ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

বাগমারায় সাজুড়িয়া বিলে অবৈধ পুকুর খনন



বাগমারায় সাজুড়িয়া বিলে অবৈধ পুকুর খনন
ছবি: সংগৃহীত

রাজশাহীর-৪ বাগমারা উপজেলার গোয়ালকান্দি ইউনিয়নের সাজুড়িয়া গ্রামের যশের বিলে অবৈধভাবে পুকুর খনন করা হচ্ছে।

ভেকু মেশিন ব্যবহার করে ধান লাগানোর জন্য প্রস্তুতকৃত জমি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং পুকুরের পাড় তৈরির কাজ চলছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় কৃষকরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রশাসনের নির্দেশনা উপেক্ষা করে আনোয়ার হোসেন মাস্টার, ইসলাম হোসেন, বাবলু মাস্টারসহ কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি এ কাজ করছে। জমি মালিক আবু তাহের, আলতাফ হোসেন ও আবু সাইদসহ স্থানীয় কৃষকরা জানিয়েছেন, যশের বিলের প্রায় অংশ ইতিপূর্বে অবৈধভাবে খনন করা হয়েছে।

এই এলাকায় মাত্র ১৫০২০০ বিঘা জমিতে ধানের চাষ হচ্ছে। তারা অবশিষ্ট ফসলি জমি রক্ষার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।

জানা গেছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ওই বিলের অর্ধেকেরও বেশি ফসলি জমিতে পুকুর খনন করা হয়েছিল। এতে বাকি কৃষি জমিতে পানি সেচে সমস্যা এবং জলাবদ্ধতার কারণে চাষে দুর্ভোগ দেখা দেয়। তবুও স্থানীয় কৃষকরা অবশিষ্ট জমিতে ধান চাষ অব্যাহত রাখতে চান।

এ বিষয়ে আনোয়ার মাস্টারের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। বাগমারার সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাইফুল ইসলাম ভুঞা জানান, অবৈধভাবে পুকুর খননকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান।

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ

বিষয় : বাগমারা পুকুর খনন সাজুড়িয়া বিল

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


বাগমারায় সাজুড়িয়া বিলে অবৈধ পুকুর খনন

প্রকাশের তারিখ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

রাজশাহীর-৪ বাগমারা উপজেলার গোয়ালকান্দি ইউনিয়নের সাজুড়িয়া গ্রামের যশের বিলে অবৈধভাবে পুকুর খনন করা হচ্ছে।

ভেকু মেশিন ব্যবহার করে ধান লাগানোর জন্য প্রস্তুতকৃত জমি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং পুকুরের পাড় তৈরির কাজ চলছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় কৃষকরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রশাসনের নির্দেশনা উপেক্ষা করে আনোয়ার হোসেন মাস্টার, ইসলাম হোসেন, বাবলু মাস্টারসহ কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি এ কাজ করছে। জমি মালিক আবু তাহের, আলতাফ হোসেন ও আবু সাইদসহ স্থানীয় কৃষকরা জানিয়েছেন, যশের বিলের প্রায় অংশ ইতিপূর্বে অবৈধভাবে খনন করা হয়েছে।

এই এলাকায় মাত্র ১৫০২০০ বিঘা জমিতে ধানের চাষ হচ্ছে। তারা অবশিষ্ট ফসলি জমি রক্ষার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।

জানা গেছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ওই বিলের অর্ধেকেরও বেশি ফসলি জমিতে পুকুর খনন করা হয়েছিল। এতে বাকি কৃষি জমিতে পানি সেচে সমস্যা এবং জলাবদ্ধতার কারণে চাষে দুর্ভোগ দেখা দেয়। তবুও স্থানীয় কৃষকরা অবশিষ্ট জমিতে ধান চাষ অব্যাহত রাখতে চান।

এ বিষয়ে আনোয়ার মাস্টারের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। বাগমারার সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাইফুল ইসলাম ভুঞা জানান, অবৈধভাবে পুকুর খননকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান।

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত