প্রিন্ট এর তারিখ : ১৪ মার্চ ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মার্চ ২০২৬
সুস্থ ও সুন্দর জীবনের জন্য বিয়ের কিছু উপকারিতাা
ধ্রুবকন্ঠ ডেক্স ||
সৃষ্টির
শুরু থেকেই নারী-পুরুষ একে অপরের ওপর নির্ভরশীল। নারীকে
ছাড়া
পুরুষ
আবার
পুরুষকে
ছাড়া
নারীর
জীবন
অসম্পূর্ণ।
মহান আল্লাহ
তাআলা হযরত
আদম
(আ.)-কে সৃষ্টি
করার
পর
হজরত
হাওয়া
(আ.)-কে তাঁর জীবনসঙ্গী রূপে
সৃষ্টি
করেন
এবং
তাঁদের
বিয়ের
ভালোবাসার
বন্ধনে
আবদ্ধ
করে
দেন।
সেই
ধারাবাহিকতা
এখনো
পৃথিবীতে
চলমান রয়েছে।এমনকি অনন্ত অনাবিল সুখের জান্নাতেও নারী-পুরুষ পরস্পরের সঙ্গবিহীন অতৃপ্ত থাকবে।পবিত্র কোরআনে এসেছে, ‘আর তাঁর (আল্লাহ) নিদর্শনাবলির মধ্যে রয়েছে যে তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের থেকেই স্ত্রীদের সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে প্রশান্তি পাও। আর তিনি তোমাদের মধ্যে ভালোবাসা ও মায়া সৃষ্টি করেছেন।’ (সুরা রুম, আয়াত : ২১)বিয়ের বহুমুখী উপকারিতা রয়েছে। যেমন—১. গুনাহ ও পাপাচার থেকে নিজেকে সংবরণ করার মাধ্যমে নারী-পুরুষ উভয়ের ঈমান, ইসলাম ও সতীত্ব রক্ষা করতে পারে।২. নারী জাতির তত্ত্বাবধান ও রক্ষণাবেক্ষণ হয়।৩. নারীর সম্মানজনক জীবন-জীবিকা সহজ হয়। ৪. পুরুষ একজন আমানতদার নির্ভরযোগ্য সঙ্গিনী লাভ করে।৫.
বৈধ
পন্থায়
মানববংশের
বিস্তার
হয়।৬. সৃষ্টিগত
ও
স্বভাবজাত
যৌনচাহিদা
পূরণের
বৈধ
ও
নিরাপদ
ব্যবস্থা
বিয়ে।৭. নারী-পুরুষ উভয়ের মানসিক
স্বস্তি,
তৃপ্তি
ও
প্রফুল্ল
অর্জন
হয়,
যা
বিয়ে
ছাড়া
অন্য
কোনো
উপায়ে
সম্ভব
নয়।৮. নবীজি (সা.)সহ সব নবীর একটি মহৎ সুন্নতকে
বাস্তবায়ন
করা
হয়।
(সহি
মুসলিম,
হাদিস
: ১৪০০;
আওজাজুল
মাসালিক
: ৪/২৩৬)৯. মানবশিশু
তাদের
প্রকৃত
পরিচয়
লাভ
করত
সঠিক
লালন-পালন ও পৃষ্ঠপোষকতা
লাভ
করে।১০.
বিয়ের
দ্বারা
রিজিকে
বরকত
ও
জীবনে
প্রাচুর্য
আসে।
রাসুলুল্লাহ
(সা.)
বলেন,
‘তোমরা
বিয়ে
করো,
স্ত্রীরা
স্বীয়
ভাগ্যে
তোমাদের
কাছে
সম্পদ
টেনে
আনবে।’
(মুসনাদে
বাজ্জার,
হাদিস
: ১৪০২)১১. অবিবাহিত
থাকলে
মানসিক
বা
শারীরিক
রোগ
ও
জটিলতা
তৈরির
আশঙ্কা
থাকে।১২. অবাধ ও অবৈধ যৌনতা এইডসের
মতো
মারণব্যাধিতে
আক্রান্ত
হওয়ার
পথ
খুলে
দেয়।
আর
বিয়ে
তা
থেকে
মানুষকে
পরিত্রাণ
দেয়।১৩. অবৈধ যৌন সম্পর্ক
সামাজিক
শৃঙ্খলা
নষ্ট
করে।১৪. বিয়ে মানুষকে
সংসারী
করে।
ফলে
পুরুষরা
দায়িত্বসচেতন
ও
কর্মমুখী
হয়।
ভোগের
মানসিকতা
দূর
হয়।
তদ্রূপ
নারীরাও
দায়িত্বসচেতন
ও
বাস্তবমুখী
হয়।১৫. স্বামী-স্ত্রী
একে
অপরকে
উৎসাহ
দিয়ে
সুন্দর
পৃথিবী
বিনির্মাণের
পথ
সুগম
করে।
রাসুলুল্লাহ
(সা.)-এর নবুয়ত লাভের সময় আকস্মিক
ওহিপ্রাপ্তিতে
ভয়
পেলে
হজরত
খাদিজা
(রা.)
তাঁকে
অভয়
দেন
এবং
তাঁর
পাশে
থাকার
ঘোষণা
দেন।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত