লক্ষ্মীপুর সদর (পশ্চিম) সংগঠনিক থানা বিএনপির প্রতিনিধি নির্বাচনে সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সাবেক দালাল বাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ কামরুজ্জামান সোহেল। তবে তাকে ঘিরে উঠেছে তীব্র বিতর্ক।
অভিযোগ রয়েছে, সোহেল অতীতে আওয়ামী লীগ নেতা ও রাজাকার পুত্র এডভোকেট নুরুদ্দিন চৌধুরী নয়নের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন। তিনি ওই নির্বাচনে কেন্দ্র কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং নয়নের প্রার্থিতার জন্য প্রায় তিন লাখ টাকা ব্যয় করেন। এ বিষয়ে সে সময় জাতীয় গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় এবং সোহেল নিজেও সাংবাদিকদের কাছে তা স্বীকার করেছিলেন।
এমন একজন ব্যক্তি বর্তমানে বিএনপির সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অপর প্রার্থী মহিউদ্দিন পাটোয়ারী বিটু। তিনি বলেন,
“যিনি অতীতে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর হয়ে কাজ করেছেন, কেন্দ্রীয় দায়িত্ব পালন করেছেন এবং টাকা খরচ করেছেন, তিনি কিভাবে বিএনপির সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন তা আমাদের বোধগম্য নয়। বিএনপির একজন ত্যাগী কর্মী হিসেবে আমি মনে করি সুবিধাবাদীদের দলে স্থান দেওয়া উচিত নয়।”
তিনি আরও বলেন,
“আমাদের নেতা তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা চাই ত্যাগী, পরীক্ষিত ও বিশ্বস্ত কর্মীদের হাতে বিএনপির ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গড়ে উঠুক।”
এ নিয়ে স্থানীয় রাজনীতিতে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
তৃণমূল নেতাকর্মীদের একাংশও প্রশ্ন তুলছেন— আওয়ামী লীগপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকা কোনো ব্যক্তি এখন কিভাবে বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।