ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

চকবাজার শাহী জামে মসজিদে দোয়া মাহফিলে ডা. শাহাদাত হোসেন

চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক ভিত্তি রচনায় বেগম খালেদা জিয়ার ভূমিকা ছিল ঐতিহাসিক


প্রকাশ : ০২ জানুয়ারি ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক ভিত্তি রচনায় বেগম খালেদা জিয়ার ভূমিকা ছিল ঐতিহাসিক


চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, আধুনিক চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক ভিত নির্মাণে তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদান ইতিহাসে বিশেষভাবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। শিল্পায়ন, রপ্তানিমুখী অর্থনীতি এবং অবকাঠামোগত সম্প্রসারণের মাধ্যমে তিনি চট্টগ্রামের মানুষের জীবনযাত্রায় অর্থনৈতিক পরিবর্তনের সূচনা করেছিলেন।


তিনি শুক্রবার (২ জানুয়ারী) বাদে মাগরিব চকবাজার সিটি কর্পোরেশন শাহী জামে মসজিদে বেগম খালেদা জিয়া রুহের মাগফেরাত কামনায় মসজিদ কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে এসব কথা বলেন।


দোয়া মাহফিলে বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়। একই সঙ্গে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ জিয়া পরিবারের সকল সদস্যদের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মসজিদের খতিব মাওলানা মোহাম্মদ আলাউদ্দীন আল কাদেরী। 


মেয়র বলেন, বেগম খালেদা জিয়াকে মানুষ সাধারণত একজন দৃঢ়চেতা ও আপসহীন রাজনৈতিক নেত্রী হিসেবেই চেনে। স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে তাঁর অবস্থান, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে তাঁর ভূমিকা এবং দীর্ঘদিনের ফ্যাসিবাদবিরোধী সংগ্রাম তাঁকে জনমানসে গণতন্ত্রের প্রতীকে পরিণত করেছে। তাঁর ব্যক্তিগত শালীনতা, ভদ্রতা ও দেশপ্রেম সাধারণ মানুষের মনে গভীর প্রভাব ফেলেছে, যার প্রতিফলন ঘটেছে তাঁর ধারাবাহিক নির্বাচনী সাফল্যে। তার জানাজায় লক্ষ লক্ষ মানুষের উপস্থিতিই প্রমাণ করেছে তিনি ছিলেন জনমানুষের নেত্রী। 


ডা. শাহাদাত বলেন, বেগম খালেদা জিয়া সারা জীবন দেশ ও জাতির ভাগ্য উন্নয়নে সংগ্রাম করে গেছেন। দেশের মানুষের ভোটাধিকার আদায়ের প্রশ্নে তিনি ছিলেন আপসহীন। দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে তিনি সাহসী ও ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেন। তাঁর এই নেতৃত্ব বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তার মৃত্যুতে পুরো দেশের মানুষ শোকাহত।


মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আবদুর রহিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক সালাউদ্দীন কায়সার লাভু, মসজিদ কমিটির সহ সভাপতি রমজু মিয়া, সদস্য এম এ হালিম বাবলু, আবদুল মালেক, জসিম উদ্দিন, মোহাম্মদ আবু, চসিক কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি মামুনুর রশীদ মামুন, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলাউদ্দীন সহ বিপুল সংখ্যক মুসল্লী। 



আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

রোববার, ০৮ মার্চ ২০২৬


চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক ভিত্তি রচনায় বেগম খালেদা জিয়ার ভূমিকা ছিল ঐতিহাসিক

প্রকাশের তারিখ : ০২ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image


চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, আধুনিক চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক ভিত নির্মাণে তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদান ইতিহাসে বিশেষভাবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। শিল্পায়ন, রপ্তানিমুখী অর্থনীতি এবং অবকাঠামোগত সম্প্রসারণের মাধ্যমে তিনি চট্টগ্রামের মানুষের জীবনযাত্রায় অর্থনৈতিক পরিবর্তনের সূচনা করেছিলেন।


তিনি শুক্রবার (২ জানুয়ারী) বাদে মাগরিব চকবাজার সিটি কর্পোরেশন শাহী জামে মসজিদে বেগম খালেদা জিয়া রুহের মাগফেরাত কামনায় মসজিদ কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে এসব কথা বলেন।


দোয়া মাহফিলে বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়। একই সঙ্গে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ জিয়া পরিবারের সকল সদস্যদের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মসজিদের খতিব মাওলানা মোহাম্মদ আলাউদ্দীন আল কাদেরী। 


মেয়র বলেন, বেগম খালেদা জিয়াকে মানুষ সাধারণত একজন দৃঢ়চেতা ও আপসহীন রাজনৈতিক নেত্রী হিসেবেই চেনে। স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে তাঁর অবস্থান, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে তাঁর ভূমিকা এবং দীর্ঘদিনের ফ্যাসিবাদবিরোধী সংগ্রাম তাঁকে জনমানসে গণতন্ত্রের প্রতীকে পরিণত করেছে। তাঁর ব্যক্তিগত শালীনতা, ভদ্রতা ও দেশপ্রেম সাধারণ মানুষের মনে গভীর প্রভাব ফেলেছে, যার প্রতিফলন ঘটেছে তাঁর ধারাবাহিক নির্বাচনী সাফল্যে। তার জানাজায় লক্ষ লক্ষ মানুষের উপস্থিতিই প্রমাণ করেছে তিনি ছিলেন জনমানুষের নেত্রী। 


ডা. শাহাদাত বলেন, বেগম খালেদা জিয়া সারা জীবন দেশ ও জাতির ভাগ্য উন্নয়নে সংগ্রাম করে গেছেন। দেশের মানুষের ভোটাধিকার আদায়ের প্রশ্নে তিনি ছিলেন আপসহীন। দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে তিনি সাহসী ও ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেন। তাঁর এই নেতৃত্ব বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তার মৃত্যুতে পুরো দেশের মানুষ শোকাহত।


মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আবদুর রহিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক সালাউদ্দীন কায়সার লাভু, মসজিদ কমিটির সহ সভাপতি রমজু মিয়া, সদস্য এম এ হালিম বাবলু, আবদুল মালেক, জসিম উদ্দিন, মোহাম্মদ আবু, চসিক কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি মামুনুর রশীদ মামুন, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলাউদ্দীন সহ বিপুল সংখ্যক মুসল্লী। 




ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত