ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

নোয়াখালীতে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা



নোয়াখালীতে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা
মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বাহার। ছবি: সংগৃহীত

সম্পদ বিবরণীতে তথ্য গোপন ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বাহার (৫০) নামে এক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ সোমবার সকালে দুদক নোয়াখালীর উপসহকারী পরিচালক মো. জাহেদ আলম বাদী হয়ে দুদক বিশেষ আদালতে এ মামলাটি করেন।

অভিযুক্ত আনোয়ার হোসেন বাহার নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার কাবিলপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব। তিনি কাবিলপুর ইউনিয়নের ইয়ারপুর গ্রামের মোখলেছুর রহমানের ছেলে।

দুদক জানায়, আনোয়ার হোসেন বাহার গত ২০১৬ সালের ১৬ অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত কাবিলপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। চলতি বছরের ১২ মে চেয়ারম্যান নিজের স্থাবর, অস্থাবর সম্পদ, দায়দেনা এবং আয়ের উৎস উল্লেখ করে দুর্নীতি দমন কমিশন প্রধান কার্যালয়ে সম্পদ বিবরণী দাখিল করেন। গত ৩০ জুন বিবরণীর তথ্য যাচাইয়ের জন্য দুদক নোয়াখালীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। অনুসন্ধানকালে দেখা যায়, আনোয়ার হোসেন বাহার দুর্নীতি দমন কমিশনের কাছে দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে তাঁর নামে একটি দোতলা ভবন এবং জমিজমাসহ মোট ৪৭ লাখ ৩২ হাজার টাকার স্থাবর সম্পদ এবং ২১ লাখ ৫৭ হাজার ৪১ টাকার অস্থাবর সম্পদসহ মোট ৬৮ লাখ ৮৯ হাজার ৪১ টাকার সম্পদের তথ্য দিয়েছে। কিন্তু তিনি দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে ১০ লাখ ৭৭ হাজার ১৩২ টাকার সম্পদ অর্জনের তথ্য গোপন এবং ৩৮ লাখ ৪৪ হাজার ৮২৯ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ নিজ নামে ভোগদখলে রাখার তথ্য গোপন করেছেন। দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারায় এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

বিষয়টি নিশ্চিত করে দুদক নোয়াখালীর কোর্ট পরিদর্শক মোহাম্মদ ইদ্রিস বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে আসামির বিরুদ্ধে মামলা পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬


নোয়াখালীতে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

প্রকাশের তারিখ : ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫

featured Image

সম্পদ বিবরণীতে তথ্য গোপন ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বাহার (৫০) নামে এক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ সোমবার সকালে দুদক নোয়াখালীর উপসহকারী পরিচালক মো. জাহেদ আলম বাদী হয়ে দুদক বিশেষ আদালতে এ মামলাটি করেন।

অভিযুক্ত আনোয়ার হোসেন বাহার নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার কাবিলপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব। তিনি কাবিলপুর ইউনিয়নের ইয়ারপুর গ্রামের মোখলেছুর রহমানের ছেলে।

দুদক জানায়, আনোয়ার হোসেন বাহার গত ২০১৬ সালের ১৬ অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত কাবিলপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। চলতি বছরের ১২ মে চেয়ারম্যান নিজের স্থাবর, অস্থাবর সম্পদ, দায়দেনা এবং আয়ের উৎস উল্লেখ করে দুর্নীতি দমন কমিশন প্রধান কার্যালয়ে সম্পদ বিবরণী দাখিল করেন। গত ৩০ জুন বিবরণীর তথ্য যাচাইয়ের জন্য দুদক নোয়াখালীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। অনুসন্ধানকালে দেখা যায়, আনোয়ার হোসেন বাহার দুর্নীতি দমন কমিশনের কাছে দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে তাঁর নামে একটি দোতলা ভবন এবং জমিজমাসহ মোট ৪৭ লাখ ৩২ হাজার টাকার স্থাবর সম্পদ এবং ২১ লাখ ৫৭ হাজার ৪১ টাকার অস্থাবর সম্পদসহ মোট ৬৮ লাখ ৮৯ হাজার ৪১ টাকার সম্পদের তথ্য দিয়েছে। কিন্তু তিনি দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে ১০ লাখ ৭৭ হাজার ১৩২ টাকার সম্পদ অর্জনের তথ্য গোপন এবং ৩৮ লাখ ৪৪ হাজার ৮২৯ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ নিজ নামে ভোগদখলে রাখার তথ্য গোপন করেছেন। দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারায় এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

বিষয়টি নিশ্চিত করে দুদক নোয়াখালীর কোর্ট পরিদর্শক মোহাম্মদ ইদ্রিস বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে আসামির বিরুদ্ধে মামলা পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত