ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

জলঢাকায় মৌসুমি বেগমের ওপর প্রতিবেশীদের অমানবিক নির্যাতন, থানায় অভিযোগ



জলঢাকায় মৌসুমি বেগমের ওপর প্রতিবেশীদের অমানবিক নির্যাতন, থানায় অভিযোগ
ছবি: কামরুজ্জামান (কামরুল)

নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলা ১১,নং কৈমারী ইউনিয়নের ২,নং ওয়ার্ড বিন্নাকুড়ী দিঘিরপার এলাকায়,পূর্ব শত্রুতার জেরে গৃহবধূ মৌসুমি বেগম কে এলোপাতাড়ি ডাংমার করেন একই এলাকার এমদাদুল হকের পরিবারের লোকজন।

মৌসুমি বেগম ওই এলাকার বাসিন্দা লাভলু মিয়ার স্ত্রী। ঘটনার বিষয়ে লাভলু মিয়া গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন,অনেক আগে থেকে প্রতিবেশি এমদাদুল হকের পরিবারের সাথে আমাদের জমা জমি নিয়ে কোলহ চলছে ও একটা মামলা চলামান আছে।

গতো ২১ ই জানুয়ারি তারা আমাদের পারিবারিক কবরস্থান দিয়ে জোরপূর্বক চলাচল করে, তাই আমি তাদের নিষেধ করি,তখন সোহাগ,শাহিনা,মনির,মেরিনা,শাহিদা,এমদাদুল ও বেলাল একত্রিত হয়ে আমাকে মারধর করতে আসে,তখন আমার স্ত্রী আমাকে বাচাঁনোর জন্য ছুটে আসে,তখন তারা আমাকে সহ আমার স্ত্রীকে রড ও হাত দিয়ে এলোপাথাড়ি কিল ঘুশি,ও চুলের মুঠি ধরে কালশিরা জখম করে,এতে আমার স্ত্রী  গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পরে।

তারপর তারা আমার বাসার গেট ভাংচুর করে,তখন আমার কিছু প্রতিবেশি আমাদেরকে উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্সে ভর্তি করান।একপর্যায়ে আমরা আমাদের নিরাপত্তার জন্য থানায় একটা অভিযোগ করি,প্রশাসনের কাছে আমার আকুল আবেদন, তারা যেনো সঠিক তদন্তের মাধ্যমে এর একটা সুস্ঠু বিচার করেন।

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬


জলঢাকায় মৌসুমি বেগমের ওপর প্রতিবেশীদের অমানবিক নির্যাতন, থানায় অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ২৫ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলা ১১,নং কৈমারী ইউনিয়নের ২,নং ওয়ার্ড বিন্নাকুড়ী দিঘিরপার এলাকায়,পূর্ব শত্রুতার জেরে গৃহবধূ মৌসুমি বেগম কে এলোপাতাড়ি ডাংমার করেন একই এলাকার এমদাদুল হকের পরিবারের লোকজন।

মৌসুমি বেগম ওই এলাকার বাসিন্দা লাভলু মিয়ার স্ত্রী। ঘটনার বিষয়ে লাভলু মিয়া গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন,অনেক আগে থেকে প্রতিবেশি এমদাদুল হকের পরিবারের সাথে আমাদের জমা জমি নিয়ে কোলহ চলছে ও একটা মামলা চলামান আছে।

গতো ২১ ই জানুয়ারি তারা আমাদের পারিবারিক কবরস্থান দিয়ে জোরপূর্বক চলাচল করে, তাই আমি তাদের নিষেধ করি,তখন সোহাগ,শাহিনা,মনির,মেরিনা,শাহিদা,এমদাদুল ও বেলাল একত্রিত হয়ে আমাকে মারধর করতে আসে,তখন আমার স্ত্রী আমাকে বাচাঁনোর জন্য ছুটে আসে,তখন তারা আমাকে সহ আমার স্ত্রীকে রড ও হাত দিয়ে এলোপাথাড়ি কিল ঘুশি,ও চুলের মুঠি ধরে কালশিরা জখম করে,এতে আমার স্ত্রী  গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পরে।

তারপর তারা আমার বাসার গেট ভাংচুর করে,তখন আমার কিছু প্রতিবেশি আমাদেরকে উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্সে ভর্তি করান।একপর্যায়ে আমরা আমাদের নিরাপত্তার জন্য থানায় একটা অভিযোগ করি,প্রশাসনের কাছে আমার আকুল আবেদন, তারা যেনো সঠিক তদন্তের মাধ্যমে এর একটা সুস্ঠু বিচার করেন।

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত