ময়মনসিংহে ঢোলাদিয়া
এলাকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ঢাকসু) কার্যনির্বাহী সদস্য
উম্মা উসওয়াতুন রাফিয়ার বাসায় ককটেল বিস্ফোরণ ও দাহ্য পদার্থ ছিটিয়ে আগুন দেওয়ার
ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (২০ নভেম্বর) দিবাগত রাত ৩টার দিকে এ হামলা হয়।
এ ঘটনায়
বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্ট্যাটাস দিয়েছেন উম্মা
উসওয়াতুন রাফিয়া। তিনি লিখেছেন, ‘আমাদের ভয় দেখিয়ে শয়তান নিজেই অন্ধকারে পালিয়ে
যায়।
ঘটনার খবর পেয়ে
বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। পরে বিকেলে অজ্ঞাতপরিচয়
দুষ্কৃতকারীদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করা হয়। মামলাটি করেন রাফিয়ার
ভাই খন্দকার জুলকারনাইন।
মামলার
এজাহারে বলা হয়েছে, রাত ২টা ৫০ থেকে ৩টার মধ্যে বিকট শব্দে পরিবারটির ঘুম ভেঙে
যায়।
সকালে
বাসার গেটে নামলে দেখা যায়, গেটের অংশবিশেষ পুড়ে কালো হয়ে গেছে এবং সামনে পোড়া ছাই
পড়ে আছে। আশপাশে কেরোসিন ও পেট্রলের গন্ধও পাওয়া যায়। এজাহারে আরো অভিযোগ করা হয়,
অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে আতঙ্ক সৃষ্টির উদ্দেশ্যে ককটেল বিস্ফোরণ
ঘটিয়ে দাহ্য পদার্থ ছিটিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়।
রাফিয়ার
মা জিন্নাত মহল বলেন, ‘আমার কারো সঙ্গে শত্রুতা নেই।
আমার
মেয়ের রাজনৈতিক তৎপরতার কারণেই এই হামলা হয়েছে বলে মনে করি। ঘটনার পর আমরা ভয়
পাচ্ছি।’
কোতোয়ালি
মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শিবিরুল ইসলাম বলেন, বিস্ফোরক দ্রব্য
আইনে মামলা নেওয়া হয়েছে। জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা
চলছে।
.png)
রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ নভেম্বর ২০২৫
ময়মনসিংহে ঢোলাদিয়া
এলাকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ঢাকসু) কার্যনির্বাহী সদস্য
উম্মা উসওয়াতুন রাফিয়ার বাসায় ককটেল বিস্ফোরণ ও দাহ্য পদার্থ ছিটিয়ে আগুন দেওয়ার
ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (২০ নভেম্বর) দিবাগত রাত ৩টার দিকে এ হামলা হয়।
এ ঘটনায়
বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্ট্যাটাস দিয়েছেন উম্মা
উসওয়াতুন রাফিয়া। তিনি লিখেছেন, ‘আমাদের ভয় দেখিয়ে শয়তান নিজেই অন্ধকারে পালিয়ে
যায়।
ঘটনার খবর পেয়ে
বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। পরে বিকেলে অজ্ঞাতপরিচয়
দুষ্কৃতকারীদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করা হয়। মামলাটি করেন রাফিয়ার
ভাই খন্দকার জুলকারনাইন।
মামলার
এজাহারে বলা হয়েছে, রাত ২টা ৫০ থেকে ৩টার মধ্যে বিকট শব্দে পরিবারটির ঘুম ভেঙে
যায়।
সকালে
বাসার গেটে নামলে দেখা যায়, গেটের অংশবিশেষ পুড়ে কালো হয়ে গেছে এবং সামনে পোড়া ছাই
পড়ে আছে। আশপাশে কেরোসিন ও পেট্রলের গন্ধও পাওয়া যায়। এজাহারে আরো অভিযোগ করা হয়,
অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে আতঙ্ক সৃষ্টির উদ্দেশ্যে ককটেল বিস্ফোরণ
ঘটিয়ে দাহ্য পদার্থ ছিটিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়।
রাফিয়ার
মা জিন্নাত মহল বলেন, ‘আমার কারো সঙ্গে শত্রুতা নেই।
আমার
মেয়ের রাজনৈতিক তৎপরতার কারণেই এই হামলা হয়েছে বলে মনে করি। ঘটনার পর আমরা ভয়
পাচ্ছি।’
কোতোয়ালি
মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শিবিরুল ইসলাম বলেন, বিস্ফোরক দ্রব্য
আইনে মামলা নেওয়া হয়েছে। জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা
চলছে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন