোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়
আছে, যেখানে শিক্ষার্থীদের লাইব্রেরির পেছনে বা চারপাশের খোলা জায়গায় বসে পড়াশোনা করতে
হয়? প্রতিনিয়ত মশার কামড় সহ্য করতে হয়। বিশেষ করে সকাল ও সন্ধ্যায় মশার উপদ্রব তীব্র
আকার ধারণ করে। লাইব্রেরি সম্প্রসারণ করে তিন বা চারতলা করা হলে ভেতরে বসে পড়াশোনার
সুযোগ পেতাম।অর্থনীতি
বিভাগের শিক্ষার্থী রায়হান কবির বলেন, আমরা বাইরে বসে পড়াশোনা করি। পাশেই খেলার মাঠ
থাকায় সেখানকার শব্দে মনোযোগ ধরে রাখা যায় না। প্রশাসনের উচিত শিক্ষার্থীবান্ধব ও উপযোগী
পরিবেশ নিশ্চিত করা।এ
বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্ট্রাল লাইব্রেরি এন্ড ইনফরমেশন সেন্টারের গ্রন্থাগারিক ড.
মো. মনিরুজ্জামান বলেন,আমাদের হাতে পর্যাপ্ত বাজেট নেই, তাই ইচ্ছা থাকলেও লাইব্রেরি
সম্প্রসারণ করা সম্ভব হচ্ছে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য অবকাঠামো উন্নয়ন হলেও লাইব্রেরির
জন্য প্রয়োজনীয় বাজেট দেওয়া হচ্ছে না, যার কারণে আমরা সীমাবদ্ধতার মধ্যে কাজ করছি।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত