নওগাঁ-৬ ( রাণীনগর-আত্রাই ) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আলমগীর কবিরের এক কর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে বিএনপির প্রার্থী শেখ মো. রেজাউল ইসলাম রেজুর কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে। গত সোমবার বিকালে রাণীনগর উপজেলার পাকুরিয়া এলাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর (মোটরসাইকেল প্রতীকের) লিফলেট বিতরণের সময় তানসেন নামে এক যুবককে মারধর করা হয়।
মামলা না নেওয়ার বিষয়ে রাণীনগর থানার ওসি আব্দুল লতিফ বলেন, মামলা নেওয়া হয়নি এই অভিযোগ সত্য নয়। মারামারির ওই ঘটনায় সোমবার একটি পক্ষ থানায় এসেছিল। তারা মৌখিকভাবে অভিযোগ করে গেছে। তাদের আবারও থানায় আসার কথা। লিখিতভাবে অভিযোগ করলে বিষয়টি তদন্ত করে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে এসব অভিযোগ সত্য নয় বলে দাবি করেছেন বিএনপির প্রার্থী শেখ মো. রেজাউল ইসলাম রেজু। রেজু বলেন, সোমবার পাকুরিয়া খেলার মাঠে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে দুপক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটেছে। আমার কোনো কর্মী-সমর্থক এর সঙ্গে জড়িত নয়। এছাড়া আমার কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে মোটরসাইকেল প্রতীকের নির্বাচনি ক্যাম্প ভাঙচুরের যে অভিযোগ করা হয়েছে সেটাও মিথ্যা। মোটরসাইকেলের কর্মীরা নিজেরা নিজেদের ক্যাম্প ভাঙচুর করে আমাদের ওপর দোষ চাপাচ্ছে। এসব ষড়যন্ত্র করে কোনো কাজ হবে না।
স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মী তানসেন বলেন, আমি সাবেক প্রতিমন্ত্রী আলমগীর কবিরের মোটরসাইকেল মার্কার লিফলেট বিতরণ করছিলাম। এ সময় পাকুরিয়া খেলার মাঠে আমাকে দেখতে পেয়ে রাণীনগর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোসারব হোসেনের ভাগ্নে লিটন কোনো কিছু জিজ্ঞাসা না করেই আলমগীর কবিরের দালাল আখ্যা দিয়ে আমাকে মারধর করতে শুরু করে। পরে লিটনের সঙ্গে থাকা আরও ৫-৭ জন আমাকে মারধর করে। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে তারা চলে যায়।
অভিযোগের বিষয়ে লিটন বলেন, একটি খেলার অনুষ্ঠানে আমাদের দাওয়াত ছিল। সেই দাওয়াতে আমরা মাইকে কথা বলছিলাম। এ সময় তানসেন মাইকের লাইন খুলে দেয়। পরবর্তীতে আমরা চলে আসতে ধরলে তানসেন আবারও আমাদের বাধা দেয়। এ সময় কয়েকজন তাকে চড়-থাপ্পড় দেয়। তবে আমি কিছু তাকে বলিনি।
স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনি পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন বলেন, গুন্ডাবাহিনী দিয়ে আমাদের নেতাকর্মীদের ভয় দেখানো হচ্ছে। সোমবার রাণীনগর উপজেলার পাকুরিয়া গ্রামে মোটরসাইকেলের পক্ষে লিফলেট বিতরণ করার সময় তানসেন নামে আমাদের এক কর্মীকে মারপিট করেছে ধানের শীষের প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকরা। আমাদের ওই কর্মী এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। এ ঘটনায় রাণীনগর থানায় মামলা করতে গেলে মামলা নেওয়া হয়নি। এছাড়া রাতে আত্রাইয়ের বান্দাইখাড়া বাজারে আমাদের একটি নির্বাচনি ক্যাম্প ভাঙচুর করা হয়েছে। তাই সুষ্ঠু ভোট নিয়ে শঙ্কায় আছি।
এমএইছ/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জানুয়ারি ২০২৬
নওগাঁ-৬ ( রাণীনগর-আত্রাই ) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আলমগীর কবিরের এক কর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে বিএনপির প্রার্থী শেখ মো. রেজাউল ইসলাম রেজুর কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে। গত সোমবার বিকালে রাণীনগর উপজেলার পাকুরিয়া এলাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর (মোটরসাইকেল প্রতীকের) লিফলেট বিতরণের সময় তানসেন নামে এক যুবককে মারধর করা হয়।
মামলা না নেওয়ার বিষয়ে রাণীনগর থানার ওসি আব্দুল লতিফ বলেন, মামলা নেওয়া হয়নি এই অভিযোগ সত্য নয়। মারামারির ওই ঘটনায় সোমবার একটি পক্ষ থানায় এসেছিল। তারা মৌখিকভাবে অভিযোগ করে গেছে। তাদের আবারও থানায় আসার কথা। লিখিতভাবে অভিযোগ করলে বিষয়টি তদন্ত করে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে এসব অভিযোগ সত্য নয় বলে দাবি করেছেন বিএনপির প্রার্থী শেখ মো. রেজাউল ইসলাম রেজু। রেজু বলেন, সোমবার পাকুরিয়া খেলার মাঠে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে দুপক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটেছে। আমার কোনো কর্মী-সমর্থক এর সঙ্গে জড়িত নয়। এছাড়া আমার কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে মোটরসাইকেল প্রতীকের নির্বাচনি ক্যাম্প ভাঙচুরের যে অভিযোগ করা হয়েছে সেটাও মিথ্যা। মোটরসাইকেলের কর্মীরা নিজেরা নিজেদের ক্যাম্প ভাঙচুর করে আমাদের ওপর দোষ চাপাচ্ছে। এসব ষড়যন্ত্র করে কোনো কাজ হবে না।
স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মী তানসেন বলেন, আমি সাবেক প্রতিমন্ত্রী আলমগীর কবিরের মোটরসাইকেল মার্কার লিফলেট বিতরণ করছিলাম। এ সময় পাকুরিয়া খেলার মাঠে আমাকে দেখতে পেয়ে রাণীনগর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোসারব হোসেনের ভাগ্নে লিটন কোনো কিছু জিজ্ঞাসা না করেই আলমগীর কবিরের দালাল আখ্যা দিয়ে আমাকে মারধর করতে শুরু করে। পরে লিটনের সঙ্গে থাকা আরও ৫-৭ জন আমাকে মারধর করে। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে তারা চলে যায়।
অভিযোগের বিষয়ে লিটন বলেন, একটি খেলার অনুষ্ঠানে আমাদের দাওয়াত ছিল। সেই দাওয়াতে আমরা মাইকে কথা বলছিলাম। এ সময় তানসেন মাইকের লাইন খুলে দেয়। পরবর্তীতে আমরা চলে আসতে ধরলে তানসেন আবারও আমাদের বাধা দেয়। এ সময় কয়েকজন তাকে চড়-থাপ্পড় দেয়। তবে আমি কিছু তাকে বলিনি।
স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনি পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন বলেন, গুন্ডাবাহিনী দিয়ে আমাদের নেতাকর্মীদের ভয় দেখানো হচ্ছে। সোমবার রাণীনগর উপজেলার পাকুরিয়া গ্রামে মোটরসাইকেলের পক্ষে লিফলেট বিতরণ করার সময় তানসেন নামে আমাদের এক কর্মীকে মারপিট করেছে ধানের শীষের প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকরা। আমাদের ওই কর্মী এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। এ ঘটনায় রাণীনগর থানায় মামলা করতে গেলে মামলা নেওয়া হয়নি। এছাড়া রাতে আত্রাইয়ের বান্দাইখাড়া বাজারে আমাদের একটি নির্বাচনি ক্যাম্প ভাঙচুর করা হয়েছে। তাই সুষ্ঠু ভোট নিয়ে শঙ্কায় আছি।
এমএইছ/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন